অভিরূপই অদৃশ্য শত্রু! ইশারা দিলেন নৃসিংহ দেব! ফাঁস আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব!

বাংলা মেগা ধারাবাহির (Bengali Serial) জগতে একের পর এক নতুন ধারাবাহিক আসছে। কিন্তু সেই নতুন ধারাবাহিকগুলোর মধ্যেও এমন কিছু পুরনো ধারাবাহিক রয়েছে যেগুলো দর্শকের মনে নিজেদের পাকাপক্ত জায়গা তৈরি করে রেখেছে। তার মধ্যে একটি হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। ধারাবাহিকের টিআরপি রেটিং দেখতেই বোঝা যায় ধারাবাহিকটি দর্শকমহলে কতটা জনপ্রিয়। ধারাবাহিকে দর্শকদের জন্য প্রতিদিন নতুন নতুন চমক অপেক্ষা করে। তাই এই ধারাবাহিকটি দেখতে বেশ পছন্দ করেন দর্শক। চলুন জেনে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আজকের পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, সুনন্দা নিজে বলে তাকে ফুলকি কিভাবে রক্ষা করেছে। এক বার নয় দুই দুই বার তার উপর আক্রমণ হয়েছিল। ফুলকির বুদ্ধির জোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু ফুলকির মনে খটকা হতে থাকে অভিরুপকে নিয়ে। কে সুনন্দার পায়েসে বিষ মেশালো সেটাই ভাবতে থাকে ফুলকি। তখন রোহিত জানায় তারা যখন পায়েস নিয়ে আসছিল তখন সাথে অভিরূপ ছিল। রুদ্র সবটাই বাইরে থেকে দাঁড়িয়ে শুনছিল। ফুলকিদের নজর অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য ঘরে এসে প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলে।

অভিরূপ অর্থাৎ রুদ্রর কথায় রাজমহলের প্রার্থী হিসেবে ছোট রাণীর পরে ছোট রাজকুমারকে নির্বাচিত করা হয়েছে। আসলে ছোট রাণীর পর একমাত্র ছোট রাজকুমার রয়েছে। যে এই সমস্ত অসৎ কাজের সাথে যুক্ত থাকতে পারে। তাই জন্য তাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ছোট রাজকুমার তো রাজনীতির কিছুই জানেনা কিভাবে লড়াই করবে সেটা ভেবেই অবাক হয়ে যায় রাজমহলের প্রত্যেককে। বাড়িতে এসে তো ছোট রাজকুমার অসভ্য আচরণ করতে থাকে। ফুলকিকে যা নয় তাই বলে অপমান করতে থাকে। বাইরের মেয়ে বলে ফুলকিকে নিয়ে নানান মন্তব্য করে।
ফুলকিকে যা হয় তাই বলায় বড় রাজকুমার ছোট রাজকুমারকে সাবধান করে দেয়। ছোট রাজকুমার বাড়িতে নেশা করে এসেছে, বাড়িতে বড়রা রয়েছে তাদের কথা একবারও না ভেবে ছোট রাজকুমার যা নয় তাই করছে স্বেচ্ছাচারিতা করছেন। এরপরেই ছোট রাজা এসে ছোট রাজকুমারের উপরে বেজায় ক্ষেপে যায়। কিন্তু ছোট রাজকুমার কারোর কথায় কোন গুরুত্ব দেয় না। এমনকি ছোট রাজা ফুলকির কাছে ক্ষমা চাইতে বললে ছোট রাজকুমার সেটাও শোনে না।
আরও পড়ুনঃ ‘মেসোমশাই কে বলো না বাইরে যেতে…’ বাবার সামনেই অন্তরঙ্গ অবস্থায় অভিনেত্রী শতাব্দী রায়!
এদিকে ফুলকি নিজের অদৃশ্য শত্রু কে সেটা নিয়ে ভাবতে থাকে। সে ঠিক করে রাখি বন্ধন উৎসব উপলক্ষে ফুলকি রাজমহলের সবাইকে নিয়ে উৎসব করবে। যাতে করে সকলের বিশ্বাস বাড়ে। ফুলকি তো সবাইকে একসাথে নিয়ে চলতে চায়। তাই এই রাখি বন্ধন উৎসবের গুরুত্ব সবাইকে বোঝাতে হবে। আর ওদিকে ছোট রাজকুমারকে ভরসা দিতে রুদ্র তার সঙ্গে কথা বলতে যায়। কিন্তু রাজকুমার প্রথমে বিশ্বাস করছিল না তার কথা। কারণ ছোট রাণীর বিরুদ্ধে এতদিন অভিরূপ কাজ করেছে। কিন্তু ছোট রাজকুমার তো জানে না এই অভিরূপের ছদ্মবেশের আড়ালে আসলে রুদ্র রয়েছে। এদিকে অভিরুপ আর ছোট রাজকুমার যখন কথা বলছিল তখন আড়াল থেকে সব শুনে নেয় ফুলকি। আর ফুলকি ঠিক করে নেয় রাখির দিন যার হাতে ফুলকি রাখি বাঁধতে পারবে না, সেই হবে অদৃশ্য শত্রু। সেটাই সিংহ দেবের ইশারা ভেবে নেবে। আর সেই মতো সবার হাতে রাখি বাঁধার পরেও অভিরূপের হাত থেকে রাখি খুলে পড়ে যায়। আর ফুলকির সন্দেহই ঠিক হয়।

