রায়ান-পারুলের সম্পর্কে তুমুল ঝড়! অভিমান নাকি জেদ? রায়ানের মুখের ওপর ‘না’ বলে দিল পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে ওঠায় এবং পারুলের সুরক্ষার কথা ভেবে এবার নিজেই আসরে নামবে রায়ান। সে টগরকে আড়ালে ডেকে একদম কড়া ভাষায় সতর্ক করে দেয়। রায়ান পরিষ্কার জানিয়ে দেয় যে, এই বাড়িতে থাকতে হলে তাকে সাবধানে এবং নিজের সীমার মধ্যে থাকতে হবে। যদি পারুলের কোনো ক্ষতি হয় বা তাকে কোনো রকম বিপদে ফেলার চেষ্টা করা হয়, তবে রায়ান সেটা মোটেও হালকাভাবে নেবে না এবং তার পরিণাম যে খুব খারাপ হবে, সেই হুমকিও সে দিয়ে রাখে।

টগর রায়ানের সামনে মুখে যতই নির্দোষ আর ভালো সাজার ভান করুক না কেন, গল্পের আসল মোড় ঘুরবে একটু পরেই। রায়ান চলে যাওয়ার পর আড়ালে যেতেই দেখা যাবে যে, পারুলের সন্দেহই একশো ভাগ সত্যি ছিল। টগর আসলে গোপনে শিরিনের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। ফোনে শিরিন তাকে কড়া নির্দেশ দেয় যে, পারুল সারাদিন কখন কোথায় যাচ্ছে, কী করছে আর কার কার সাথে দেখা করছে সব খবর যেন অক্ষরে অক্ষরে তাকে জানানো হয়। অর্থাৎ, এই বাড়িতে টগর মূলত শিরিনের গুপ্তচর হয়েই এসেছে।

টগর পারুলের ঘরে এক গ্লাস দুধ নিয়ে হাজির হবে। আচমকা টগরকে এভাবে দুধ নিয়ে আসতে দেখে পারুল বেশ চমকে উঠবে এবং মনে মনে সন্দেহ করবে। পারুলের চোখেমুখে ভীতি দেখে টগর বানিয়ে বলবে যে, পিসিমণি পাঠিয়েছে বলেই সে দুধটা এনেছে। ঠিক সেই সময় রায়ানও সেখানে এসে উপস্থিত হবে এবং টগরের এই অদ্ভুত কাণ্ড দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকবে। অন্যদিকে টগর মনে মনে ভাববে, শিরিনদির কথামতো কাজ তো করলাম, কিন্তু পারুল কি আদেও দুধটা খাবে?

টগরের কথা শুনে পারুল আর চুপ থাকবে না, সে আচমকাই টগরের হাত থেকে দুধের গ্লাসটা কেড়ে নেয়। তবে রায়ান কোনোভাবেই পারুলকে এই দুধ খেতে দেবে না। পারুলের ক্ষতি হতে পারে এমন কোনো ঝুঁকি রায়ান নেয় না এবং নিজের বুদ্ধিতে কোনো এক বড় বিপদের হাত থেকে সে পারুলকে বাঁচিয়ে নেয়। যার ফলে টগর ও শিরিনের চাল আবারও ভেস্তে যাবে।

আরও পড়ুনঃ বিপদের দিনে পল্লবীর রক্ষাকর্তা আদিত্য! গুন্ডা দমনের পর পল্লবীর খোঁপায় ফুলের মালা পরাল সে! এক অপূর্ব ঘটনার সাক্ষী রইল দর্শক!

এরপর আগামী পর্বে রায়ান ও পারুলের মধ্যে এক আবেগঘন দৃশ্য দেখা যাবে। রায়ান পারুলকে বোঝানোর চেষ্টা করে বলে, “আমরা কিন্তু বন্ধু হয়েও বাচ্চাটাকে মানুষ করতে পারতাম।” জবাবে পারুল অভিমানী সুরে বলে, “মা-বাবার মধ্যে ভালোবাসা না থাকলে সেটা কি আদেও সম্ভব হয়? তুই যদি ভেবে থাকিস আমি জোর করে তোর ভালোবাসা পাবার জন্য এই সন্তানকে পৃথিবীতে আনছি, তাহলে ভুল ভাবছিস। আমার তোকে লাগবে না, তোর ভালোবাসাও আমার লাগবে না রায়ান।” তখন রায়ান অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, “সত্যি লাগবে না আমাকে?” পারুলও দৃঢ়তার সাথে জানিয়ে দেয়, “না।”

Back to top button