পিসিমণির বিয়েতে একের পর এক বাধা! শিরিনের নতুন চালে ফের বিপদে পারুল? হাত মেলালো রায়ানের মা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রায়ান যখন বাড়ির দিকে রওনা দেয়, তখন বাড়িতে পিসিমণি ও অনিরুদ্ধর আশীর্বাদের অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে। শুরুতে রায়ান ভেবেছিল পারুলের সঙ্গে বোধহয় অনিরুদ্ধর কোনো সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে, কিন্তু সেখানে পিসিমণিকে দেখে তার সব ভুল ভেঙে যায়। নিজের ভুল বুঝতে পেরে রায়ান আনন্দে আত্মহারা হয়ে নাচতে শুরু করে দেয়।
অনিরুদ্ধর ওপর রায়ানের আর কোনো রাগ অবশিষ্ট থাকে না। সে সানন্দে এই সম্পর্ক মেনে নেয় এবং অনিরুদ্ধকে মন থেকে মেনে নেয়। রায়ান অনিরুদ্ধকে অনেক ভালো কথা শোনায় এবং বিশেষভাবে অনুরোধ করে যেন সে পিসিমণিকে সবসময় সুখে ও শান্তিতে রাখে। পরিবারের এই আনন্দঘন পরিবেশে রায়ান যেন এক নতুন মানুষে রূপান্তরিত হয়।

এরই মধ্যে রায়ানের মা বাপের বাড়ি থেকে ফিরে আসেন। দাদু কৌশলে রায়ানকে বাধ্য করার চেষ্টা করেন যাতে সে পারুলের প্রতি তার ভালোবাসার কথা স্বীকার করে। কিন্তু রায়ান সবার সামনে সরাসরি জানিয়ে দেয় যে সে পারুলকে ভালোবাসে না। আসলে পারুলের সাথে ডিভোর্স হওয়ার আগেই তার অন্য কোথাও বিয়ে হয়ে যাচ্ছে এই জেদ থেকেই রায়ান এতোটা অস্থির ছিল। ছেলের মুখে পারুলকে নিয়ে এমন অনীহা শুনে তার মা মনে মনে ভীষণ খুশি হন।
দাদু পিসিমণির বিয়ের সব দায়িত্ব পারুলের হাতে তুলে দেন। রায়ানের মা নিজে এই দায়িত্ব নিতে চাইলেও দাদু তাকে সবার সামনে অপমান করেন, যা তিনি মেনে নিতে পারেন না। অপমানে দগ্ধ হয়ে রায়ানের মা মনে মনে প্রতিহিংসার আগুন জ্বালিয়ে রাখেন এবং মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেন যে, যেকোনো উপায়েই হোক তিনি এই বিয়ে বন্ধ করবেনই।
আরও পড়ুনঃ ‘বাবা-মায়ের সামনেই মার’ধর করত শমীক, আমার চোখে এমন ভাবে মেরেছে…’ বিস্ফোরক দাবি নি’র্যাতিতার! আর কি কি বললেন তিনি?
অন্যদিকে, রায়ান মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে নিজেকে পুরোপুরি যোগ্য না করে সে তার মনের মানুষকে ভালোবাসার কথা জানাবে না। তবে শান্তি বেশিদিন স্থায়ী হয় না শিরিন পিসিমণির বিয়ে ভাঙতে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। সে পিসিমণির পুরোনো প্রেমিককে দিয়ে ফোন করিয়ে ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা করে। পারুল বুদ্ধিমতী হওয়ায় বুঝতে পারে এটি একটি বড় ফাঁদ। এখন দেখার বিষয়, আগামী পর্বে পারুল কীভাবে এই বিপদ থেকে পিসিমণিকে রক্ষা করে।

