শিরিনকে শেষ করার চক্রান্ত! বি’ষাক্ত ইনজেকশন হাতে হাসপাতালে সংযুক্তার লোক! শিরিনকে বাঁচাতে অসাধ্য সাধন করলো পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য শিরিনের মা কতটা নিচে নামতে পারে, তা ভাবাও যায় না। ব্যবসার নাম করে একটি সাধারণ মিটিংয়ের কথা বলে সে নিজের মেয়ে শিরিনকে একটি হোটেলে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু শিরিন ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি যে, সেখানে তার জন্য কত বড় বিপদ অপেক্ষা করে রয়েছে। হোটেলের রুমে পৌঁছানোর পর যখন সে আসল চক্রান্ত বুঝতে পারে, তখন সেখান থেকে পালিয়ে আসার চেষ্টা করলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। সেই চরম বিপদের মুহূর্তে অসহায় শিরিনের পাশে সাহায্য করার মতো কেউ ছিল না।

হোটেলের ঘরের ভেতরে যখন আগারওয়াল শিরিনের সাথে চরম অসভ্যতা করতে উদ্যত হয়, তখন কোনো উপায় না দেখে নিরূপায় শিরিন মনে মনে তার ‘দিদি’-কে স্মরণ করে। ঠিক তখনই যেন অলৌকিক ঘটনার মতো দরজা ভেঙে ঝড়ের বেগে ঘরে এসে প্রবেশ করে রায়ান ও পারুল। বোনকে রক্ষা করতে পারুল রাগে ফেটে পড়ে এবং সরাসরি আগারওয়ালের গলা টিপে ধরে গর্জন করে ওঠে। ন্যাড়াগোয়ালের মেয়ে পারুল চক্রবর্তী নিজের বোনের গায়ে হাত দেওয়ার দুঃসাহস দেখে আগারওয়ালকে কড়া হুঁশিয়ারি দেয়।

এই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে শিরিন প্রথমবার নিজের অতীত জীবনের দিকে ফিরে তাকায়। বিপদের দিনে পারুলের এভাবে পাশে দাঁড়ানো তাকে কঠোর বাস্তবের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। শিরিন উপলব্ধি করতে পারে যে, অতীতে সে যাদের যাদের আঘাত করেছিল, সেই ভুলগুলোর বোঝা একদিন না একদিন তার কাছেই ফিরে আসার ছিল। এরপর সেখান থেকে ফিরে যখন সে নিজের মায়ের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়, তখন তার এতদিনের জমানো রাগ, কষ্ট, অপমান আর ভাঙা বিশ্বাসের বাঁধ একসঙ্গে ভেঙে পড়ে।

গল্পের আগামী পর্বে দেখা যায়, চক্রান্তকারী সংযুক্তা শিরিনকে চিরতরে শেষ করে দেওয়ার জন্য হাসপাতালে লোক পাঠানোর পরিকল্পনা করে। নিজেদের পুরোনো বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় ফিরে যাওয়ার লোভ দেখিয়ে সে শিঞ্জিনীকে বোঝায় যে, শিরিনকে সরাতে পারলেই তারা আবার আগের মতো সব অধিকার ফিরে পাবে।

আরও পড়ুনঃ জ্ঞান হারিয়ে কমলার চরম পরিণতি! থানা থেকে ছাড়া পেলো শ্রীনিবাস! বাবাকে হঠাৎ সামনে দেখে চরম বিস্ময়ে সমর! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

পরিকল্পনা অনুযায়ী সংযুক্তার লোক রুগীর ছদ্মবেশে হাসপাতালে পৌঁছায় এবং শিরিনের স্যালাইনের বোতলে একটি বিষাক্ত ইনজেকশন দিতে যায়। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে সেখানে উপস্থিত হয়ে রায়ান ও পারুল তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। পারুল ও রায়ান অপরাধীকে চেপে ধরে গর্জে ওঠে এবং সরাসরি জানতে চায় কে তাকে হাসপাতালে পাঠিয়েছে শিরিনকে মারতে?

Back to top button