যুদ্ধের মাঝে ব্যারিকেট ভেঙে প্রেমে আবদ্ধ পারুল রায়ান! অবশেষে হল ভালোবাসার জয়! পারুলকে মনের কথা জানিয়ে দিলো রায়ান!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে বাড়ির সবার সাথে গোপাল রুক্মিণী সবাই যায় সেখানেই। পুলিশের আঘাতে আহত হয়ে কারোর মাথা ফেটে গেছে কারোর হাত পা ভেঙেছে। দাদু এসব দেখে রায়ান পারুলদের বাড়ি ফিরে যেতে বলে কিন্তু পারুলরা জানিয়ে দেয় এই লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে তারা কিছুতেই যাবে না। এরপর কলেজের প্রিন্সিপাল, স্যার, ম্যাডামরা এসে ছাত্রদের সাথে যোগ দেয় আন্দোলনে।

পুলিশ কোনভাবেই আন্দোলন ঠেকাতে পারে না। পারুলরা সবাইকে নিয়ে এগিয়ে আসে থানার দিকে। যাতে পুলিশ বাধ্য হয় এফ আই আর নিতে এবং ওই দুই গুন্ডাকে গ্রেফতার করতে। কিন্তু পুলিশ অফিসার জানিয়ে দেয় যেভাবেই হোক এই ছাত্রদের আটকাতে হবে। এদের কাছে তিনি কিছুতেই হেরে যেতে পারেন না। তাই পরের দিনকে পুলিশ ফোর্স নিয়ে তাদের আটকাতে যায়। কিন্তু অসংখ্য ব্যারিকেড দিয়েও থামাতে পারেনা। বাধ্য হয়েই পুলিশ এসে কাদন গ্যাস ছুঁড়ে মারে। আর তাতে অসুস্থ হয়ে পড়ে অসংখ্য ছাত্র ছাত্রী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে অনেকেই।
আরও পড়ুনঃ হতে চললো তিন বছর! হাজারো উত্থান পতন পেরিয়ে ধরে রেখেছে সেরার শিরোপা! টিআরপি তালিকায় এখনো প্রথম তিনে রাজ করছে জগদ্ধাত্রী!
এ সমস্ত ঘটনা টিভিতে দেখে শিক্ষামন্ত্রী তো ভীষণই রেগে যায়। ছাত্রদের এভাবে ক্ষেপিয়ে তোলা তিনি একেবারেই পছন্দ করছেন না এতে ভবিষ্যতে অসুবিধা হতে পারে। তাই পুলিশ ডিপার্টমেন্টের হেডকে খবর দেয় এই অবিলম্বে এই আন্দোলন আটকাতে বলেন এবং যে যেই গুন্ডাদের নামে অভিযোগ উঠেছে তাদেরকে গ্রেফতার করতে বলেন। কিন্তু পুলিশ জানায় যেই দুজনের নামে অভিযোগ উঠেছে তাদের পলিটিক্যাল পাওয়ার রয়েছে তাই পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে পারছিল না। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।
এদিকে কাঁদান গ্যাসের জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ে সকলে। আর পারুল সেটা কিছুতেই মুখ বুজে সহ্য করে না। উল্টে সেটাই পারুল ঘুরিয়ে পুলিশের দিকে ছুঁড়ে মারে। পারুলের এই সাহস এবং মনের জোর দেখে সকলেই তো বাহবা দিতে থাকে। কিন্তু তাতেও ক্ষান্ত হয় না পুলিশ। শুরু হয় জল কামান দিয়ে আক্রমণ। পারুলকে জল কামানের হাত থেকে বাঁচাতে রায়ান ঝাঁপিয়ে পড়ে। পারুল এবং রায়ানের মধ্যে আরো ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। এরপরে রায়ান নিজেই পরের দিন পারুলকে তার মনের কথা জানিয়ে দেয়। কিন্তু পারুল জানিয়ে দেন রায়ানের মতিগতির কোন ঠিক নেই। তাই রায়ান ৭ দিন সময় নিয়ে তারপরে যেন পারুলের কাছে ফিরে আসে। এবার দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

