দাদুর চাপে অবশেষে রায়ানের প্রেম স্বীকার! নতুন ষ’ড়যন্ত্র আঁটলো রায়ানের মা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta)। শিরিন পারুলকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার জন্য হোস্টেলের পেছনের গেটে একটি শক্তিশালী বোমা ফিট করে রেখেছিল। কিন্তু পারুল সেখানে পৌঁছামাত্রই তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধিতে বুঝতে পারে যে, গেটটি নাড়া দিলেই বড় কোনো বিপদ ঘটতে পারে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সে পাঁচিল টপকে ভেতরে ঢোকে। ভেতরে ঢুকে সে যখন অনিরুদ্ধ স্যারকে খুঁজছিল, তখন দেখতে পায় রায়ান নিজের ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে স্যারকে শাসন করছে।

অত্যন্ত সাবধানতার সাথে পারুল সুযোগ বুঝে অনিরুদ্ধকে মুক্ত করে এবং সেখান থেকে বের করে আনে। পালিয়ে আসার সময় পাঁচিলের কাছে পৌঁছালে পারুল যখন অনিরুদ্ধকে সময় দেখতে বলে, তখন দেখা যায় অনিরুদ্ধর হাতের ঘড়ির কাঁটা অদ্ভুতভাবে ঘুরছে। পারুল বুঝতে পারে, আশেপাশে শক্তিশালী কোনো ম্যাগনেটিক বোমা না থাকলে এমনটা হওয়া অসম্ভব।

Parineeta, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Ishani Chatterjee, Uday Pratap Singh, Parineeta New Episode, Parineeta Today's Episode 5 February, Today's Episode, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, পরিণীতা আজকের পর্ব, ঈশানি চ্যাটার্জী, উদয় প্রতাপ সিং, পরিণীতা ৫ ফেব্রুয়ারি আজকের পর্ব

অনিরুদ্ধকে নিরাপদ স্থানে পাঠিয়ে পারুল পুনরায় হোস্টেলে ফিরে যায় এবং সেখানে গিয়ে লেটার বক্সে ফিট করা বোমাটি দেখতে পায়। ঠিক সেই সময় রায়ানের এক বন্ধু পারুলকে দেখে ফেলে এবং রায়ানকে ডেকে আনে। প্রথমে রায়ান পারুলকে ভুল বুঝলেও, বোমার ভয়াবহতার কথা শুনে সে পারুলকে হারানোর ভয়ে শিউরে ওঠে।

কিন্তু পারুল বিচলিত না হয়ে নিজের উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে অত্যন্ত ধৈর্য ও সাহসের সাথে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে। দূরে দাঁড়িয়ে থাকা শিরিনের সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। শিরিন বিস্ফোরণের অপেক্ষায় থাকলেও সবার ভাগ্যের জোরে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। পারুল আবারো জিতে যায়।

আরও পড়ুনঃ ‘অপারেশনের পর আমার কন্ঠ থেমে যেতে পারে…’ চিকিৎসকের কথায় শিউরে উঠেছিলেন তিনি! জানালেন জীবনের কঠিন দিনগুলির কথা! কি হয়েছিল তাঁর? কিভাবে লড়াই করেছিলেন রিনি বিশ্বাস?

পারুল রায়ানকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, সে রায়ানের ধরাছোঁয়ার বাইরে এবং তার বুদ্ধির কাছে রায়ান পরাজিত। রায়ান যখন অনিরুদ্ধর ঘরে গিয়ে তাকে খুঁজে পায় না, তখন তার জেদ আর দম্ভ ধুলোয় মিশে যায়। সে দ্রুত বাড়িতে ফেরে, যেখানে দাদু তাকে পারুলের প্রতি তার অনুভূতির কথা সরাসরি স্বীকার করতে বাধ্য করেন। কিন্তু গল্পের মোড় অন্যদিকে ঘোরে যখন রায়ানের মা মনে মনে প্রতিহিংসার আগুন জ্বালিয়ে রাখেন। তিনি প্রতিজ্ঞা করেন যে এই বিয়ে তিনি কোনোভাবেই হতে দেবেন না।

Back to top button