আসল মায়ের পরিচয় জানতে পারল পারুল! মায়ের খোঁজ করতে গিয়ে ম’রণ ফাঁ’দে পা দিলো সে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে টানটান উত্তেজনা পর্ব হচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক প্রতি সপ্তাহে দর্শকদের জন্য নিয়ে আসে নতুন নতুন চমক। ধারাবাহিকের টানটান উত্তেজনা পর্বগুলি তাই একটিও মিস করতে চান না দর্শক। তাইতো টিআরপি তালিকায় সব সময় ভালো ফলাফল করে নিজেদের জায়গায় তৈরি করে নেয় পরিণীতা।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রায়ানের মা যখন পারুলকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চায় তখন রায়ান এসে বাধা দেয় মাকে। রায়ান জানায় যতদিন তাদের পড়াশোনা চলছে ততদিন কেউ কিছুতেই পারুলকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে পারে না। কারণ জন্ম কখনো একটা মানুষের পরিচয় হয় না। পারুল গ্রাম থেকে উঠে এসে কলকাতা শহরের একা লড়াই করছে, পড়াশোনা করছে, মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে এটাই তার পরিচয়। এদিকে তো পারুল খুবই ভেঙে পড়েছে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার মত অবস্থায় সে নেই। কিন্তু রায়ান তাকে মনের জোর দিতে থাকে। আজ যদি পারুল পরীক্ষা দিতে না যায় তাহলে সে হেরে যাবে আর বাকিরা জিতে যাবে। সকলে মিলেই পারুলকে বোঝাতে থাকে।

সকলের কথায় মনে পারুল অবশেষে মনের জোর নিয়ে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে। কিন্তু যাওয়ার পথে অনেক বাধার মুখে পড়তে হয় পারুলকে। ওইদিকে রায়ান মল্লার পরীক্ষা দিতে গেলেও পারুলকে না দেখে শিরিন মনে মনে ভাবে হয়তো পারুল এই পরীক্ষা দিতে আসতে পারবে না। রায়ানের মা ভালই জব্দ করেছে পারুলকে। মনে মনে বেশ খুশি হয় শিরিন। তবে তার এই সুখ বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না, তার কিছুক্ষণ পরেই পারুল এসে উপস্থিত হলো। পারুলকে দেখে তো সকলেই অবাক হয়ে যায়। রায়ান বেশ খুশি হয় পারুলকে দেখে। তারপর পারুল পরীক্ষা দিতে বসে। কিন্তু কোন ভাবেই মনোযোগ দিতে পারেনা। পরীক্ষা দিতে গিয়ে টগর আর গুরুদেবের ওই কথাগুলো বারবার মনে পড়তে থাকে। শিরিন বুঝতে পারে রায়ানের মা এমন কিছু করেছে যার জন্য পারুল মন দিয়ে পরীক্ষা দিতে পারছে না।

তারপর যথা সময়ে পরীক্ষা শেষ হয়। কিন্তু পারুল একেবারেই ভালো পরীক্ষা দেয়নি। বারবার তারা সেই ঘটনাগুলোর কথা মনে পড়ছে। তারপর সবাই এক এক করে পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে গেলেও পারুল মাথা নিচু করে বসে থাকে। রায়ান তাকে এসে সান্তনা দেয়। পারুল যে পরীক্ষা দিতে এসেছে এটাই অনেক। দরজার আড়াল থেকে পারুল এবং রায়ানের সমস্ত কথা শুনতে থাকে শিরিন। রায়ান পারুলকে জানায় পারুল নিজের পরিচয় নিজেই গড়ে নেবে। কিন্তু পারুল ভাবতে থাকে তার জন্ম পরিচয় কি, সে কোথা থেকে এসেছে, তার নিজের বলতে কি কেউ নেই? আর পারুলের মুখে এই কথাটা শুনেই ভয় পেয়ে যায় শিরিন।

আরও পড়ুনঃ ‘আমরা পুরনো হয়ে গেছি, সব জায়গায় মানিয়ে উঠতে না…’- নতুন প্রজন্মের উপর অভিমান? অভিনয় জগত থেকে দূরে বর্তমানে কি করছেন শাশ্বতী গুহঠাকুরতা?

শিরিন তারপর রায়ানের মাকে ফোন করে কি হয়েছে জানতে চায়। রায়ানের মা জানায় কি কি হয়েছে পারুলের সাথে। শিরিন সব শুনে তো মনে ভয় শুরু হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে শিরিন নিজের মাকে ফোন করে সবটা জানায়, আর পারুল যে এবারে নিজের আসল মা বাবাকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়বে সেটা ভালো মতন জানে শিরিন। তাই পারুলকে আটকাতেই হবে। ওদিকে শিরিনের মা বলে তিনি খোঁজ নিয়েছেন কিন্তু পারুলের মায়ের কোনো খোঁজ পায়নি। এদিকে পারুলের মা-বাবা জানায় কিভাবে তারা পারুলকে পেয়েছিল। পারুল যে অবিকল তার মায়ের মত দেখতে সেটাও জানায় বাসুদেব।

Back to top button