পিসিমণির বিয়ে ভাঙার ষ’ড়যন্ত্রে চরম ব্যর্থ শত্রুপক্ষ! শিরিনের কুকীর্তি ফাঁ’স করল বুদ্ধিমতী পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জমজমাট জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta)। পরিবারের সকলের মিলিত প্রচেষ্টায় পিসিমণির বিয়ের আয়োজন বেশ ধুমধাম করেই শুরু হয়। দীর্ঘদিনের একাকীত্ব কাটিয়ে পিসিমণি যখন নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছেন, তখনই পারুল, রুক্মিণী ও বাড়ির অন্যরা মিলে তাঁকে নিয়ে কেনাকাটা করতে শাড়ির দোকানে যান। কিন্তু আনন্দের সেই মুহূর্তে হঠাৎই ছন্দপতন ঘটে। শাড়ির দোকানে এক অপরিচিত পরিবার পিসিমণির পছন্দ করা শাড়িটি এক প্রকার জোর করেই হাত থেকে কেড়ে নেয়।
পিসিমণির বিয়ের কথা জানতে পেরে তারা অত্যন্ত নিম্ন মানসিকতার পরিচয় দিয়ে তাঁকে কুরুচিকর ভাষায় অপমান করতে শুরু করে। “এই বয়সে বিয়ে করলে সমাজে মুখ দেখাবে কী করে” এমন সব বিদ্রূপ শুনে পিসিমণি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পারুল শান্তভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও পিসিমণি অপমান সহ্য করতে না পেরে দোকান থেকে বেরিয়ে যান।

এরপর তাঁরা গয়নার দোকানে গেলে সেখানেও সেই একই পরিবারের তিনজন সদস্য উপস্থিত হয়ে পুনরায় পিসিমণিকে লক্ষ্য করে কটূক্তি করতে থাকে। পিসিমণির প্রতি এই ক্রমাগত লাঞ্ছনা দেখে পারুল আর নিজের রাগ সংবরণ করতে পারেনি। সে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং মেয়েটিকে উচিত শিক্ষা দেয়। তবে এই ঘটনায় পিসিমণি এতটাই মর্মাহত হন যে, তিনি বাড়ি ফিরে স্পষ্ট জানিয়ে দেন এই বয়সে এসে তিনি আর বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারবেন না। বাড়ির সবার শত অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি অনিরুদ্ধকে ফোন করে বিয়েতে সরাসরি না বলে দেন।
কিন্তু পারুলের তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও অভিজ্ঞতায় এটি কোনো সাধারণ কাকতালীয় ঘটনা বলে মনে হয়নি। সে বুঝতে পারে এর পেছনে কোনো গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। দেরি না করে পারুল দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে এবং পুলিশের সহায়তায় ওই পরিবারের পরিচয় ও ঠিকানা খুঁজে বের করে। সরাসরি তাদের বাড়িতে হানা দিয়ে পারুল যখন লোকটিকে চেপে ধরে, তখন বেরিয়ে আসে আসল সত্য। জানা যায়, এই পুরো নাটকটি ছিল শিরিনের সাজানো এক কারসাজি। শিরিনই লোকগুলোকে টাকা দিয়ে পিসিমণিকে জনসমক্ষে অপমান করার জন্য পাঠিয়েছিল, যাতে পিসিমণি নিজেই বিয়ে ভেঙে দেন।
আরও পড়ুনঃ অভিনয় ছেড়ে এবারে জ্যোতিষচর্চা? হঠাৎ করেই নিজের পেশা বদলে ফেললেন অভিনেত্রী বুলবুলি চৌবে পাঞ্জা?
পরের দিন পারুল শিরিনকে হাতেনাতে ধরে পিসিমণির সামনে হাজির করে। শিরিনের সব কুকীর্তি ফাঁস করে দিয়ে পারুল প্রমাণ করে দেয় যে, পিসিমণির কোনো দোষ ছিল না তিনি কেবল এক কুটিল ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন। পারুলের এই সাহসিকতা ও বুদ্ধিমত্তার ফলেই শেষ পর্যন্ত সত্যের জয় হয়। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

