বসু বাড়িতে দুর্গাপুজো করার প্রস্তাব দিল পারুল! পারুলের আবদার শুনে বিরাট পদক্ষেপ নিলেন দাদু!

প্রতিদিনই একটু একটু করে নিজের জায়গাটা দর্শকের কাছে আরো উঁচুতে নিয়ে যাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিক। রাত আটটা বাজলেই টেলিভিশনের পর্দার (Bengali Television) সামনে দর্শক বসে পড়েন এই ধারাবাহিক (Bengali Serial) দেখার জন্য। ধারাবাহিকের একটি এপিসোডও চট করে মিস করতে চান না কেউ। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ফাইনাল রাউন্ডে শাশুড়িকে হারিয়ে বাজিমাত করলো পারুল। বিজয়ীর মুকুট উঠলো পারুলের মাথায়। রায়ান পারুলের এই সাফল্যে ভীষণ খুশি। এদিকে রায়ান এবং পারুল স্টেজ থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে তাদের বন্ধুরা একেবারে ঘিরে ধরে পারুল রায়ান কেন আগে তাদের কিছু জানায়নি। রায়ান জানায় তাদের জানানোর সুযোগ হয়নি। তবে মাস্টার্সের আগে তাদের বিয়ে হয়ে যায়। তবে তাদের বিয়ে হলেও দুজনের একজনও এই বিয়েকে স্বীকৃতি দেয় না। রায়ান শুধুমাত্র পারুলের পাশে থাকবে সবসময় একজন প্রতিযোগী হিসেবে।

রায়ানের এই কথা শুনে পারুল একেবারে ভেঙে পড়ে। মনে মনে ভাবে কোনদিনই কি রায়ান তাকে প্রতিযোগীর থেকে আলাদা কিছু ভাববে না। কোনদিনই কি রায়ান তাকে ভালবাসতে পারবেনা। পারুল তো রায়ানকে অসম্ভব ভালোবেসে ফেলেছে। কিন্তু রায়ান এখনো তাকে মানতে পারেনি। কবে রায়ান স্ত্রী এর স্বীকৃতি দেবে সেই আশাতেই রয়েছে পারুল। এদিকে পরের দিন রায়ান পারুলকে এক জায়গায় নিয়ে যায় জোর করে। পারুল প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে চায় না। তারপর রায়ান পারুলকে নিয়ে গিয়ে হাজির হয় শহরের মাঝ রাস্তায় একটি বড় হোডিং এর সামনে। যেখানে পারুলের ছবি জ্বলজ্বল করছে। আজকের দশভূজা কম্পিটিশনে পারুলের একটি ছবি বড় করে হোডিং এ টানানো হয়েছে।
পারুলের জীবনে যে কোনদিন এত সুন্দর দিনটা আসবে সেটা পারুল কল্পনাও করতে পারেনি। এ এত খুশি হয় যে তার চোখে জল চলে আসে। আর এসব কিছুই সম্ভব হচ্ছে রায়ানের জন্য। রায়ান যদি শেষ মুহূর্তে এসে পারুলের পাশে না দাঁড়াতো আর পারুল কনফিডেন্সটা পেত না। পারুলের আর এক লক্ষ টাকা জেতাও হতো না, আর মাকে খুঁজতে যাবার সাহসও পেত না। এরপর বাড়িতে সকলে পারুলকে নিয়ে মেতে ওঠে। পারুল এত বড় একটা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হয়েছে তার জন্য বাড়ির সকলেই খুশি। সকলেই পারুলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। পাড়া-প্রতিবেশীও পারুলের প্রশংসা করছে।
আরও পড়ুনঃ কমলিনীর প্রস্তাবে রাজি হলো নতুন! পার্বতীর মুখোমুখি হলো সে, জমজমাট আজকের পর্ব!
এদিকে হঠাৎ করেই খেতে বসে সকলের মাঝে হাঁটে হাঁড়ি ভেঙে দেয় মল্লারের মা। নিজের দিদির ভালো সে কখনো সহ্য করতে পারে না। তাই সকলের সামনে সত্যি ফাঁস করে দেয়। রায়ানের মা যে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল সেটা বলে দেয় সকলের সামনে। আড়াল থেকে তিনি রায়ান আর তার মাকে আলোচনা করতে শুনে ফেলেছিল। দাদু তো এসব শুনে অবাক হয়ে যায়। তারপরে তিনি জানান ক্ষেপে একেবারে লাল হয়ে যায়। বাড়ির বউ বাইরে গিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে সেটা তিনি কিছুতেই মানতে পারেন না। রায়ানের মাকে সকলের সামনে আবারো হেনস্থা হতে হয়। এদিকে পারুল দাদুকে গিয়ে বসু বাড়িতে দুর্গাপুজো করার আবদার করে। দেখা যাক দাদু অনুমতি দেন কিনা।

