বসু পরিবারের ওপর ঘনিয়ে এল কালো মেঘ! পারুলকে শেষ করতে লুকাস-শিরিন-সংযুক্তার গোপন প্ল্যান! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পারুল ও রায়ানের নতুন কোম্পানি আর থিয়েটার দলের উদ্বোধনের দিনটি ছিল উৎসবের মতো। নাচ-গান আর আনন্দে গোটা পরিবার মেতে উঠেছিল। পারুলের সাথে যারা পুরনো চাকরি ছেড়ে এসেছিলেন, সেই সহকর্মী আর গ্রামের সাধারণ মানুষ—সবাই মিলে অনুষ্ঠানটিকে এক বিশাল উৎসবে পরিণত করেন। পারুলের চোখে তখন নতুন এক স্বপ্নের ঝিলিক। কিন্তু এই আনন্দের মাঝেই টগর গোপনে পারুলদের সব খবর পাচার করছিল শিরিনকে। নিজের হার মেনে নিতে না পেরে শিরিন এক হ্যাকার ভাড়া করে এবং ঠিক যে মুহূর্তে পারুলের কোম্পানির ওয়েবসাইটটি চালু হওয়ার কথা, তখনই সেটি হ্যাক করে অকেজো করে দেয়।

ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়ার খবর পেয়ে পারুল রাগে ফেটে পড়ে এবং শিরিনকে শিক্ষা দিতে সোজা তার বাড়িতে হানা দেয়। শিরিন খুব চালাকি করে নিজের ফোনটা বাড়িতেই রেখে গিয়েছিল যাতে পারুল মনে করে সে ঘরেই আছে, কিন্তু বাড়ির কোথাও তাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। আসলে শিরিন ভিখারির ছদ্মবেশ নিয়ে রাস্তার ধারে বসে ছিল। প্রথমে পারুল বা রায়ান কেউ তাকে চিনতে পারেনি। কিন্তু শিরিন বেশিক্ষণ নোংরা কম্বলের গন্ধ সহ্য করতে না পেরে গায়ে পারফিউম দিচ্ছিল। সেই চেনা সুগন্ধ নাকে আসতেই পারুল তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এরপর ভয় দেখিয়ে শিরিনকে দিয়েই হ্যাকারকে ফোন করানো হয় এবং ওয়েবসাইটটি আবার ঠিক করা হয়।

Parineeta, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Ishani Chatterjee, Uday Pratap Singh, Parineeta New Episode, Parineeta Today's Episode 28 March, Today's Episode, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, পরিণীতা আজকের পর্ব, ঈশানি চ্যাটার্জী, উদয় প্রতাপ সিং, পরিণীতা ২৮ মার্চ আজকের পর্ব

সবকিছু ঠিকঠাক হওয়ার পর পারুল যখন আবার কাজে মন দিচ্ছে, তখনই এক নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়। পুলিশের ছদ্মবেশ ধরে লুকাস থানায় গিয়ে সংযুক্তার সঙ্গে দেখা করে। সে সংযুক্তাকে জানায় যে, আজ সন্ধ্যায় সে থানায় আগুন লাগিয়ে তাকে ওখান থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাবে। মুক্তির কথা শুনে সংযুক্তা খুশিতে পাগল হয়ে যায়। সে প্রতিহিংসায় ফেটে পড়ে বলতে থাকে যে, সে আবার ফিরে আসবে পারুলের সব সুখ আর সাফল্য তছনছ করে দিতে। পারুলের সাজানো সংসার ধ্বংস করাই এখন তার একমাত্র জেদ।

এরই মধ্যে অনিরুদ্ধ স্যার এসে পারুল আর রায়ানকে এক ভয়ানক খবর দেন। তিনি জানান যে, সংশোধনাগারের রান্নাঘরে গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন লেগেছে এবং সেই আগুনে পামেলা ও সংযুক্তাসহ অনেক কয়েদি মারা গেছে। এই খবর শুনে পারুল আর রায়ান দুজনেই খুব চমকে যায়। সংযুক্তার মৃত্যুর খবর শুনে রায়ান দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে, “হয়তো এটাই ওর কপালে লেখা ছিল।” তারা মনে করে যে তাদের জীবনের সব বড় বিপদ বোধহয় এবার শেষ হয়ে গেল।

আরও পড়ুনঃ মেয়ের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত দেবোত্তম! এই অল্প বয়সেই অসাধ্য সাধন করল অভিনেতার ছোট্ট কন্যা! গ্র্যাজুয়েশন ডে-তে গর্বিত বাবা!

কিন্তু গল্পের আসল মোড় আসে একেবারে শেষে। দেখা যায়, লুকাস, পামেলা, শিরিন আর সংযুক্তা আসলে বেঁচে আছে এবং তারা এক গোপন বৈঠকে বসেছে। আগুনের সেই খবরটা ছিল আসলে সবাইকে ধোঁকা দিয়ে পালিয়ে আসার একটা পরিকল্পনা। লুকাস বলে যে, এবার এখান থেকেই তাদের পরবর্তী চাল শুরু হবে। সংযুক্তা ক্রূর হাসি হেসে জানিয়ে দেয়, তাদের এখন একটাই লক্ষ্য পারুল চক্রবর্তীর পাশাপাশি গোটা বসু পরিবারকে একেবারে শেষ করে দেওয়া। এক নতুন বিপদের ছায়া ঘনিয়ে আসে পারুলদের জীবনে।

Back to top button