সম্পর্কের টানাপোড়েনে নতুন মোড়! রায়ান কি পারবে পারুলকে ভালোবাসার কথা জানাতে? শেষমেশ কী পরিণতি হবে দুই হৃদয়ের?

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রুকু ও ঋত্বিকের বরণের শুভক্ষণে এক হাস্যরসের সৃষ্টি হয়। নতুন পরিবেশে এসে ঋত্বিক অভ্যাসবশত তার শ্বশুরমশাইকে ‘পরিতোষ দা’ বলে সম্বোধন করে ফেলে, যা শুনে উপস্থিত সবাই হাসিতে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং বড়দের কথায় শেষ পর্যন্ত সে তাকে ‘বাবা’ বলেই ডাকতে শুরু করে। এই ছোট ভুলের মধ্য দিয়ে পরিবারে এক আনন্দের স্রোত বয়ে যায়, যা রুকু ও ঋত্বিকের নতুন পথচলাকে আরও সহজ করে তোলে।

তবে এই হাসিখুশি পরিবেশের আড়ালে এক কালো মেঘের ছায়া ঘনীভূত হচ্ছে। চন্দ্রাবতী সান্যাল কি এত সহজে পরাজয় মেনে নেবেন? রুকু আর ঋত্বিকের এই মিলন তিনি হয়তো মোটেই ভালো চোখে দেখছেন না। পর্দার আড়ালে থেকে তিনি কি নতুন কোনো ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন? আনন্দের এই আবহেও একটি সূক্ষ্ম ভয় ক্রমাগত তাড়া করে বেড়াচ্ছে চন্দ্রাবতী হয়তো তলে তলে রুকু-ঋত্বিকের বড় কোনো ক্ষতির ছক কষছেন।

Parineeta, New promo, Zee Bangla, Bengali Television, Bengali Serial, পরিণীতা, নতুন প্রোমো, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল

 

ওদিকে রায়ান ও পারুলের ভালোবাসার এক জটিল টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। রায়ান তার ‘ড্রিম প্রজেক্ট’ সফল করে পারুলকে মনের কথা জানাবে বলে ঠিক করলেও, ভাগ্যের পরিহাসে ঘটে যায় এক বিপত্তি। নিজের ঘরে একা একা পারুলের কথা ভেবে নাচার মহড়া দিচ্ছিল রায়ান, যা দরজার আড়াল থেকে দেখে পারুল ভুল বোঝে। সে মনে করে রায়ান হয়তো অন্য কারো প্রেমে মগ্ন, আর এই অভিমানেই সে রায়ানের জীবন থেকে চিরতরে সরে যাওয়ার এক কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে।

পারুল যখন ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যেতে উদ্যত হয়, তখন তার পথ আটকে দাঁড়ায় রায়ান। ক্ষোভে ফেটে পড়ে পারুল সরাসরি জানিয়ে দেয় যে রায়ানের তাকে আটকানোর আর কোনো অধিকার নেই। কিন্তু রায়ান শান্ত থেকে তাকে শেষবারের মতো অনুরোধ জানায়। সে বলে, “কাল আমার শো আছে, সোলো পারফরমেন্স…আমাদের সম্পর্কটা ভেঙে যাওয়ার আগে অন্তত তুই সেটা দেখে যাস।” পারুল অনিচ্ছা সত্ত্বেও তার শেষ অনুরোধটি রাখতে রাজি হয়।

আরও পড়ুন: ‘আর মানিয়ে নিতে পারছি না…’ ‘ভালো কাজের পরিবেশ নেই!’ আক্ষেপ নিয়ে অভিনয় জগতকে চিরবিদায় জানালেন পর্দার চেনা মুখ সুদীপা বসু!

পারুল রাজি হয়ে চলে যাওয়ার পর রায়ানের মনে এক দৃঢ় প্রতিজ্ঞা জন্ম নেয়। সে মনে মনে ঠিক করে, কালকের শো-তে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করেই সে পারুলকে তার মনের না বলা কথাটি জানাবে। রায়ানের এই আত্মবিশ্বাস আর পারুলের অভিমান দুজনের মাঝে কালকের সেই পারফরমেন্সই কি সব মিটিয়ে দেবে? অবশেষে রায়ান কি পারবে তার স্বপ্নের মানুষের কাছে মনের লুকানো প্রেম প্রকাশ করতে?

Back to top button