অতি চালাকের গ’লায় দ’ড়ি! পারুলকে অপদস্ত করতে গিয়ে নিজেই অপদস্ত হলো শিরিন! সকলের সামনে পারুলকে স্ত্রীয়ের স্বীকৃতি দিল রায়ান! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বর্তমান সময়ে দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে একটি হল পরিণীতা (Parineeta)। জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত এই ধারাবাহিক দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে প্রথম দিন থেকেই। তাইতো টিআরপি তালিকাতেও (TRP List) প্রতি সপ্তাহে দারুন ফলাফল করে ধারাবাহিকটি। প্রতিদিন রাত আটটায় জি বাংলার পর্দায় এই ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হয়। রায়ান পারুলের জীবনের গল্প নিয়েই এগোচ্ছে ধারাবাহিকের পর্ব।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রায়ানের মা ভাবতেই পারছে না পারুল কিভাবে এত সহজে বিচারকদের মন জয় করে নিল। পারুলের বুদ্ধি দেখে দারুণ প্রশংসা করে রায়ান। এরপর ফাইনাল রাউন্ডে প্রথমেই উঠে যায় পারুল। কিন্তু রায়ানের মাও পিছিয়ে নেই। সেও পারুলের সাথে সাথে ফাইনাল রাউন্ডে পৌঁছে যায়। এরপর ফাইনাল রাউন্ডে মা দুর্গা রূপে সেজে বিচারকদের মন জয় করার পালা।
রায়ান তো চিন্তা করতে থাকে দুজনে কি করবে সেটা নিয়ে। এদিকে সাজগোজের পর্ব জোর কদমে শুরু হয়ে যায়। রায়ানের মা পারুল দুজনে দুজনকে টক করে দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে। এরপর শুরু হয় প্রতিযোগিতা। এক এক করে সকল প্রতিযোগীরা এসে নিজেদের মতো করে বিচারকের সামনে দাঁড়ায়। জানায় তারা কেন নিজেদের দশভূজা মনে করে। রায়ানের মা এসে বিচারকদের মন জয় করে নেয়।
এরপর পারুলের পালা। পারুল একেবারে অন্য সাজে ধরা দেয় সকলের সামনে। পারুলকে দেখে তো অবাক হয়ে যায় সকলে। শুধুমাত্র শহর নয় গ্রামের মেয়েরাও যে দশভূজা সেটা প্রমাণ করে দেয় পারুল। পারুলের মধ্যে যে দশভূজা লুকিয়ে আছে সেটাও প্রমাণ করে দেয়। বিচারক পারুলের কথা শুনে রীতিমত মুগ্ধ হয়ে যায়। রায়ান পারুলের কথা শুনে সকলের সামনে হাততালি দিয়ে ওঠে।
আরও পড়ুনঃ বিহানের বাড়িতে গিয়ে হাটে হাঁড়ি ভাঙলো কম্পাস! মোনালিসার মুখোশ টেনে ছিড়ে দিলো সে! সব সত্যি জানার পর কি করবে বিহান? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
ওদিকে ছেলের মুখে পারুলের প্রশংসা শুনে রায়ানের মায়ের একেবারে সহ্য হয় না। তিনি ভাবতেই পারছেন না পারুল ফাইনালে উঠে গেল। কিন্তু এতদূর এসে তিনি পারুলের কাছে কিছুতেই হারতে পারবেন না। তাই সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে ফোন করে সবটা জানায় শিরিনকে। শিরিন শুনে তো তার মাকে সঙ্গে সঙ্গে জানায় পারুলকে যেভাবেই হোক সকলের সামনে অপদস্ত করতেই হবে। শিরিনের মায়ের ওই কোলড্রিংস কোম্পানির সিইও-এর সাথে যোগাযোগ আছে তাই শিরিনের মা সঙ্গে সঙ্গে তাকে ফোন করে পারুলের জন্য ফাঁদ পেতে রাখে। এরপর ফাইনাল রাউন্ডে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে খেলবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখনই শিরিন দর্শকের আসন থেকে বলে ওঠে পারুল অবিবাহিত। কিন্তু সকলকে অবাক করে দিয়ে রায়ান পারুলের পাশে এসে দাঁড়ায় এবং তাকে স্ত্রী-এর স্বীকৃতি দেয়।

