পারুলের নতুন সংকল্প ‘ভিলেজ লাইফ’! সাফল্যের পথে কি কাঁটা ছড়াবে শিরিনের ষ’ড়যন্ত্র? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পারুলের সুপরামর্শে রায়ান তার জীবনের এক বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সে তার একঘেয়ে কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সংকল্প করে ঠিক করে যে, এখন থেকে সে তার দীর্ঘদিনের সুপ্ত প্যাশন অর্থাৎ থিয়েটার নিয়ে কাজ করবে। দাদুর কাছে গিয়ে রায়ান যখন নিজের এই ইচ্ছার কথা জানায়, তখন দাদুও নাতবউ পারুলের ওপর ভরসা রেখে সানন্দে রাজি হয়ে যান। এভাবেই পারুলের অকুতোভয় অনুপ্রেরণায় জন্ম নেয় ‘বসু থিয়েটার’, যা রায়ানের জীবনের এক নতুন অধ্যায় শুরু করে।
অন্যদিকে, অফিসের পরিবেশে তখন চরম উত্তেজনা। পারুল অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে অহংকারী শিরিনের দম্ভ চূর্ণ করে দেয়। পারুলকে অনুসরণ করে রায়ানও নিজের ইস্তফাপত্র পেশ করে। পরিস্থিতি আরও নাটকীয় মোড় নেয় যখন অনিরুদ্ধ স্যারও সিইও পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পারুল স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, এই গণ-পদত্যাগের ফলে তার নিজস্ব নতুন কোম্পানি খোলার পথ এখন আরও প্রশস্ত ও সহজ হয়ে গেল।

শিরিন যখন অপমানে ও রাগে কার্যত বাকরুদ্ধ, ঠিক তখনই অফিসের অন্যান্য কর্মীরাও একে একে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দিতে শুরু করেন। পারুল সেই সমস্ত ইস্তফাপত্র একত্রিত করে শিরিনের মুখের ওপর ছুঁড়ে মারে। নিজের ক্ষমতার দম্ভ এভাবে ধুলোয় মিশে যেতে দেখে শিরিন রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে বড় বড় চোখে তাকিয়ে থাকে। পারুলের এই রুদ্রমূর্তি শিরিনের দীর্ঘদিনের অন্যায় শাসনের এক মোক্ষম জবাব হয়ে দাঁড়ায়।
তবে লড়াইটা বাড়ির ভেতরেও সহজ ছিল না। সবাই যখন একসঙ্গে চাকরি ছাড়ার কথা শোনে, রায়ানের মা স্বভাবসুলভভাবে পারুলকে দোষারোপ করতে শুরু করেন এবং কটু কথা শোনান। কিন্তু পারুল তার লক্ষ্যে অবিচল। সে স্থির করেছে যে নিজের ব্যবসা সে গড়ে তুলবেই। পরিবারের অসহযোগিতা বা কোনো বাধাই তাকে তার সংকল্প থেকে বিচ্যুত করতে পারে না।
আরও পড়ুনঃ ‘মানুষ তো নাকি?…সায়ক আমার বয়ফ্রেন্ড?’ বিতর্কের মাঝেই সমাজ মাধ্যমে ক্ষোভ নবনীতার! নেটিজেনদের কড়া জবাব অভিনেত্রীর!
ঠিক এই প্রতিকূল সময়ে পারুলদের গ্রাম থেকে বসু বাড়ির জন্য প্রচুর তাজা শাকসবজি ও মাছ আসে। এই সাধারণ ঘটনার মধ্যেই পারুল তার নতুন ব্যবসার এক অসাধারণ বুদ্ধি খুঁজে পায়। গ্রাম বাংলার টাটকা খাদ্যদ্রব্য নিয়ে নতুন কিছু করার পরিকল্পনা তার মাথায় খেলে যায়। এখন দেখার বিষয়, পারুলের এই নতুন ব্যবসায়িক বুদ্ধি তাকে কতটা সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে যায়। এদিকে শিরিন যখন জানতে পারে পারুল নিজের কোম্পানি খুলছে তখনই সে ঠিক করে নেয় আবার কিভাবে পারুলকে হারানো যায়। পারুলের নতুন কোম্পানি ভিলেজ লাইফ সে কিছুতেই সফল হতে দেবে না বলে ঠিক করে নেয়।

