বোনের বিয়ের বাইক কিনতে গিয়ে আবারো সমস্যায় জড়িয়ে পড়লো পারুল! রায়ানের থেকে সাহায্য চাওয়ায় কপালে জুটলো অপমান!

যারা প্রতিদিন বিকালে বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলি (Bengali Serial) দেখেন তাদের কাছে পছন্দের একটি মেগা ধারাবাহিক হল পরিণীতা (Parineeta)। ধারাবাহিকটি শুরুর সময় থেকে কটাক্ষের সম্মুখীন হলেও বর্তমানে এই ধারাবাহিকটি দর্শকের খুব পছন্দের একটি ধারাবাহিক। তাইতো সাপ্তাহিক টিআরপি তালিকায় তার ফলাফল প্রমাণ পাওয়া যায়।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বাবেল কোম্পানির মালিক বুঝতে পেরেছিল জিপসি কোম্পানি বাজারে এলে তাদের কোম্পানি আর টিকবে না। তাই জন্যই জিপসি কোম্পানিকে সরিয়ে দিতে এই দুজন লোককে কাজে লাগিয়েছে। যখন বাবেল কোম্পানির লোক জানতে পারে দুজন কোম্পানির লোক সার্ভে করছে তখন পারুল এবং মল্লারকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এদিকে রাতে বাড়ি ফেরার পথে গুন্ডাদের মুখোমুখি হয় পারুল এবং মল্লার। কিন্তু সেখানে রায়ান ঠিক সময়ে তাদের বাঁচিয়ে নেয়।

তারপর পারুল রায়ানকে সব ঘটনা খুলে জানায়। তারপর রায়ানও পারুল মল্লারকে বলে তাদের সাহায্য করবে। কারণ শিরিন তো কোন কাজের না। শিরিন সার্ভার করতে বেরিয়ে সারাক্ষণ গাড়ির ভেতরে আরাম বিলাসিতা করে কাটিয়েছে। রায়ান ঘুরে ঘুরে সমস্ত কাজ করেছে। তাই এবারে পারুল এবং মল্লারকে সাহায্য করবে রায়ান। এদিকে রায়ানের মা পারুলকে ফোন করে জানায় বাড়িতে তাড়াতাড়ি আসতে। বাড়ির সমস্ত কাজকর্ম করতে হবে পারুলকে। আর বাড়িতে ঢোকার সাথে সাথে বলে জামাকাপড় কেঁচে দিতে। এদিকে এসব দেখে রায়ান প্রতিবাদ করে, কিন্তু রায়ানকে চুপ করে দেয় তার মা । এরপর জামাকাপড় কাঁচতে বসে পারুল। তখনই রায়ানের মা সার্ফের প্যাকেট থেকে কুপন জেতে, আর এই কুপনের কথা শুনেই পারুলের মাথায় একটা দারুণ আইডিয়া আসে। তারপর রায়ান মল্লারকে পারুল জানায় কুপনের লোভ দেখিয়ে তাদের কোল্ড্রিংসের রহস্য ভেদ করবে।
পরের দিন পারুল, রায়ান এবং মল্লার মিলে বেরিয়ে পরে কোল্ড ড্রিংকস কোম্পানির সমস্যার সমাধান করতে। অটোতে করে রায়ান পারুল ওই ক্লাবের এলাকায় প্রচার করতে থাকে জিপসি কোম্পানির কোলড্রিংসের গায়ে যে কোড লেখা রয়েছে সেই কোড যে বোতলে লেখা থাকবে তারা পাবে পাঁচ লক্ষ টাকা। আরি ৫ লক্ষ টাকার টোপ গিলে ফেলে ওই ক্লাবের দুই মাথা। আসলে আগের দিন ক্লাবে যে মহিলা গিয়ে ঝামেলা করছিল ওই দুজনের সাথে তাকে কাজে লাগায় পারুল রায়ান। তাদেরকে শাস্তি দিতে ঐ মহিলাও পারুল রায়ানের প্ল্যানে সামিল হয়।
আরও পড়ুনঃ ফুলকিকে অপমান করার শাস্তি পেল শত্রুপক্ষ! রুদ্র ঈশিতাকে ফাঁসি’র আদেশ দিল ফুলকি!
তারপর ঠিক পারুলদের টপ গিলে সেই বোতল তারা যেখানে লুকিয়ে রেখেছিল সেখান থেকে উদ্ধার করতে যায়। সঙ্গে সঙ্গে পারুল রায়ান পুলিশ নিয়ে সেখানে পৌঁছে যায়। তারপর পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে তারা কোম্পানির লস এর আসল সত্যতা খুঁজে বের করে। পরদিন কলেজে তো সকলেই পারুল এবং মল্লারের প্রশংসা করতে থাকে। কিন্তু পারুল জানা তাদের এই কাজে রায়ানো সমানভাবে সাহায্য করেছে সে থাকলে হয়তো কোন ভাবে এটা সম্ভব হতো না। তারপর সবাইকে এক লক্ষ টাকা করে পুরস্কার হাতে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু পারুলের তো এক লক্ষ টাকায় কিছুই হবে না। বাকি টাকা কি করে জোগাড় করবে সেটাই ভাবতে থাকে। তারপর মল্লার এবং রায়ান দুজনে মিলে পারুলকে তাদের ভাগের টাকাটাও দিয়ে দেয়। পারল প্রথমে কিছুতেই নিতে রাজি হয় না কিন্তু তারা দুজনই জোর করে। এদিকে বাইক কিনতে যাবার আগে আবারো রায়ান পারুলের মধ্যে ঝামেলা হয়ে যায় দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে কি হয়।

