ফুলকিকে অপমান করার শাস্তি পেল শত্রুপক্ষ! রুদ্র ঈশিতাকে ফাঁসি’র আদেশ দিল ফুলকি!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক দর্শকদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। টিআরপি তালিকাতেও এই ধারাবাহিকে সবসময় প্রথম পাঁচে দেখা যায়। ধারাবাহিকটিতে প্রতিদিনই টানটান উত্তেজনা পর্ব দেখানো হয়। বর্তমানে প্রতিটি এপিসোডেই বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে ঈশিতা এসেই তো নিজের শয়তানি শুরু করে আর ফুলকিদের সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে। ফুলকির মাথায় কিছুতেই ঢুকছে না, কিভাবে ঈশিতা রাজমহলে এলো। তারপর যখন ফুলকি, ইন্দ্ররা সকলে রাতের খাবার খেতে বসে ঠিক তখনই ঈশিতা আর অভিরূপের মধ্যে সন্দেহজনক দৃশ্যে লক্ষ্য করে। সেখানে ফুলকি কিছু বলে না তারপরে যখন অভিরূপ ঈশিতা এবং ইন্দ্র ঘরে চলে যায় তখন ফুলকি একমাত্র পিয়ালকে বলে। রোহিত এবং তমালও তখন সেখানে ছিল না। তমালকে বলে ফুলকি ঈশিতাকে শায়েস্তা করার একটা বুদ্ধি বার করে।

তারপরে পিয়ালকে নিয়ে চুপি চুপি ফুলকি ঈশিতা যে ঘরে থাকবে সেই ঘরে যায় এবং সাথে করে নিয়ে যায় বিচুটি পাতা। সেই দিয়ে এবার ফুলকি জব্দ করবে ঈশিতাকে। পিয়াল প্রথম দিকে একটুখানি ঘাবড়ে গিয়েছিল কারণ যদি কেউ জানতে পেরে যায় তাহলে ফুলকির বদনাম হবে। সামনে ফুলকি ভোটে দাঁড়াবে আর এখনই এইসব জানাজানি হলে একটা বাজে প্রতিচ্ছবি পড়বে। তখন ফুলকি পিয়ালকে বলে সে টেবিলের তলায় কি দেখেছে। এরপর ফুলকি এবং পিয়াল মিলে তাড়াতাড়ি করে ওই বিচুটি পাতা সারা বিছানায় ছড়িয়ে দেয়।
ওদিকে ফুলকিকে দেখতে না পেয়ে রোহিত ফুলকির খোঁজ করছিল। কিন্তু ফুলকি যে এইসব করছে সেটা রোহিত জানে না। ফুলকি রোহিতকে না জানিয়ে এসবটা করতে চায়। তার থেকে সবচেয়ে আড়াল করতে চায়। কিন্তু রোহিতের প্রশ্নে জেরবার হয়ে ফুলকি বেশিক্ষণ আড়াল করতে পারে না সত্যিটা। রোহিত বুঝতেই পেরেছে ফুলকি কোনো পাকামো করেছে। তারপরে পিয়ালকে মুখ থেকে সত্যি কথা বার করে রোহিত। ফুলকি এমন কাণ্ড করেছে সেটা একেবারেই অবিশ্বাস্য কিছু না। কিন্তু ফুলকিকে তো হাজার বার বারণ করলেও কোন কথা শুনবে না। ওদিকে ফুলকির ঈশিতাকে নিয়ে চিন্তা বেড়েই চলেছে।
আরও পড়ুনঃ ‘পরিচালকদের অফার অনেকেই গ্রহণ করে, তাই কাজে সুযোগ পায়…’ ‘পিঙ্কি ওশকে কাঞ্চনের থেকে দূরে করে দিয়েছে!’ অকপটে অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ!
আর ঈশিতাকে সন্দেহ করে ফুলকি তার ঘরের দিকে যেতে থাকে, যদি কিছু সন্দেহজনক মনে হয় তার। তাই ফুলকি একটু একটু করে এসে তার ঘরের দিকে এগোয়। ওদিকে ঘরের দরজা বন্ধ করে ঈশিতা রুদ্রর সাথে পরামর্শ করছে কিভাবে আবার ফুলকিকে রাস্তা থেকে সরানো যায়, কিভাবে ফুলকির সর্বনাশ করা যায়। এদিকে ফুলকি তো জানেও না এই অভিরূপ আসলে রুদ্র, আর ঈশিতা তার কথাতেই এসেছে। ফুলকি এসে জোরে জোরে দরজা দিয়ে ধাক্কাতে থাকে। তখনই ঘাবড়ে গিয়ে রুদ্র লুকিয়ে পড়ে পর্দার আড়ালে। ফুলকি ঘরে ঢুকে চারিদিক ভালো করে তল্লাশি নিতে থাকে। কিন্তু কিছু না পেয়ে অবশেষে ঈশিতাকে সাবধান করে চলে যায়। তারপরে বিপদ হবে বুঝতে পেরে রুদ্র চলে যায় ঘর থেকে। আর যেই না ঈশিতা বিছানায় শুয়েছে অমনি বিচুটি পাতার জন্য তার সারা গা হাত পা চুলকোতে থাকে। ফুলকিকে যা নয় তাই বলে অপমান করে ঈশিতা। আর ফুলকি এখন স্টেটের রাজকুমারী তাই নিজের অপমান সহ্য করতে না পেরে রুদ্র এবং ঈশিতা দুজনকেই ফাঁসির দড়িতে ঝুলায়। এবারে দেখার অপেক্ষায় কি হয় আগামী পর্বে।

