ফিজিক্সই করলো শেষ রক্ষা! শিরিনের চালাকি ধরে ফেলল পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

কে হবে চ্যাম্পিয়ন অফ ব্রাইট মাইন্ডস? এই নিয়েই বর্তমানে দর্শকদের মনে এখন টানটান উত্তেজনা চলছে। শিরিন এর একের পর এক ষড়যন্ত্র থেকে বেরিয়ে সবকটা রাউন্ডেই ভালো ফলাফল করছে পারুল। জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Porineeta) ধারাবাহিকে একটা পর্বও মিস করছেন না দর্শক। ধারাবাহিকের পুরনো মেজাজ ফিরিয়ে আনতে একের পর এক টুইস্ট আনা করছে। তাইতো টিআরপি তালিকায় প্রতি সপ্তাহে প্রতিপক্ষকে দমিয়ে রাখছে পরিণীতা।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পরেরদিনের প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায় জোর কদমে। এরপরে সকলকে লঙ্কার গুঁড়োর উপর ভিত্তি করে একটি আকর্ষণীয় ট্যাগ লাইন লিখতে বলা হয়। যার ট্যাগ লাইন সবথেকে বেশি আকর্ষণীয় হবে সেই চলে যাবে পরের রাউন্ডে। কিন্তু পারুল কি লিখবে সেটাই বুঝতে পারে না। অবশেষে দাদুর বুদ্ধি এবং তার সাহায্যে পারুল অসাধারণ একটি ট্যাগ লাইন লিখে ফেলে। এরপর বিচারকদের সিদ্ধান্ত জানানোর পালা।

বিচারকেরা এক এক করে সকলের ট্যাগ লাইন পড়তে থাকে এবং যার ট্যাগ লাইন সব থেকে বেশি আকর্ষণীয় লাগে তাকে সিলেক্ট করে নেয়। রায়ান, শিরিন সকলেই ভালো ভালো ট্যাগ লাইন লিখে বিচারকদের মন জয় করে নেয়। এরপর পারুলের পালা এলে কলেজের প্রফেসরা বিচারকদের বিচার করার আগেই তাকে ডিসকোয়ালিফাই করে দেয়। কিন্তু হঠাৎ করে কেন পারুলকে বাদ দিয়ে দিল সেটাই বুঝতে পারে না পারুল। কিন্তু পারুলকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে দেখে শিরিন রায়ানের মা সকলেই তো বেশ মজা পায়।
কিন্তু হঠাৎ করে পারুলকে কেন ডিসকোয়ালিফাই করা হলো কি এমন লিখেছে পারুল যেটা বিচারকদের দেখানো যাবে না। এরপর বিচারকরা নিজেরাই পারুলের ট্যাগলাইন দেখতে চাই। তারা জানিয়ে দেয় সবকটা একদিন দেখার পরেই তারা বিচার করবে। ভালো খারাপ মিলিয়েই লিখেছে সকলে। তারপর বিচারকেরা পারুলের ট্যাগ লাইন দেখে নিজেরাই হেসে ফেলেন। কিন্তু এসব কি হচ্ছে পারুল তো কিছুই বুঝতে পারে না।
আরও পড়ুনঃ রাতারাতি রাণী থেকে আসামী! পুলিশ নিয়ে ছোট রাণীর দরবারে হাজির ফুলকি!
তারপর বিচারকেরা পারুলের ট্যাগ লাইন জোরে পড়ে শোনায় সকলকে। আর একবারেই তাদের পারুলের ট্যাগ লাইন পছন্দ হয়ে যায়। পারুল জানায় এই ট্যাগ লাইন মাথায় আসার পিছনে মৈনাকের হাত রয়েছে। আর বিচারকদের বিচার পরবর্তী রাউন্ডে চলে যায় পারুল, রায়ান, শিরিন। কিন্তু পরের দিনই সব থেকে কঠিন প্রতিযোগিতা। ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা মাধ্যমে বিচার করে নেওয়া হবে টপ টু ফাইনালিস্টকে। এদিকে ব্যাডমিন্টনে স্টেট লেভেল পর্যন্ত খেলেছে শিরিন। সুতরাং তার খেলার দক্ষতা নিয়ে পারুলের মনে মনে ভীষণ ভয় হতে শুরু করে। তবে পারুলকে সম্পূর্ণভাবে সাহায্য করে মল্লার, মৈনাক সকলে। ওদিকে শিরিনও তার বাবার থেকে টিপস নিয়ে নেয় খেলার। পরের দিনকে শিরিন তো শয়তানি করে পারুলকে হারানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পারুলও বুঝতে পেরে যায় শিরিনের চালাকি। আর সেখানেই ফিজিক্স কাজে লাগিয়ে পারুল শিরিনকে জব্দ করে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

