ডিভোর্সের জন্য উকিলের কাছে উপস্থিত পারুল! রায়ান পারুলকে এক করতে নতুন প্ল্যান নিয়ে হাজির দাদু!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে পরের দিন কলেজে গিয়ে পারুল নিজেদের রেজাল্ট দেখতে থাকে। কিন্তু লিস্টে রায়ান পারুল দুজনের একজনের নামও খুঁজে পায় না। তারপর শিরিন জানায় যারা সাপ্লি পেয়েছে তাদের নাম লিস্টে নেই। পারুল রায়ান দুজনেই ফেল করে গেছে পরীক্ষায়। কিন্তু পারুল কিছুতেই বিশ্বাস করে না তার সাথে এমন ঘটেছে। কারণ পারুলের পরীক্ষা ভালই হয়েছিল। তাই পারুল প্রিন্সিপালের সাথে দেখা করতে চায়। এদিকে শিরিন আর তার বন্ধুরা তো ভাবে সত্যি সত্যি হয়তো পারুল ফেল করে গেছে। তাই পারুলকে যা নয় তাই বলতে থাকে।

Bengali serial

এরপর হঠাৎ কলেজের প্রফেসর কলেজেরই একজন কর্মচারীকে বকতে বকতে নিয়ে আসে। তিনি আসলে ভুল প্রিন্টের রেজাল্ট টাঙ্গিয়েছে। এরপর যখন সঠিক রেজাল্ট দেওয়া হয় তখন দেখা যায় রায়ান ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে পাশ করেছে। আর পারুল ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছে। এতক্ষণে পারুলের মধ্যে প্রাণ ফিরে এলো। রায়ান পারুলকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য জড়িয়ে ধরতে আসে কিন্তু পারুল বাধা দেয় আর শুধু হাত মেলাতে বলে, কারণ পারুল এখনো আগের কথা ভুলে যায়নি।

এরপর বাড়িতে ফিরে সকলকে সুখবর জানায় রায়ান পারুল। বাড়ির সবাই খুব খুশি হয় তাদের সাফল্যে। এদিকে বাড়ির সবাই আনন্দ হইহুল্লোড় করছে কিন্তু ঠাম্মি বিছানায় শুইয়ে আছেন। এটা রায়ান পারুলকে খুব কষ্ট দেয়। রায়ান পারুল নিজেদের রেজাল্ট কথা জানাতে যায় ঠাম্মির ঘরে। সেখানে গিয়ে দুজনেই নিজেদের রেজাল্ট জানায়।

আরও পড়ুনঃ অকেজো হাত নিয়েই টেনেছেন সংসার! গয়না বিক্রির টাকায় মিটিয়েছেন স্কুলের ফিস! বাবার আত্মত্যাগের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ মানালি!

পারুল ফার্স্ট হয়েছে আর রায়ান ফার্স্ট ক্লাস পেয়েছে শুনে ঠাম্মি তো আর নিজেকে আটকে রাখতে পারে না সটান উঠে বসে। আর ঠাম্মিকে এভাবে দেখে তো রায়ান পারুল অবাক হয়ে যায়। ঠাম্মি তাদের সিদ্ধান্তকে এভাবে ছোট করলো, তাদের ইমোশন নিয়ে এভাবে খেললো। রায়ান পারুল ঠাম্মির এই আচরণে খুবই কষ্ট পেয়েছে। তারা ভাবতেও পারেনি ঠাম্মি এরকম করতে পারে। আর বাড়ির সবাই এই বিষয়ে সব জেনেও তাদের থেকে আড়াল করেছে সবটা। রায়ান পারুল যে সব জানতে পেরে গেছে সেটা জেনে দাদু ঠিক করে এবারে সে নিজের বুদ্ধিতেই যা করার করবে। তারপর রায়ান পারুল সোজা যায় ডিভোর্সের জন্য এপ্লাই করতে। কিন্তু উকিল তাদের ডিভোর্স দিয়ে অস্বীকার করে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button