ডিএনএ রিপোর্টে ‘X’ ও ‘Y’ এর রহস্য! শিরিনের ফোন ঘেঁটে পারুলের হাতে এল ভয়ংকর তথ্য! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, এদিকে টগর অসুস্থ থাকায় মাকে সাহায্য করার জন্য পারুল তার ব্যবসার উপার্জনের টাকা তুলে দেয়। এরপরই শুরু হয় আসল উত্তেজনা। মল্লার ও রায়ানের সাথে হাত মিলিয়ে পারুল পরিকল্পনা করে যে কীভাবে শিরিনের ফোন হ্যাক করে আসল সত্য সামনে আনা যায়। রাতের অন্ধকারে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে পারুল একা নয়, বরং রায়ানকে সাথে নিয়ে শিরিনদের বাড়িতে গোপনে প্রবেশ করে।
কিন্তু তাদের দুর্ভাগ্য, শিরিনের বাড়ির কাজের লোক টের পেয়ে যায় যে বাড়িতে কেউ একটা ঢুকেছে। সে চোর সন্দেহে চিৎকার করে বাড়ির সবাইকে এক জায়গায় জড়ো করে ফেলে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শিরিন আর একটুও সময় নষ্ট না করে সরাসরি পুলিশে খবর দিয়ে দেয়। এদিকে পুলিশ ডাকার কথা জানতে পেরে রায়ান ও পারুল চরম দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় যে তারা এখন কীভাবে এই মারাত্মক বিপদ থেকে নিজেদের রক্ষা করবে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ শিরিনদের বাড়িতে এসে পৌঁছায় এবং চারদিকের সমস্ত ঘর ও আনাচ-কানাচ তল্লাশি করতে শুরু করে। একদিকে যখন পুলিশ তাদের হন্যে হয়ে খুঁজছে, ঠিক তখনই পারুল অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দেয়। সে নিজের ভয়কে জয় করে শিরিনের ফোন থেকে দরকারি সব তথ্য ও প্রমাণ নিজের ফোনে ট্রান্সফার করতে ব্যস্ত থাকে। পরিস্থিতি পুরোপুরি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে রায়ান বুদ্ধি খাটায় এবং পারুলকে বলে যে এই মুহূর্তে জানালা ভেঙে পালানো ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। শেষমেশ পুলিশ তাদের ধরার আগেই রায়ান ও পারুল জানালার কাচ ভেঙে সেখান থেকে অক্ষত অবস্থায় পালিয়ে যেতে সফল হয়।
বাড়ি পৌঁছে পারুল বাড়ির সবাইকে শিরিনের ফোনের সমস্ত তথ্য ও নথি খুঁজে দেখার দায়িত্ব দেয়। ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, পারুল সহ বসু পরিবারের সবাই এক জায়গায় বসে গভীর চিন্তায় মগ্ন। তখন পারুল রায়ানকে মনে করিয়ে দেয় যে, তারা সব কিছু খতিয়ে দেখলেও ফোনের ‘ডিলিট’ হয়ে যাওয়া ফাইলগুলো এখনো দেখেনি। রায়ান তখন বলে, তাহলে আমাদের ডিলিট করা আইটেমগুলো রিসাইকেল বিনে চেক করতে হবে। এরপর সবাই মিলে অধীর আগ্রহে ল্যাপটপের পর্দায় চোখ রেখে খুঁজতে শুরু করে।
আরও পড়ুনঃ ‘মিঠুনদার কান্ড কারখানায় আমি একবার ম’রতে বসে ছিলাম…’ ‘১৩ বছর বয়সে ওনার সঙ্গে আমার…’ জন্মদিনে মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়ে অকপটে অভিনেত্রী দেবশ্রী রায়!
ল্যাপটপে ফাইলগুলো ঘাঁটতে ঘাঁটতে হঠাৎ পারুলের চোখে পড়ে একটা গোপন ডিএনএ রিপোর্ট। সেখানে আসল নাম লুকিয়ে ‘X’ ও ‘Y’ বলে সম্বোধন করা রয়েছে। পারুল সহ বাকিরা নিজেদের বুদ্ধি খাটিয়ে ধরে নেয় যে, এখানে ‘X’ হলো ‘Y’-এর মেয়ে—অর্থাৎ ‘X’ স্বয়ং পারুল আর ‘Y’ হলো পারুলের আসল বাবা। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসার পর থেকেই গল্পে নতুন মোড় আসবে এবং ‘Y’ অর্থাৎ পারুলের বাবার সন্ধান শুরু হবে। পারুল মনে-প্রাণে নিশ্চিত হয়ে যাবে যে, তার নিজের বাবা এখনো বেঁচে আছে।

