পারুলের চোখে সেরা হতে মরিয়া রায়ান! তিরপিণ্ডের কান্ডে ফের বিপদের মুখে পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বাংলা টেলিভিশনের (Bengali Television) বিনোদন জগতে জি বাংলা (Zee Bangla) সব সময়ই ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে হাজির হয়। সেই ধারায় বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও চর্চিত মেগা ধারাবাহিক হলো ‘পরিণীতা’ (Porineeta)। এক সাধারণ মেয়ের অদম্য লড়াই এবং জীবনের কঠিন বাস্তবতার মাঝে গড়ে ওঠার গল্প এটি। ধারাবাহিকের পরতে পরতে যেমন রয়েছে পারিবারিক চক্রান্তের টানাপোড়েন, ঠিক তেমনি রয়েছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার অনুপ্রেরণা। গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রতিবাদী পারুল এবং ছন্নছাড়া রায়ান। সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই মেরুর এই দুই মানুষের জীবন নিয়েই শুরু হয় এই গল্প।
ধারাবাহিকে গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে প্ল্যান মতন পারুল কাজের পরেরও অফিসে থেকে যায় সংযুক্তার পর্দা ফাঁস করতে। এদিকে রায়ান অফিস থেকে বেরোনোর সময় অনিরুদ্ধকে অফিসে ঢুকতে দেখে আবারো ভুল বোঝে। পারুলদের ফলো করতে সেও যায়। ওদিকে পারুলরা যেই ঘরে তল্লাশি করতে যাবে সেই ঘরে নাকি এর আগে কেউ আ’ত্মহত্যা করেছিল। কিন্তু পারুল ভয় না পেয়ে ভিতরে ঢুকে তল্লাশি করতে থাকে।
আর তখনই ঘরের সমস্ত আলো নিভে যায়, অস্বাভাবিক সব ঘটনা ঘটতে থাকে। দরজা খুলে যায় ফাইল সব মেঝেতে পড়ে যায়। এইসব কাণ্ড দেখে অনিরুদ্ধ স্যার তো ভীষণ ভয় পেয়ে যায়। কিন্তু পারুল এতটুকু ভয় না পেয়ে সাহসের সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে। আর তখনই হঠাৎ করে চাদর গায়ে দিয়ে ওই ঘরে ঢোকে এক অজনা ব্যক্তি। ভূত নাকি মানুষ সেটা পরীক্ষা করতেই পারুল হাতের সামনে ভারী জিনিস ছুঁড়ে মারে সেদিকে। আর ওই ভারী জিনিসের আঘাতেই চোট পেয়ে মেঝেতে পড়ে যায় সেই লোকটি। আর পারুল গাছে গিয়ে চাদর সরাতেই দেখে সে আর কেউ নয় বরং রায়ান।
রায়ানের এই কর্মকাণ্ড দেখে তো অনিরুদ্ধ এবং পারুল দুজনেই অবাক। রায়ান যে এমন ছেলেমানুষের মতন কাজ করতে পারে সেটা তারা ভাবতেও পারেনি। কিন্তু ওই ঘরে হাজার খোঁজাখুঁজির পরেও সেরকম কোনো প্রমাণ পারুলরা হাতে পায়নি। বাধ্য হয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে আসে। অফিস থেকে ফিরতে ফিরতেই তিনজনে মিলে আলোচনা করে কিভাবে সংযুক্তার বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ করা যায়, কোথায় গেলে তারা উপযুক্ত প্রমাণ পাবে। ওই ঘরে যে আত্মহত্যা করেছিল সে কেন করেছিল আত্মহত্যা কি জেনে গিয়েছিল সেই সমস্ত নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে থাকে পারুলরা।
আরও পড়ুনঃ ২৪ বছর আগের স্মৃতি মেখে জন্মদিনের শুভেচ্ছা! ‘অনন্যা চট্টোপাধ্যায় মানেই আমার আর এক মা, আমায় কত খাইয়ে দিয়েছে…’- অভিনেত্রীকে নিয়ে আবেগে ভাসলেন ঈপ্সিতা মুখোপাধ্যায়!
ওদিকে বাড়ি ফেরার পথেই একজন ব্যক্তির সাথে আলাপ হয় পারুলদের। যিনি জানান তার ছেলে পারুলদের অফিসেই কাজ করত এবং সেও আত্মহত্যা করেছিল। সব ঘটনা মিলিয়ে পারুলদের মনে নানান রকম প্রশ্ন উঠে আসে। বাড়ি গিয়ে ভালো মতো ঠান্ডা মাথায় ভাবতে থাকে পারুল কি করা যায়। যে দুজন অফিসের লোক আত্মহত্যা করেছিল তাদের বাড়িতে তাদের কিছু জিনিসপত্র নিয়ে আসে তারা। সেখান থেকেই বিভিন্ন ডাইরি বই ইত্যাদি পাওয়া যায়। সেই ডাইরির মধ্যে বেশ কিছু সংখ্যা লেখা দেখতে পায়। আর সেইসব হিসেব মিলাতে থাকে। সেখান থেকেই সংযুক্তার বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করার চেষ্টা করে। এদিকে রায়ান তো পারুলের চোখে সেরা হওয়ার জন্য অনিরুদ্ধর সাথে প্রতিযোগিতা করতে থাকে কিন্তু শেষ পর্যন্ত যে কি হবে সেটাই দেখার অপেক্ষা।

