দাদুকে ডিভোর্সের কথা জানিয়ে দিল পারুল! সবার সামনে পারুলকে থা’প্পড় মা’রলো দাদু! ফাঁ’স আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে ভোরবেলা রায়ান পারুলকে ডাকতে আসে। খুশি মনে দরজা খুলে পারুল রায়ানের কাছে জানতে চায় সে কি সিদ্ধান্ত নিলো। রায়ান পারুলকে জানায় সে পারুলকে ভালোবাসা কিন্তু বন্ধুর মতো। এই কথা শোনার পর পারুলের তো আর কিছু বলার থাকে না, বাকরুদ্ধ হয়ে যায় পারুল। কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলে সে। তারপর রায়ান পারুলকে বলে তার একটা সময় এই সমস্ত কিছু মনে হলেও অনেক ভেবে দেখেছে সে পারুলকে বন্ধু হিসেবেই ভালোবাসে।

পারুল রায়ানের কাছে বারবার প্রশ্ন করতে থাকে কেন রায়ান তাকে মিথ্যে আসা দিয়েছিল, কেনো নিজের থেকে এসেছিল ভালোবাসার কথা বলতে। পারুল তো নিজে থেকে যায়নি রায়ানের কাছে। তারপরে পারুল জানায় যখন রায়ান তাকে বন্ধু হিসেবে ভালোবাসা তাহলে তাদের এই মিথ্যে বিয়েটার কোন মানে হয় না। পারুল রায়ানকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পারুলকে বলে মাথা গরম এর চোটে পারুল যেন কোন ভুলভাল সিদ্ধান্ত না নেয়। কিন্তু পারুল বলে সে যখন রায়ানকে মুক্তি দিচ্ছে তাহলে সব দিক থেকে মুক্তি দিতে চায়।
এরপর পারুল একাই ভোরবেলা বেরিয়ে পড়ে নিজের সাথে বোঝাপড়া করতে। রায়ানের সাথে কাটানো এক একটা মুহূর্তে মনে পড়ে পারুলের। নিজের মনের সাথে লড়াই করে নিজের জন্য একটা সূর্যমুখী ফুল কিনে আনে। আর নিজের নিজের মনকে শক্ত করে। শুধুমাত্র রায়ান ফিরিয়ে দিয়েছে বলে পারুল এভাবে ভেঙে পড়তে পারে না। এত দুর্বল মেয়ে সে নয়, তার জীবনে আরও অনেক বড় লক্ষ্য রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ৮ মাসেরও বেশি সময় শয্যাশায়ী জগদ্ধাত্রী! জগদ্ধাত্রী-স্বয়ম্ভুর হারানো কেমিস্ট্রি ফিরে পেতে হাঁসফাঁস করছে দর্শক! কবে ফিরবে প্রিয় জ্যাস?
অন্যদিকে রায়ানের মা তখনও কিছু খায়নি। সেইসময় রায়ানের দাদা এসে বলে রায়ান পারুলকে ফিরিয়ে দিয়েছে। এই খবর শুনে তো রায়ানের মা তো খুশিতে আত্মহারা হয়ে যায়। যেন হাতে চাঁদ পেয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে সেই খাওয়ার নিয়ে রায়ানের কাছে আনন্দ সহকারে ছুটে যায়। রায়ান তো পারুলের কথা ভাবতে থাকে। তার মা এসে তাকে বাহবা দিতে থাকে, তার আবার বিয়ে দেওয়ার কথা বলে রায়ান বিরক্ত হয়ে মাকে ঘর থেকে বের করে দেয়। ওইদিকে দাদুও চিন্তা করতে থাকে রায়ান কি বললো সেটা নিয়ে। তখন পারুল নিজেই এসে দাদুকে সব সত্যি জানায়। আর তিনি তো রেগে একেবারে লাল হয়ে যায়। পরের দিন পারুল নিজেই এসে রায়ানের সাথে তার ডিভোর্সের কথা বলে। দাদু রেগে গিয়ে পারুলকে থাপ্পড় মারতে এগিয়ে আসেন। এবার দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

