ঘরশত্রু বিভীষণ! পারুলকে জব্দ করতে শিরিনের সাথে হাত মিলিয়ে বিপদে পড়ল রায়ানের মা! ফাঁস হয়ে গেল সমস্ত সত্যি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকে থাকছে নিত্য নতুন চমক। শিরিন নিজের প্রাণ বাঁচাতে সব সত্য স্বীকার করে জানায় যে, সমরেশ পিসিমণিকে একটি মন্দিরে লুকিয়ে রেখেছে এবং সেখানেই জোর করে তাকে বিয়ে করার পরিকল্পনা করছে। সঠিক ঠিকানা পাওয়ার পর পারুল ও রায়ান কালক্ষেপ না করে মন্দিরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে শিরিনের পাঠানো গুন্ডাবাহিনী তাদের পথ আটকানোর চেষ্টা করলেও, সাহসিকতার সাথে লড়াই করে তারা বাধা কাটিয়ে সঠিক সময়ে মন্দিরে পৌঁছে যায়।
সেখানে সমরেশ পিসিমণিকে নানাভাবে ভয় দেখিয়ে বিয়ের জন্য বাধ্য করছিল। পিসিমণি তাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও সমরেশ ছিল নাছোড়বান্দা এমনকি সে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার হুমকি পর্যন্ত দেয়। নিরুপায় হয়ে পিসিমণি যখন প্রায় হার মানছিলেন এবং সমরেশ তাঁর সিঁথিতে সিঁদুর ছোঁয়াতে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই সেখানে ঝড়ের বেগে হাজির হয় রায়ান ও পারুল।

রায়ান রাগের মাথায় সমরেশকে বেধড়ক মারধর শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পিসিমণি প্রথমে বিভ্রান্ত হয়ে রায়ানকে আটকানোর চেষ্টা করেন। ঠিক সেই মুহূর্তে পারুল বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয় এবং শিরিন ও সমরেশের ফোনের সমস্ত কথোপকথনের রেকর্ড পিসিমণিকে শুনিয়ে দেয়। সমরেশের প্রতারণা ও আসল কুৎসিত রূপ চোখের সামনে উন্মোচিত হওয়ায় পিসিমণি স্তম্ভিত হয়ে যান।
উদ্ধারের পর রায়ান ও পারুল পিসিমণিকে বাড়ি ফিরে অনিরুদ্ধর সাথে বিয়ের অনুরোধ জানালে তিনি বেঁকে বসেন। নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত পিসিমণি জানান যে, অনিরুদ্ধকে ঠকিয়ে তিনি কিছুতেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারবেন না। বাড়ি ফিরে অস্থির হয়ে অপেক্ষারত অনিরুদ্ধর সামনে তিনি সব সত্য প্রকাশ করে দেন এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তাঁর পক্ষে এই বিয়ে করা আর সম্ভব নয়। তাই ঘরের মধ্যে আ’ত্মহত্যার চেষ্টা করে।
আরও পড়ুনঃ ‘হঠাৎ না বলে বাড়িতে চলে এসেছে…প্রচুর গিফট এনেছে!’ দেবলীনা নন্দীর বাড়িতে উপহার হাতে হঠাৎ হাজির হওয়া এই ব্যক্তিটি কে? কি কি উপহার পেলেন গায়িকা?
এদিকে তদন্তে উঠে আসে যে, বাড়ির ভেতর থেকেই কেউ একজন শিরিনকে সমস্ত তথ্য দিয়ে সাহায্য করছিল। পারুল সবার সামনে প্রমাণ করে দেয় যে, রায়ানের মা-ই সমরেশকে সব খবর পাঠিয়েছিলেন। ধরা পড়ে যাওয়ার পর কোনো অনুতাপ না দেখিয়ে রায়ানের মা চিৎকার করে জানান যে, পারুলের ওপর রাগের কারণেই তিনি এই বিয়ে ভাঙতে চেয়েছিলেন। এর ফলে বাড়ির সম্পর্কের জটিলতা এক নতুন মোড় নেয়।

