অবশেষে ষ’ড়যন্ত্রের অবসান! পিসিমণির সামনেই বেরিয়ে এলো সমরেশ ও শিরিনের গোপন সত্য! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বর্তমানে একেবারে টানটান উত্তেজনা পর্ব চলছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকে। পারুল ও রায়ানের তদন্তে বেরিয়ে আসে এক চমকপ্রদ তথ্য। তারা জানতে পারে যে, এই সবকিছুর পেছনে রয়েছে শিরিন। শিরিনই আসলে সমরেশকে টাকা দিয়ে পাঠিয়েছিল বিয়ে ভেঙে দেওয়ার জন্য। শুধু তাই নয়, কল রেকর্ডিং থেকে জানা যায় বাড়ির ভেতরের কেউ একজন এই খারাপ কাজে শিরিনকে সাহায্য করছে। একই সঙ্গে সমরেশের আসল রূপও সামনে আসে সে বিবাহিত এবং দিল্লিতে তার স্ত্রী-সন্তান আছে। কিন্তু পিসিমণি কোথায় আছেন, তা তখনও পারুলরা খুঁজে পাচ্ছিল না।

এদিকে বাড়িতে বিয়ের সময় হয়ে যাওয়ায় সবাই খুব চিন্তায় পড়ে যায়। বর অনিরুদ্ধ বিয়ের পিঁড়িতে বসে কনের জন্য অপেক্ষা করছে, আর বাড়ির লোকেরা বারবার ফোন করে পিসিমণির খোঁজ নিচ্ছে। পারুল ও রায়ান কী করবে বুঝতে না পেরে সরাসরি শিরিনের বাড়িতে গিয়ে হাজির হয়। শিরিন তখন রায়ানের মায়ের সঙ্গে গল্প করছিল আর মনে মনে ভাবছিল যে তার পরিকল্পনা সফল হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ পারুলদের দেখে সে একদম চমকে যায়।

Bengali serial

পারুল সেখানে গিয়েই শিরিনকে একটি থাপ্পড় মারে এবং পিসিমণি কোথায় আছে তা জানতে চায়। কিন্তু শিরিন খুব ধূর্ত, সে সহজে মুখ খুলতে চায় না এবং সব দোষ অস্বীকার করে। পারুল বুঝতে পারে যে ভালো কথায় শিরিনকে দিয়ে সত্যি বলানো যাবে না, তাই তাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য পারুল একটি কঠিন পথ বেছে নেয়। সে ঠিক করে যে ভয় দেখিয়ে হলেও শিরিনের মুখ থেকে সত্যিটা বের করবে।

পারুল ও রায়ান শিরিনকে টেনে রাস্তার মাঝখানে নিয়ে আসে এবং তাদের গাড়ির সাথে তাকে বেঁধে ফেলে। পারুল হুমকি দেয় যে, শিরিন যদি এখনই সব সত্যি না বলে, তবে রায়ান গাড়ি চালিয়ে তাকে টেনে নিয়ে যাবে। রাস্তার ওপর এমন অবস্থা দেখে শিরিন খুব ভয় পেয়ে যায় এবং নিজের প্রাণ বাঁচাতে সব সত্যি কথা গড়গড় করে বলে দেয়। সে জানায় যে, সমরেশ পিসিমণিকে একটি দেবীর মন্দিরে লুকিয়ে রেখেছে।

আরও পড়ুনঃ এতদিনের গোপনীয়তা শেষ! চুপিচুপি বয়ফ্রেন্ডকে বাড়িতে ডেকে মায়ের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়লেন আয়েশা ভট্টাচার্য!

ঠিকানা পাওয়ার পর পারুল আর রায়ান দ্রুত সেই মন্দিরে পৌঁছায়। সেখানে সমরেশ জোর করে পিসিমণিকে বিয়ে করার চেষ্টা করছিল, কিন্তু পিসিমণি রাজি হচ্ছিলেন না। ঠিক সেই মুহূর্তে পারুল সেখানে গিয়ে শিরিন আর সমরেশের ফোনের সব কথাবার্তা পিসিমণিকে শুনিয়ে দেয়। সব সত্যি জানতে পেরে পিসিমণি অবাক হয়ে যান এবং সমরেশের আসল চেহারা সবার সামনে ধরা পড়ে যায়। এভাবেই পারুল ও রায়ান পিসিমণিকে উদ্ধার করে।

Back to top button