ত্বরিতার স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব নিল পারুল! আবারও দাদুর নিয়মের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালো সে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) ধারাবাহিকগুলির মধ্যে দর্শকদের পছন্দের একটি ধারাবাহিক (Bengali Serial) হল পরিণীতা (Parineeta)। ধারাবাহিকটি যত দিন যাচ্ছে দর্শকের কাছে আরো জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। পারুল রায়ানের খুনসুঁটি মাখা কেমিস্ট্রি দর্শকদের বেশ পছন্দ হচ্ছে। টিআরপি তালিকাতেও প্রতি সপ্তাহে বেশ ভালো ফলাফল করে পরিণীতা। ধারাবাহিকে আবারো রায়ান পারুলের শত্রুতার গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পারুলের হাতে তার মায়ের ছবি পৌঁছানোর আগেই শিরিনরা কায়দা করে খাম থেকে পারুলের মায়ের ছবি সরিয়ে নিয়ে আবার খাম একইভাবে বন্ধ করে দেয়। যাতে কেউ বুঝতেই না পারে ওই খামটি আগে খোলা হয়েছিল। তারপরে পারুলের মায়ের ছবিটি নিজের হাতে পুড়িয়ে দেয় শিরিনের মা। তাই জন্য মায়ের ছবি ওই খামে পায় না পারুল। যার জন্য পারুলের ভীষণ মন খারাপ।

এদিকে পারুলের তো পরের দিন রেজাল্টের জন্য ভীষণ চিন্তা হচ্ছে। কারণ পরীক্ষার দিন তার সাথে যা হয়েছিল তাতে মনের মতন পরীক্ষা দিতে পারেনি পারুল। সেইসময় রায়ান এসেছে পারুলকে আরও ক্ষেপিয়ে দেয়। রায়ানই লন্ডন যাওয়ার সুযোগ পাবে, পারুলকে সে হারিয়ে দিলো এইসব বলতে থাকে। পারুল তো রায়ানের সাফল্যে খুশিই হবে। এদিকে রায়ান পারুলের কথা আড়াল থেকে দাঁড়িয়ে শুনতে থাকে টগর। সঙ্গে সঙ্গে সেও মল্লারকে গিয়ে বলে তার পরীক্ষা নিয়ে কোনো টেনশন হচ্ছে না কেনো, টগর ভেবেছিল মল্লার বিদেশ যাবে টগরও তার সাথে হানিমুনে যাবে।
তারপর কলেজে রেজাল্ট জানতে উপস্থিত হয় সকলে। পারুলের বন্ধুরা বলে পারুলই স্কলারশিপ পাবে। কিন্তু পারুলের তো জানে সে কেমন পরীক্ষা দিয়েছে। তাই তার টেনশন হতে থাকে। কিন্তু পারুল চায় এবারে রায়ান এই পরীক্ষায় জিতুক। তারপর স্যাররা আসেন এবং সকলের রেজাল্ট বলতে থাকেন। তারপর সকলকে অবাক করে প্রফেসর জানান পারুল ৯৫ শতাংশ নম্বর পেয়ে দারুণ ফলাফল করেছে। আর এই কথা শুনে তো অবাক রায়ান পারুল দুজনেই।
আরও পড়ুনঃ ফুলকিরকে বাঁচাতে গিয়ে গুন্ডাদের হাতে বেধরক মার খেলো অরণ্য! এসবের মাঝে এক অদ্ভুত জিনিস লক্ষ্য করলো ফুলকি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
কারণ পারুল যে মানসিক অবস্থায় পরীক্ষা দিয়েছিল সেখানে দাঁড়িয়ে এত ভালো রেজাল্ট সত্যি আসা করেনি। কিন্তু আসল হিরো রায়ান। রায়ান স্কলারশিপ পরীক্ষায় দারুণ রেজাল্ট করে এবং সে লন্ডনে যাওয়ার সুযোগ পায়। পারুল তো রায়ানের রেজাল্ট শুনে এত খুশি হয় যে সকলের সামনেই রায়ানকে জড়িয়ে ধরে। রায়ানও অবাক হয়ে যায় পারুলের ব্যবহারে। তারপর পারুল আগে পিসিমণিকে ফোন করে এই খবরটা জানায়। তিনি তো খুবই খুশি হয় রায়ানের সাফল্যে। তাই জন্য বসু বাড়িতে রায়ানের জন্য পার্টির আয়োজন করে পারুল। সবাই নাচ গান হৈ হুল্লোরে মেতে ওঠে। কিন্তু এসবের মধ্যেও মন খারাপ ত্বরিতার। আসলে সেও পড়াশুনায় ভালো ছিল। নিজের জন্য কিছু করতে চেয়েছিল। পারুল এইসব জানতে পেরে দাদুর সাথে কথা বলার সিদ্ধান্ত নেয়। রায়ানের মা বাধা দিলেও শোনে না। এবার দেখার অপেক্ষায় আগামী পর্বে কি হয়।

