শিরিনকে বন্দি করে পিসিমণির হদিস পেল পারুল! সমরেশের ষ’ড়যন্ত্রের পর্দাফাঁ’স! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকে চলছে টানটান উত্তেজনা পর্ব। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে হঠাৎ সমরেশের উপস্থিতিতে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তার হাতে থাকা কাঁচের বোতল দেখে সবাই ভেবেছিল হয়তো অ্যাসিড আছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো অঘটন ঘটেনি। সমরেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পিসিমণিকে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করলে পিসিমণি ভেঙে পড়েন। তবে পারুল রুখে দাঁড়ায় সে পিসিমণিকে শক্ত হতে বলে এবং সমরেশকে এতদিন কোথায় ছিল তা নিয়ে তীব্র অপমান করে। অবশেষে বাড়ির সবাই মিলে সমরেশকে টেনে হিঁচড়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।
বিয়ের সন্ধ্যায় চারদিকে যখন আনন্দ আর উৎসবের মেজাজ, তখন অনিরুদ্ধ বর সেজে পৌষালীকে বিয়ে করতে আসে। সাজগোজ আর হাসি-ঠাট্টায় সবাই যখন মগ্ন, ঠিক তখনই সমরেশ আবার ফোন করে এক চরম নাটক শুরু করে। সে আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে জানায় যে, পিসিমণি তার কাছে না গেলে সে ঘুমের ওষুধ খেয়ে প্রাণ দেবে। সমরেশের এই মিথ্যে অভিনয় পিসিমণি সত্যি বলে বিশ্বাস করেন এবং সবার চোখের আড়ালে চুপিচুপি তার কাছে চলে যান।

বিয়ের লগ্নে পিসিমণিকে মণ্ডপে আনার জন্য রুক্মিণী তার ঘরে গিয়ে দেখেন ঘর ফাঁকা। পিসিমণির এই অন্তর্ধানের খবর শুনে রায়ান ও পারুল স্তম্ভিত হয়ে যায় এবং বুঝতে পারে এর পেছনে নিশ্চয়ই সমরেশের হাত আছে। তারা দ্রুত একটি হোটেলে গিয়ে সমরেশের আত্মীয়র পরিচয় দিয়ে ঘরে ঢোকে এবং সেখান থেকে একটি মাইক্রোচিপ উদ্ধার করে। সেই চিপ থেকে পাওয়া তথ্য আর কল রেকর্ডিং শুনে তাদের কাছে সব জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যায়।
পারুল ও রায়ান জানতে পারে যে, এই পুরো ষড়যন্ত্রের মূলে রয়েছে শিরিন। শিরিনই টাকা দিয়ে সমরেশকে পাঠিয়েছিল বিয়ে ভাঙতে। শুধু তাই নয়, কল রেকর্ডিং থেকে তারা আরও জানতে পারে যে বাড়ির ভেতরেও কেউ একজন এই নোংরা পরিকল্পনায় যুক্ত আছে। একই সাথে বেরিয়ে আসে সমরেশের আসল পরিচয় সে বিবাহিত এবং দিল্লিতে তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। সব প্রমাণ হাতে আসতেই পারুলরা রণচণ্ডী মূর্তি ধারণ করে।
আরও পড়ুনঃ বহু বছর পর্দার আড়ালে অঞ্জন চৌধুরীর নায়িকা ‘বড় বউ’! জনপ্রিয়তা পেয়েও বিনোদন জগৎ থেকে কেনো সরে গেলেন রত্না সরকার? বয়সকালে কেমন দেখতে হয়েছে অভিনেত্রীকে?
শেষমেশ তারা শিরিনের বাড়িতে হানা দেয় এবং তাকে বেঁধে রেখে সমস্ত সত্যি কবুল করতে বাধ্য করে। শিরিনের কাছ থেকেই তারা জানতে পারে সমরেশ পিসিমণিকে কোথায় লুকিয়ে রেখেছে। এই চক্রান্তের জাল ছিঁড়ে পিসিমণিকে উদ্ধার করা এবং অপরাধীদের মুখোশ খুলে দেওয়াই এখন রায়ান ও পারুলের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়।

