সবটাই মিথ্যে! বাবা ও দাদুর ষ’ড়যন্ত্র ধরিয়ে দিল রায়ান! ফাঁ’স বসু পরিবারের সাজানো নাটকের রহস্য! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পারুল বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও রায়ান যখন তাকে ছাড়তে নারাজ, তখন বিয়ের লগ্ন পেরিয়ে যাওয়ায় সবাই দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়ে। তবে রায়ানের বাবা আশুতোষ বসু সকলকে আশ্বস্ত করে বলেন যে, পারুল ঠিক ফিরে আসবে। তিনি জানতেন, দাদুর বিপদের কথা শুনলে পারুল কিছুতেই দূরে থাকতে পারবে না। তার কথাই সত্যি হয়; পারুল বুদ্ধি খাটিয়ে সকলকে ফাঁকি দিয়ে শেষ পর্যন্ত বিয়ের মন্ডপে এসে পৌঁছায়।
মন্ডপে পারুল ও ঋকের বিয়ের আচার-অনুষ্ঠান শুরু হলে এক পর্যায়ে রায়ান সেখান থেকে চলে যায়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই সে নাটকীয়ভাবে ফিরে আসে। যখন বিয়ের অন্তিম লগ্ন উপস্থিত এবং ঠাকুরমশাই ঋককে সিঁদুর পরানোর কথা বলেন, ঠিক তখনই রায়ান আচমকা ঋক ও পারুলের মাঝখানে বসে পড়ে। ঋককে ব্যঙ্গ করে সে তার হাত থেকে সিঁদুরের কৌটো ছিনিয়ে নেয় এবং এক ধাক্কায় তাকে সরিয়ে দেয়।
উপস্থিত সকলকে হতভম্ব করে দিয়ে রায়ান নিজের হাতে পারুলের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেয়। সে বুক ফুলিয়ে ঘোষণা করে যে, পারুল এখন থেকে তার স্ত্রী এবং এই অধিকার কেবল তারই আছে। রায়ানের এই দুঃসাহসিক কাণ্ড দেখে বাড়ির সবাই যখন স্তম্ভিত, ঠিক তখনই সে আসল সত্য ফাঁস করতে শুরু করে। রায়ান জানায় যে, এতক্ষণ যা কিছু ঘটছিল, তার সবই ছিল পরিবারের সাজানো একটি সাজানো নাটক।
রায়ান একে একে ব্রততী ও ঋত্বিক সান্যালসহ পরিবারের সকলের মুখোশ খুলে দেয়। সে প্রমাণসহ দেখিয়ে দেয় যে, এই পুরো পরিস্থিতির পেছনে মূল কারিগর ছিলেন তার বাবা আশুতোষ বসু ও দাদু পরিতোষ বসু। নিজেদের ষড়যন্ত্র এভাবে সবার সামনে প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় এবং রায়ানের কাছে হাতে-নাতে ধরা পড়ায় তারা দুজনেই লজ্জায় মুখ লুকাতে বাধ্য হন।
আরও পড়ুনঃ ‘একটা স্কিমবাজ লোক, ম্যানুপুলেট করতে ভালো পারে…’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে মুখ খুললেন সুরজিৎ ব্যানার্জি! আর্টিস্ট ফোরামের সিদ্ধান্ত নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক!
সবশেষে রায়ান যখন আবেগের বশবর্তী হয়ে পারুলকে জড়িয়ে ধরতে যায়, তখন পারুল তাকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়। চরম ক্ষোভ ও অভিমানে পারুল জানায় যে, এই বিশৃঙ্খলা ও অপমানের জন্য একমাত্র রায়ানই দায়ী। সে আর এক মুহূর্তও ওই বাড়িতে থাকতে রাজি নয়। পরিবারের সবার কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ জানিয়ে পারুল স্পষ্ট করে দেয় যে, তাকে আটকানোর চেষ্টা যেন কেউ না করে।

