একদিকে ঝিনুকের বিয়ের নিমন্ত্রণ জানালো কমলা! অন্যদিকে পল্লবীর চরম হুঁশিয়ারি! সবটা দেখে আদিত্যকে নিয়ে কমলার মনে সন্দেহ? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় পথচলা শুরু করেছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী কমলা, পল্লবী এবং পল্লবীর দাদা একসাথে সাগরদের বাড়িতে যায় সুপর্ণার সাথে কথা বলতে। সেখানে গিয়ে তারা সুপর্ণার চরম অহংকার ও আভিজাত্যের মুখোমুখি হয়। সুপর্ণা তার বড়লোকির গরমে কমলাদের ছোট ও অপমান করার আপ্রাণ চেষ্টা করে। কিন্তু কমলা এতটুকুও দমে না গিয়ে অত্যন্ত ভদ্র অথচ দৃঢ় ভাষায় সুপর্ণাকে স্পষ্ট বুঝিয়ে দেয় যে, তারা গরিব হতে পারে কিন্তু অশিক্ষিত নয়। কমলা মনে করিয়ে দেয় যে মানুষের আসল পরিচয় তার মনে, আর মনের দিক থেকে তারা সুপর্ণাদের মতো সংকীর্ণ বা ছোট নয়। এরই মাঝে পল্লবী নিজের ইচ্ছের কথা জানিয়ে বলে যে, তারা মিঠিকে নিজেদের কাছেই রাখতে চায়।

শেষ পর্যন্ত সানি ও সুপর্ণা পল্লবীদের শর্তে রাজি হয়ে যায় এবং মিঠিকে তাদের কাছে রাখার অনুমতি দেয়। কিন্তু আসল ঝড় ওঠে এর পরে। পারমিশন পাওয়ার পর মিঠিকে যখন গুহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়, তখন সেখানে এক অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়। কমলার বড় ছেলে মিঠিকে দেখে বাড়িতে চরম তোলপাড় শুরু করে দেয়। সে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলে যে, এই বাড়িতে রোজগার করার লোক মাত্র তিনজন, অথচ বসে বসে খাওয়ার লোক এখন এগারো জন!

এই অর্থনৈতিক টানাপোড়েন ও খরচ বাড়ার কথা নিয়ে কমলার বড় ছেলে একপর্যায়ে শ্রীনিবাসের সাথে তুমুল তর্কে জড়িয়ে পড়ে। বাড়ির পরিস্থিতি দিন দিন সামলানোর বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে শ্রীনিবাস তাকে থামিয়ে দেয় এবং কমলার পাশে এসে দাঁড়ায়। সে দৃঢ় গলায় বলে, “কমলা, তুমি যা করেছো একদম ঠিক করেছো। আমি তোমার সাথে আছি।” এরপর সে কমলাকে আশ্বস্ত করে জানায় যে, বাড়িতে অন্য কেউ থাকুক আর না থাকুক, সারাজীবন এই শ্রীনিবাস গুহ সবসময় কমলার পাশে থাকবে।

গল্পের মোড় ঘোরে অন্য দিকে যখন কমলার সাথে আচমকা আদিত্যের দেখা হয়। কমলা অত্যন্ত আনন্দের সাথে আদিত্যকে ঝিনুকের বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র দেয় এবং বিয়েতে আসার অনুরোধ জানায়। আদিত্যও সৌজন্যতার সাথে সেই নিমন্ত্রণ গ্রহণ করে। কিন্তু এই সাধারণ দেখাশোনার পর্বটি যে একটু পরেই এক মজার ও নাটকীয় রূপ নিতে চলেছে, তা কমলা বা আদিত্য কেউই আগে থেকে বুঝতে পারেনি।

আরও পড়ুনঃ ‘যাঁর ওপর ভরসা করে গেলাম, তিনিই কুপ্রস্তাব দিলেন, মেনে নিইনি তাই আর কাজই পাইনি!’ টলিউডে চলেছে এক নোংরা চক্র! নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে অকপটে রিমঝিম গুপ্ত!

কমলার সাথে কথা শেষ করে আদিত্য যখন চলে যাচ্ছিল, তখন হঠাৎ পল্লবীকে দেখে সে থমকে দাঁড়ায়। আদিত্যকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে পল্লবী বেশ বিরক্ত হয় এবং রেগে গিয়ে বলে, “কী ব্যাপার আপনার বলুন তো! যখন-তখন আমার পিছে পড়ে থাকেন। এমন বিরক্ত করেন কেন? এমন হলে কিন্তু পুলিশ কেসে ফেঁসে যাবেন!” ঠিক তখনই কমলা পিছন থেকে ‘পল্লবী’ বলে ডাক দেয়, আর পল্লবীর নাম শুনে আদিত্য রীতিমতো চমকে ওঠে। এখন দেখার বিষয়, এই নতুন পরিচয়ের পর তাদের সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেয়!

Back to top button