মিঠিকে ঘরে আনতেই গুহ পরিবারে তোলপাড়! বড় ছেলের অপমানের জবাবে কমলার হাত ধরল শ্রীনিবাস! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় পথচলা শুরু করেছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মন্দিরে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পুজোর কাজ সম্পন্ন হয়। সেখানে স্বয়ং সম্রাটও এসে উপস্থিত হয়। এরই মাঝে পল্লবী হঠাৎ খেয়াল করে যে, তার মাথায় কেউ একটি ফুলের মালা পরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ভিড়ের মাঝে কে এই কাজ করল, তা সে কিছুতেই বুঝতে পারে না। একদিকে এই রহস্য, আর অন্যদিকে পরের দিন সাগরদের বাড়িতে যাওয়া নিয়ে পল্লবীর মনে একরাশ চিন্তা ও সংশয় দানা বাঁধতে থাকে।

পল্লবীকে চিন্তিত দেখে তার দাদা তাকে মুখে খুব সান্ত্বনা দেয় এবং পাশে থাকার অভিনয় করে। তবে তার মনের ভেতরের উদ্দেশ্য ছিল একেবারেই আলাদা। সাগর যে এত বড় সম্পত্তির মালিক ছিল, সেই লোভ সে সামলাতে পারছিল না। সাগরের এই বিশাল সম্পত্তি শেষ পর্যন্ত তার বোন পল্লবীই পাবে এই ভেবে সে মনে মনে ভীষণ খুশি হয়েছিল। কিন্তু নিজের এই চরম লোভের কথা সে পল্লবীর সামনে প্রকাশ পায় না, মুখে শুধু সান্ত্বনার বাণীই শুনিয়ে যায়।

পরের দিন পরিকল্পনা মতো কমলা ও পল্লবী, পল্লবীর দাদাকে সাথে নিয়ে সাগরদের বাড়িতে যায় সুপর্ণার সাথে কথা বলতে। সেখানে সুপর্ণা তার চরম অহংকার ও আভিজাত্যের গরমে কমলাদের ছোট করার এবং অপমান করার আপ্রাণ চেষ্টা করে। কিন্তু কমলা এতটুকুও দমে না গিয়ে অত্যন্ত ভদ্র অথচ দৃঢ় ভাষায় সুপর্ণাকে স্পষ্ট বুঝিয়ে দেয় যে, তারা গরিব হতে পারে কিন্তু অশিক্ষিত নয়। সে আরও মনে করিয়ে দেয় যে মানুষের আসল পরিচয় তার মনে, আর মনের দিক থেকে তারা সুপর্ণাদের মতো অন্তত সংকীর্ণ বা ছোট নয়। এরই মাঝে পল্লবী নিজের ইচ্ছের কথা জানিয়ে বলে যে, তারা মিঠিকে নিজেদের কাছেই রাখতে চায়।

আগামী পর্বে দেখা যাবে যে, সানি ও সুপর্ণা শেষ পর্যন্ত পল্লবীদের শর্তে রাজি হয়ে যায়। তারা জানিয়ে দেয় যে পল্লবীরা মিঠিকে নিজেদের কাছে রাখতে পারে। পারমিশন পাওয়ার পর মিঠিকে যখন গুহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়, তখন সেখানে এক অশান্তির ঝড় ওঠে। কমলার বড় ছেলে মিঠিকে দেখে বাড়িতে চরম তোলপাড় শুরু করে দেয়। সে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলে যে, এই বাড়িতে রোজগার করার লোক মাত্র তিনজন, অথচ বসে বসে খাওয়ার লোক এখন এগারো জন!

আরও পড়ুনঃ ‘রাজি না হলে পেটে ভাত জুটত না!’ ‘শাসক দলের গোলামি নয়, শিল্পীর পরিচয় হোক শুধু শিল্পেই!’ ইন্ডাস্ট্রির নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়!

এই কথা নিয়ে কমলার বড় ছেলে একপর্যায়ে শ্রীনিবাসের সাথে তুমুল তর্কে জড়িয়ে পড়ে। তখন পরিস্থিতি সামলাতে শ্রীনিবাস তাকে থামিয়ে দেয় এবং কমলার পাশে এসে দাঁড়ায়। সে দৃঢ় গলায় বলে, “কমলা, তুমি যা করেছো একদম ঠিক করেছো। আমি তোমার সাথে আছি।” এরপর সে কমলাকে আশ্বস্ত করে জানায় যে, বাড়িতে অন্য কেউ থাকুক আর না থাকুক, সারাজীবন এই শ্রীনিবাস গুহ সবসময় কমলার পাশে থাকবে।

Back to top button