আদিত্যর দৌলতে সাগরের বাড়িতে ঢুকে পড়ল পল্লবী! মিঠিকে কি ওই নির্মম অ’ত্যাচার থেকে বাঁচাতে পারবে সে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় পথচলা শুরু করেছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বাড়িতে ঝিনুক এবং সম্রাটের এনগেজমেন্ট বা আংটি বদলের প্রস্তুতি এখন একেবারে তুঙ্গে। বাড়িঘর আলো দিয়ে সাজানো থেকে শুরু করে সমস্ত জিনিসপত্র গোছানো সবকিছু নিয়ে বাড়ির প্রত্যেকে ভীষণ ব্যস্ত। চারদিকে একটা উৎসবের আমেজ, সবাই এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করছে কাজের তদারকিতে। এর মাঝেই ঝিনুক নিজের বিশেষ এই দিনের জন্য তৈরি হতে শুরু করে।
ঠিক এই আনন্দের মুহূর্তেই সম্রাট ঝিনুকের জন্য একগাদা চমৎকার উপহার পাঠিয়ে দেয়। সেই উপহারের বাক্সে ছিল দামী গয়না, সুন্দর শাড়ি আর আরও অনেক আকর্ষণীয় জিনিস। এতসব উপহার পেয়ে ঝিনুকের খুশি আর ধরে না। সে পরম আনন্দে সম্রাটের পাঠানো সেই নতুন শাড়ি আর গয়না পরে নিজেকে সুন্দর করে সাজিয়ে তোলে। এরপর সম্রাট সশরীরে অনুষ্ঠান বাড়িতে এসে পৌঁছায় এবং ধুমধাম করে, পুজোর আচার ও ভগবানের আশীর্বাদের মধ্য দিয়ে তাদের আংটি বদল পর্বটি সম্পন্ন হয়।
চারিদিকে এত আনন্দ, উপহারের ছড়াছড়ি আর পুজোর পবিত্র পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও ঝিনুকের মায়ের মনটা কিন্তু কিছুতেই শান্ত হচ্ছে না। কমলা দেবী এই গোটা বিষয়টাকে খুব একটা সহজভাবে বা মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না। সবার মুখে চওড়া হাসি থাকলেও, মায়ের মনে কোথায় যেন একটা বড় খটকা লেগেই রয়েছে। সামনের কোনো এক অজানা বিপদের আশঙ্কায় তার মন চঞ্চল হয়ে উঠেছে, অথচ ঠিক কী কারণে তার এত ভয় করছে, সেটা সে নিজেও স্পষ্ট বুঝতে পারছে না।
মায়ের মনের এই ভেতরের অস্বস্তিই হয়তো ভবিষ্যতে কোনো বড় ঝড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে উৎসবের দিনে বাড়ির সবাই মিলে কমলা দেবীকে শান্ত করার চেষ্টা করে এবং তাকে নানাভাবে আশ্বাস দিয়ে আশ্বস্ত করে। অন্যদিকে, পল্লবীর মন কিন্তু একদম ভালো নেই; সে মিঠিকে নিয়ে চিন্তায় অস্থির হয়ে পড়েছে। মিঠির ওপর যেভাবে একের পর এক অত্যাচার চালানো হচ্ছে, সেটা মনে পড়লেই পল্লবীর মনটা কেঁদে উঠছে।
আরও পড়ুনঃ ‘টাকা ফেরত দেওয়া তো দূর, উলটে ভয় দেখান সোহম…’ ১৫ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগে মহা বিপাকে সোহম চক্রবর্তী! প্রযোজকের মামলায় নতুন বিতর্ক টলিপাড়ায়!
পরের দিন সকালে সম্রাট আবারো ঝিনুকদের বাড়িতে আসে। সেদিন ছিল ঝিনুকের জন্মদিন, আর সেই উপলক্ষে সম্রাট তাকে নিয়ে বাইরে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করে। ওদিকে পল্লবী নিজের মনের ব্যাকুলতা সামলাতে না পেরে আবারো মিঠিকে দেখার জন্য রওনা দেয়। তবে এবার সাগরদের বাড়িতে ঢোকার জন্য পল্লবীকে হাত বাড়িয়ে সাহায্য করে আদিত্য, যদিও আদিত্য হয়তো এখনো সমস্ত সত্যিটা নিজে জানে না।

