চারিদিকে শুধু সম্রাটের প্রশংসা! জামাই হিসেবে সম্রাটকে মনে ধরল শ্রীনিবাসের! তবুও কোন আশঙ্কায় কাঁপছে ঝিনুকের মন?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় পথচলা শুরু করেছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas )। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মিঠির ওপর দিনরাত নির্মম অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে তার পিসেমশাই এবং পিসেমশাইয়ের মা। মাঝরাতে ক্ষুধার যন্ত্রণায় ছোট্ট মেয়ে মিঠি যখন ছটফট করে ওঠে, তখন দূর থেকে পল্লবীর মায়ের মন মিঠির জন্য কেঁদে আকুল হয়। সাগর এবং তার মা চলে যাওয়ার পর থেকেই মেয়েটির ওপর এই অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়ে গেছে। পল্লবীর কাছ থেকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে পিসির বর এবং শাশুড়ি মিঠিকে দিয়ে বাড়ির সমস্ত কাজ করাচ্ছে।
বাসন মাজা থেকে শুরু করে ঘর মোছা বাড়ির সব কঠিন কাজ মিঠিকে দিয়ে করানো হচ্ছে, অথচ তাকে ঠিকমতো খেতে পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে না। অবশেষে একদিন মাঝরাতে অনেক সাহস সঞ্চয় করে মিঠি চুপিচুপি তার পিসেমশাইয়ের ফোন থেকে পল্লবীকে একটা মেসেজ পাঠায়। সে মেসেজে জানায় যে সে একদম ভালো নেই এবং পল্লবী যেন তাকে এখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মেসেজটি পেয়েই পল্লবী আর স্থির থাকতে পারে না।
বাড়ির সবার বারণ সত্ত্বেও পল্লবীর মন কিছুতেই মানেনি। সে মিঠির জন্য খাবার নিয়ে ছুটে যায় সেই বাড়িতে। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে ওঠে। সানি নামের একজন পল্লবীকে এবং তার বাবাকে চরম অপমান করে এবং অন্যায়ভাবে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়। মিঠির কষ্ট চোখের সামনে দেখেও পল্লবী নিরুপায় হয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হয়।
অন্যদিকে, ঝিনুকের সাথে সম্রাটের বিয়ে দেওয়া নিয়ে জোরকদমে খোঁজখবর চলছে। ঝিনুকের দুই দাদা সরাসরি সম্রাটের অফিসে গিয়ে তার সম্পর্কে খোঁজ নেয়। এমনকি শ্রীনিবাস বাবু নিজেও মেয়ের জীবনসঙ্গীর সঠিক তথ্য জানার জন্য অনাথ আশ্রম এবং আরও অন্যান্য জায়গায় ছুটে যান। সব জায়গা থেকেই সম্রাটের নামে সবাই খুব ভালো ভালো মন্তব্য করে। শ্রীনিবাস বাবুর মনে সম্রাটকে খুব পছন্দ হয়ে যায় এবং সে কমলাকে আশ্বস্ত করে যে সম্রাটের সাথে বিয়ে হলে ঝিনুক খুব ভালো থাকবে।
আরও পড়ুনঃ গ্যাস লিক করিয়ে গায়ে আগুন ধরিয়ে দিল ঋষির মেসোমশাই! মৃ’ত্যুর মুখে উজি-নিশা! শেষ মুহূর্তে কি ফাঁস হবে সায়ন্তনের মুখোশ? প্রকাশ্যে জোয়ার ভাঁটার দুর্ধর্ষ প্রোমো!
বাড়িতে শ্রীনিবাস বাবু ঝিনুককে পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে, সম্রাটকে তাদের সবার খুব পছন্দ হয়েছে এবং তারা এই বিয়েতে পুরোপুরি রাজি। কিন্তু এত কিছুর পরও ঝিনুকের মন এখনো সায় দিতে পারছে না। সে সম্রাটকে বিয়ে করার ব্যাপারে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছে। তাই সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, এই সবকিছু নিয়ে ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখার জন্য তার আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন।

