যেমন শ্বশুর তেমন বউমা! দুটোই চোর! ‘দুটোরই জেলে যাওয়া উচিত!’- চিরসখা ধারাবাহিকে চোর শ্বশুরের চোর বউ মা! সমালোচনায় মুখর দর্শক!

বিনোদন জগতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ধারাবাহিক (Bengali Serial)। আর এই ধারাবাহিক হলো সাধারণ মানুষের ভালো থাকার অন্যতম মাধ্যম। আর এই ধারাবাহিকগুলোর জন্যই বিকেল বেলাটা জমজমাট হয়ে ওঠে। ধারাবাহিকতে প্রতিদিন থাকে নতুন নতুন চমক। আর দর্শক তা ভালোভাবে উপভোগ করেন। টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television) এখন নানান ধরনের ধারাবাহিক হয়।

আর এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলির মধ্যে টানটান উত্তেজনা পর্ব হচ্ছে স্টার জলসার চিরসখাতে। একের পর এক ঘটনা ঘটে যাচ্ছে কমলিনীর জীবনে। একই তো চন্দ্র এবং সোহিনী জ্বালা দীর্ঘদিন সহ্য করতে হয়েছে কমলিনীকে। তারপর অবশেষে চন্দ্রর কুকীর্তির কথা সামনে এসেছে। চন্দ্র নারী পাচার দলের সাথে যুক্ত ছিল। এই খোঁজখবর পেয়ে অবশেষে চন্দ্র এবং সোহিনীকে বাড়ি থেকে অ্যারেস্ট করে নিয়ে গেছে পুলিশ।

আসলে আগে থেকেই পুলিশ আসার ভয় পেয়েছিল চন্দ্র এবং সোহিনী। তাই জন্য ব্যাগের মধ্যে বাড়ির সমস্ত গয়নাগাটি, টাকা-পয়সা, দলিল সমস্ত চুরি করে নিয়ে পালাচ্ছিল। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। ঠিক সেই মুহূর্তে পুলিশ চলে এসে তাদের গ্রেফতার করে নেয়, তাই কোন কিছু নিয়ে পালাতে পারেনি চন্দ্র। পুলিশ অ্যারেস্ট করে নিয়ে যাওয়ার পর কমলিনীরা সকলে জানতে পারে চন্দ্র ব্যাগে করে তাদের গয়নাগাটি টাকা-পয়সা নিয়ে পালাচ্ছিল। আর সেই ব্যাগ থেকেই দেড় লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়। আর বর্ষা সেই টাকাটা কি নিজের বলে দাবি করে নিয়ে যায়।

কিন্তু এবারে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে ওই টাকাটা বর্ষার নয়। কমলিনীর টাকাটাই চন্দ্ররা নিয়ে পালাচ্ছিল। কিন্তু বর্ষা নিজের বলে ওই টাকাটা আদায় করে নেয়। যদিও সেই মুহূর্তে আর সেই টাকা ধরে রাখতে পারেনি বর্ষা। কমলিনীর টাকার নম্বরের সঙ্গে বর্ষার কাছে থাকা টাকার নম্বরগুলো মিলে যায়। তারপর প্রমাণ হয় ওই টাকাটা বর্ষার নয়। ধারাবাহিকে এই চন্দ্র আর বর্ষার ক্যারেক্টার সম্পূর্ণ এক। দর্শক তো বলছে যেমন শ্বশুর ঠিক তেমন তার বৌমা দুজনেরই বেশ ভালো মিল রয়েছে। শ্বশুর বৌমার জুটি হিসেবে একেবারে পারফেক্ট চন্দ্র বর্ষা।

আরও পড়ুনঃ পারুলকে চোর অপবাদ! দিদিকে জেলে পাঠালো টগর! শয়তানের মুখোশ খুলতে এবার রণচন্ডী রূপে পারুল! প্রকাশ্যে দুর্ধর্ষ প্রোমো!

চন্দ্র যেমন কমলিনীকে হেনস্তা করে গিয়েছে, জিনিসপত্র চুরি করেছে। তার চরিত্রের ঠিক নেই। ঠিক তেমনি বর্ষারও চরিত্রের ঠিক নেই, সেও কমলিনীকে কখনও অপমান করতে ছাড়েনি। তার উপরে আবার এখন চুরি করতেও শুরু করেছে। এমনকি কমলিনীকে চোর অপবাদ দেওয়ার জন্য শ্বশুরের সাথে হাত মিলিয়েছে। কমলিনীকে হেনস্তা করার জন্য প্রতিটা পদক্ষেপে চন্দ্রকে সাহায্য করেছে সে। তাই দর্শক তো চন্দ্র আর বর্ষা এই দুই চরিত্রকে একেবারে সহ্য করতে পারে না।

Back to top button