নিজের চাকরি খুইয়ে অস্মিতাকে বাঁচালো জগদ্ধাত্রী! ছাড়া পেয়ে গেলো উৎসব!

জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। দর্শকরা এই ধারাবাহিকের নায়িকাকে প্রতিদিন নতুন নতুন প্রতিকূলতার সম্মুখীন করতে এবং বুদ্ধি দিয়ে সমস্ত সমস্যার সমাধান করে সফল হতে দেখতে ভীষণ ভালোবাসেন। তাই শুরু থেকে এমনটাই দেখিয়ে আসছে ধারাবাহিক কর্তৃপক্ষ। যার ফলে ভক্তদের অসীম ভালবাসা পেয়ে টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে টিকে রয়েছে এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, বেশ কিছু দিন ধরেই এক জটিল রহস্যের সমাধান করার চেষ্টা করছিল নায়িকা জগদ্ধাত্রী। এতদিনে সফল হয়েছে সে। আসল অপরাধীকে খুজে বের করে নিজের কথা রেখেছে জ্যাস সান্যাল। কিন্তু এরপর যেটা ঘটতে চলেছে সেটা কিছুতেই মন থেকে মেনে নিতে পারছে না। বিজয়লক্ষী যেটা চাইছে সেটা তার পক্ষে মেনে নেওয়া অসম্ভব।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বিজয়লক্ষ্মী অস্মিতা আরে রাহুলকে ভয় দেখাতে থাকে, সে বলে “তোমরা আমার ছেলেটাকে শেষ করে দিলে তো? তোমাদের আমি ছাড়বো না। তোমাদেরও শেষ হয়ে যেতে হবে। আমার ছেলেটা নিশ্চয়ই খুব চিৎকার করছিল। আমার কাছে আসতে চাইছিল। তোমরা ওকে সেই সুযোগটা দাওনি। এইবার তোমরাও কোন সুযোগ পাবে না। তোমাদেরও আমি শেষ করে দেব।” রাহুলকে অনেকগুলো থাপড় মারে ঋষির মা। অনিন্দিতা প্রচন্ড ভয় পেয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে।

এরপর বিজয়লক্ষ্মী সেখান থেকে চলে যায়। জগদ্ধাত্রী কিছুতেই এইসব মেনে নিতে পারেনা। সাধু তাকে বলে, যদি জগদ্ধাত্রী তাকে আটকাতে যায় তাহলে তার চাকরিটা চলে যেতে পারে। এসব শুনে জগদ্ধাত্রী বলে, চাকরি গেলে যাক কিন্তু সে কখনোই কাউকে নিজের হাতে আইন তুলে নিতে দেবে না। অনিন্দিতা জগদ্ধাত্রীকে বলে, সে জানতো যে জগদ্ধাত্রী ঠিক এই রহস্য উদঘাটন করবেই। সে খুব ভয় পেয়েছিল কারণ বিজয়লক্ষ্মী একবার সত্যিটা জেনে গেলে তাদেরকে আর বাঁচিয়ে রাখবে না।

আরো পড়ুন: ঘুরে গেল ভাগ্যের চাকা, চাকরিটা পেয়ে গেল রাই! জানতে পেরে অবাক হল সৌর্য!

অন্যদিকে ছাড়া পেয়ে গেল উৎসব। জগদ্ধাত্রী কে ফোন করে নিজের জিৎ জাহির করলো সে। বৈদেহি কোম্পানির শেয়ার এবং অনেক টাকা স্বয়ম্ভু আর জগদ্ধাত্রী একাউন্টে পাঠিয়ে দেয় আর এই চালটাই ভাবাতে থাকে জগদ্ধাত্রীকে। সে বুঝতে পারে না এসব কেন করছে তার শাশুড়ি মা। এরপর ডিপার্টমেন্টে আসে রাজনাথ। সে জগদ্ধাত্রীদের কাছে হাতজোড় করে বলে তার স্ত্রীকে যেন খুঁজে বের করে দেয় সে। এসব দেখে বেশ খারাপ লাগে জগদ্ধাত্রীর।

Back to top button