রাইকে মেনে নিতে নারাজ অনির্বাণের বাবা মা! আঙ্কেলের প্রাণ বাঁচালো স্রোত! সার্থককে উচিত শাস্তি দিলো উজ্জ্বল!

অনেক সময় মানুষ সবটা না জেনেই বা অর্ধেকটা জেনেই এমন ব্যবহার করে বসে যে পরবর্তীতে তাকে আফসোস করতে হয়। এইবার ঠিক সেটাই করলো জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের অন্যতম প্রধান চরিত্র সার্থক। বর্তমানে এই চ্যানেলে সম্প্রচারিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিকে পরিণত হয়েছে এই মেগা।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, খুব তাড়াতাড়ি সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছে ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা, অর্থাৎ রাই আর অনির্বাণ। অন্যদিকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে বিছানায় মিশে গিয়েছে সার্থকের বাবা উজ্জ্বল সেনগুপ্ত। আঙ্কেলকে দেখতে যাওয়ায় স্রোতের সঙ্গে ভীষণ খারাপ ব্যবহার করে সার্থক। তবে এইবার মাত্রা ছাড়ালো সে। তাকে উচিত শিক্ষা দিয়ে স্রোতের পাশে দাঁড়ালো উজ্জ্বল।

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ২৮ জুন (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 28 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণের বোন অনির্বাণকে বলে, “জেম্মা বোধহয় সবটা জেনে গেছে, জানিস তো কুট্টিদা। খুব রেগে গেছে সব জেনে।” অনির্বাণ বলে, সে যেন তার জেঠু জেঠিমাকে তাড়াতাড়ি এই বাড়িতে ডেকে নেয়। তবে এইবার সে আর কারোর কথা শুনবে না। নিজে যেটা ঠিক করেছে সেটাই করবে। সবার কথা শুনতে গিয়ে অনেকটা সময় নষ্ট করে ফেলেছে সে।

রাইকে মেনে নিলো না অনির্বাণের মা

পরের দিন সকাল হতেই অনির্বাণের মা-বাবা চলে আসে তার বাড়িতে। এসেই তারা বলে, এই বিয়েতে তাদের সম্মতি নেই। অনির্বাণ বুঝে যায় তাদের কানের বিষ ঢেলেছে ডোরা। অনির্বাণ তাদেরকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, “আমি ঠিক করে ফেলেছি যে আমি ওকেই বিয়ে করব। এখন পিছিয়ে আসার কোন প্রশ্নই ওঠে না। তোমরা বিয়েতে থাকো আনন্দ করুক এটুকুই আমার চাওয়া।” এরপর ঘরে গিয়ে তাড়াতাড়ি রাইকে ফোন করে অনির্বাণ। প্রায় বুঝতে পারে তার মা বাবার এই বিয়েতে সম্মতি নেই। কিন্তু অনির্বাণ বলে, সে এইবার শুধু নিজের মনের কথা শুনবে।

আরও পড়ুন: অষ্টমী শেষ হতেই ছোটপর্দায় ফিরছেন ঋতব্রতা, স্টার জলসার জনপ্রিয় নায়কের সঙ্গে জুটি বাঁধবেন তিনি

সার্থককে উচিত শিক্ষা দিলো উজ্জ্বল

এদিকে গুরুতর অসুস্থতায় বেশ কষ্ট পাচ্ছে সার্থকের বাবা। পরোক্ষভাবে ওষুধ পত্রের দিক দিয়ে সাহায্য করলেও, ছেলে হিসেবে বাবার মাথায় হাত রাখেনি সার্থক। এই নিয়ে বেশ কষ্টে রয়েছে স্রোতের আঙ্কেল। ঘরে এসে স্রোত দেখে তাদের বাড়ির কাজের মহিলা ভুল ওষুধ খাওয়াচ্ছে আঙ্কেলকে। সেই নিয়ে বিষয়টা এমন একটা জায়গায় দাঁড়ায় যেখানে সার্থক ভুল বোঝে স্রোতকে আর যা নয় তাই বলে অপমান করে। এই অপমান কিছুতেই মুখ বুঝে মেনে নেয়নি সার্থকের বাবা। সে অসুস্থ শরীরে বিছানা থেকে উঠে এসে স্রোতের পাশে দাঁড়ায়।

Back to top button