ডিভোর্স পেপার ছিঁড়ে ফেলে দিলো অনিকেত! হেরে গেল অপরাজিতা, তিস্তারূপী শ্যামলীকে ধরে ফেললো তৃষা!

এতদিন ধরে নিজের দ্বৈত সত্তাকে সবার থেকে গোপন করে রাখতে সক্ষম হয়েছিল জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কোন গোপনে মন ভেসেছের (Kon Gopone Mon Bhesechhe) নায়িকা শ্যামলী। এখানে নায়িকাকে শ্যামলী এবং তিস্তা এই দুটি চরিত্রের দেখা যাচ্ছে। এতদিন গুটি কয়েক মানুষ ছাড়া আর কেউ জানতো না এই শ্যামলী তিস্তা রহস্য। তবে এইবার খুব তাড়াতাড়ি সবার সামনে আসতে চলেছে এই গোপন তথ্য।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শ্যামলী জোড়া পরিবারের মেয়ে রোহিনীর জীবন বাঁচিয়েছে। দুটো খারাপ ছেলের হাত থেকে পরিবারের মেয়েকে রক্ষা করেছে আর পরিবারের সম্মান বজায় রেখেছে। ফল স্বরূপ সূর্য শ্যামলীকে দ্য গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারারের প্রধান হিসেবে রক্ষকের পদ উপহার দিয়েছে। এত বড় সম্মান পেয়ে ভীষণ খুশি হয়েছে শ্যামলী।

কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ২৯ মে (Kon Gopone Mon Bhesechhe Today Episode 29 may)*l

হেরে গেলো অপরাজিতা

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অপরাজিতা জোর করে অনিকেতকে ডিভোর্স পেপারে সই করতে বাধ্য করলে অনিকেত বাড়ি ছেড়ে চলে যাবার সিদ্ধান্ত নেয় কিন্তু সে স্পষ্ট জানায় এই ডিভোর্স সে দিতে পারবে না। এরপর মামনি আর কিছুই বলতে পারে না। অনিকেত শ্যামলীর কাছে গিয়ে তার সামনে ডিভোর্স পেপারটা ছিঁড়ে কুচিকুচি করে। এটা দেখে ভীষণ খুশি হয় শ্যামলী।

শ্যামলীকে মিষ্টিমুখ করালো অনিকেত

পরের দিন সকালে শ্যামলীর প্রথম অফিস। ঠাম্মি পুজো দিয়ে শ্যামলীর মাথায় ঠাকুরের ফুল ছুইয়ে দেয় আর তাকে অনেক শুভকামনা জানায়। অফিসে গিয়ে নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে যায় শ্যামলী। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে অনিকেত আর শ্যামলীকে নিজের হাতে এক টুকরো চকলেট খাইয়ে মিষ্টিমুখ করায় আর বলে এটাই তার পরিবারের রীতি। এই সবকিছু শ্যামলীর কাছে কেমন যেন স্বপ্নের মতন মনে হয়।

আরও পড়ুন: মেহেন্দির গায়ে হাত তুললো উৎসব! গোটা সংসারের দায়িত্ব মেহেন্দির হাতে তুলে দিল কৌশিকী মুখার্জী!

শ্যামলীর মাঝেই তিস্তাকে দেখলো তৃষা

এরপর শ্যামলী তার কাজে নেমে পড়ে। গাড়ি ভর্তি সমস্ত জিনিস পত্র ভালো করে দেখে নেয় আর তারপর প্রধান হিসেবে রক্ষক হিসেবে সই করে গাড়ি ছাড়ার সম্মতি দেয়। গাড়ি ছাড়তেই প্রচন্ড ধুলো ওড়ায় শ্যামলী আচল দিয়ে মুখটা ঢেকে নেয় আর ঠিক তখনই তার মুখটা চোখে পড়ে তৃষার। সে বুঝতে পারে শ্যামলী আর তিস্তার মধ্যে কোন বৈসাদৃশ্য নেই। অর্থাৎ শ্যামলীই হলো তিস্তা। বিষয়টা বুঝতে পেরেই চমকে যায় তৃষা।

 

Back to top button