জ্যাকিকে ধরতে গিয়ে নিজেই ফেঁ’সে গেল শ্যামলী! নিজের বাবাকে ব্যবহার করে নতুন খেলা শুরু করলো জ্যাকি
এখন জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় জমে উঠেছে নবাগত ধারাবাহিক কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। শুরু থেকেই ধারাবাহিকটি দর্শকমহলে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। এখনো এর জনপ্রিয়তা আরো উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধারাবাহিকের নায়িকাকে দুটি চরিত্র পালন করতে দেখতে পাচ্ছেন দর্শকমহল। যার ফলে ধারাবাহিকটি আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে নায়কের বোনকে বাঁচাতে উঠে পড়ে লেগেছে নায়িকা শ্যামলী।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, নায়ক অনিকেতের বোন প্রিয়া একটা অনেক বড় বিপদের মধ্যে জড়িয়ে পড়ে। তার কিছু আপত্তিজনক ভিডিও করে নেয় তারই এক সহপাঠী। এরপর সে সেই ভিডিও দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে প্রিয়াকে। প্রিয়া চাপে পড়ে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু শ্যামলী তাকে বাধা দেয়। এরপর শ্যামলী পরিকল্পনা করে প্রিয়ার কলেজের সেই ছেলেটিকে ফাঁদে ফেলার। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী সবাই নিজে নিজের কাজে লেগে পরে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শ্যামলী একটা দারুন প্ল্যান করে। সে বলে, “প্রিয়া দিদি তুমি ওর সামনে গিয়ে দাঁড়াবে আর আমরা আড়ালে থাকবো। তারপর আমি ওই ছেলেটাকে ফোন করবো। ও যেই নিজের ফোনটা বের করবে স্যার ফোন টা ছিনিয়ে নেবে।” প্রিয়া শ্যামলীর মাথা মতন সব কাজ করে। আর তাদের পরিকল্পনা সফল হয়। অনিকেত ছেলেটাকে ধরে ফোনটা নিয়ে নেয়। আর প্রতিম ভীষণ মার মারে ছেলেটাকে।
তারপর ফোন নিয়ে সোজা থানায় চলে যায় শ্যামলী অনিকেত প্রিয়া প্রত্যেকে। পুলিশ অফিসারকে তারা সবটা খুলে বলে আর অফিসার শুনে বুঝতে পারে এই ছেলেটা তাদেরই উচ্চপদস্থ অফিসারের ছেলে। তাই ফোনটা নিয়ে সবার আগে ছেলেটার বাবা অর্থাৎ তার স্যারকে ফোন করে অফিসার। সব শুনে সে তার ছেলেকে উপদেশ দেয় সে যেন কিছুদিনের জন্য গা ঢাকা দেয় গ্রামের বাড়িতে। কারণ এটাই একমাত্র বাঁচার উপায়। অন্যদিকে শ্যামলীরা বাড়ি ফিরে যায়। সবাই তার অনেক প্রশংসা করে।
এদিকে এবার জ্যাকির বাবা উল্টে প্রিয়ার নামে অভিযোগ করে আর বলে তার ছেলেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এবং তার সন্দেহ হচ্ছে এই প্রিয়াঞ্জলী মেয়েটার ওপর। অন্যদিকে ঠাম্মি অনিকেতকে শ্যামলীর নামে অনেক ভালো ভালো কথা বলে। আর ঠাম্মি শ্যামলীকে বলে সে যেন তিস্তা সেজে আরো একবার তার দাদু ভাইকে ফোন করে আর শ্যামলীর নামে ভালো ভালো কিছু কথা বলে। শ্যামলী ভাবে সে এত কিছু করছে তারপরেও স্যারের মন জয় করার জন্য অন্য কারো সাহায্য নিতে হবে! তবুও শ্যামলী তিস্তা সেজে ফোন করে অনিকেতকে আর দেখা করতে বলে।

