নেপোটিজমের ফসল! দেবচন্দ্রিমা, দিতিপ্রিয়াদের বেলায় নেই প্রচার! সৌমিতৃষাকে নিয়ে তুমুল আদেখলাপনা জনপ্রিয় চ্যানেলের

আগে বেশ কিছু ধারাবাহিকে অভিনয় করলেও জনপ্রিয়তা পান জি বাংলার (zee bangla) অন্যতম ধারাবাহিক মিঠাই(Mithai) এর মাধ্যমে। সেই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেন সৌমিতৃষা কুন্ডু (Soumitrisha Kundoo)। সেই সময় টিআরপির (trp) শীর্ষে ছিল মিঠাই ধারাবাহিক। প্রায় আড়াই বছর ধরে চলেছিল মিঠাই ধারাবাহিকটি। টানা ৫৪ সপ্তাহ বেঙ্গল টপার হয়েছিল টিআরপির লড়াইতে। এই পরিসংখ্যানে বলে দেয় দর্শকদের মাঝে কতটা জনপ্রিয় ছিল ধারাবাহিকটি।
ছোট পর্দায় এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন সৌমিতৃষা যে বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি বড়পর্দায় সুযোগ পাওয়ার জন্য। মিঠাই শেষ হতে না হতেই পেয়ে যান টলিউড সুপারস্টার দেবের বিপরীতে অভিনয়ের সুযোগ। প্রধান সিনেমার মাধ্যমে টলিউডের পা রাখেন সৌমিতৃষা। সে ছবি হিট হওয়ার সাথে সাথে দর্শকদেরও দারুন পছন্দ হয় দেব এবং সৌমিতৃষার জুটি। আপাতত মুক্তির অপেক্ষায় আছে সৌরভ দাসের বিপরীতে অভিনয় করা তার ১০ই জুন ছবিটি।
সাফল্যর সাথে সাথে সৌমিতৃষার অহংকারও বেড়ে গেছে বলে জোর গুঞ্জন শুরু হয় দর্শক মহলে। কিছু সাক্ষাৎকারেও সৌমিতৃষার মন্তব্য নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সৌমিতৃষা এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ” ছোট পর্দায় আমার মতো আর কেউ স্টার হতে পারবে কি না সন্দেহ”। এরপর থেকেই বলাবলি শুরু হয় যে সৌমিতৃষা অহংকারী হয়ে গেছেন।
এবার সৌমিতৃষাকে কেন্দ্র করেই স্টার জলসার দর্শকরা কটাক্ষ শুরু করেছে জি বাংলাকে। তারা রীতিমতো জি বাংলা চ্যানেলটিকে সৌমিতৃষার ‘কেনা হাতের পুতুল’ বলে সম্বোধন করছেন। ওটিটিতে প্রথমবারের জন্য আসতে চলেছেন সৌমিতৃষা। হইচইয়ে মুক্তি পেতে চলেছে তার ওয়েব সিরিজ ‘কালরাত্রি’। জি বাংলার নায়িকা হওয়ায় সৌমিতৃষার হয়ে প্রচার করছে জি বাংলা। এতেই চটেছেন কিছু স্টার জলসার দর্শকরা।
আরও পড়ুন: জি-এর নায়কগুলোর জীবনে দুমদাম করে ফিরছে প্রাক্তন প্রেম! ট্রোলের মুখে চ্যানেল!
একজন দর্শক লিখেছেন, “দেবচন্দ্রীমাদি হইচই এর ওয়েবে ফিরলো। শোলাঙ্কি পরপর দুটো হইচই এর ওয়েব সিরিজে মেইন লীডে ফিরলো। সন্দীপ্তাদি, রুকমা, দ্বিতিপ্রিয়া সহ কতজন ফিরলো। “আরকেজন দর্শক লিখেছেন,” ঝি আড্ডা কিন্তু এদের বেলায় পোস্ট দিলো না, ন্যাকুতৃষা টাকা দিয়ে পোস্ট করিয়েছে নাকি জানিনা কিন্তু ঝি আড্ডা যে সাধু সাজে, নিউট্রাল সাজে সেটা যে ফেক প্রমাণ করে দিলো।” এই ঘটনাগুলোই প্রমাণ করে ধারাবাহিক এবং কলাকুশলীরা সাধারণ মানুষের জীবনের সাথে কিভাবে জুড়ে গেছে।

