নিজের অজান্তেই অনির্বাণকে ভালোবেসে ফেলল রাই! গোপনে স্রোতের যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিল সার্থক!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত ধারাবাহিক গুলির মধ্যে দর্শকদের মনে এই কয়েকদিনের মধ্যেই বেশ গভীর একটা জায়গা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে আরাত্রিকা মাইতি অভিনীত মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকটি। আগের তুলনায় বর্তমানে টিআরপিতে একটু একটু করে নিজের জায়গা তৈরি করছে এই মেগা। ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকার জুটিকেও বেশ পছন্দ করেন দর্শক মহল।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, বেশ কিছুদিন ধরে একটি গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে দিন কাটাতে হচ্ছিল রাইকে। নিজেকে সৎ প্রমাণ না করা অবধি কোন কিছুতেই শান্তি পাচ্ছিল না সে। অবশেষে বাবার বন্ধু রঞ্জনদার সহায়তায় রাই নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়। এরপর সে তার অফিস ছেড়ে দেয়। অনির্বাণকে ইস্তফা পত্র ধরিয়ে দিয়ে সে সেখান থেকে বেরিয়ে আসে। এই গোটা বিষয়টা কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি অনির্বাণ। তাই সে সোজা চলে যায় রাইয়ের বাড়িতে।

রাইকে ফেরাতে নাছোড়বান্দা অনির্বাণ

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনেকক্ষণ ধরেই অনির্বাণ চেষ্টা করে রাইয়ের সাথে কথা বলার। কিন্তু রাইয়ের দাদা এবং মা দুজন মিলে অনির্বাণকে যা নয় তাই বলে কথা শোনাতে থাকে। বারবার নানারকম ভাবে অশ্লীল ইঙ্গিত করে তাকে ছোট করে এবং অসম্মান করে। শুধু রাইয়ের সাথে একবার কথা বলার জন্য অনির্বাণ কাউকে কিছু না বলে সবটা মুখ বুজে শুনতে থাকে। সে মনে মনে ভাবে, রাইয়ের মা আর দাদার মনে এত বিষ! কিভাবে রাই এদের সাথে বসবাস করে? রাই যে কেনো আসতে পারেনি সেদিন, সেটা খুব ভালো করেই বুঝতে পারে অনির্বাণ।

বসকে ভালো লেগে গেলো রাইয়ের

অন্যদিকে বউমনি রাইকে বোঝায়, আজ শুধুমাত্র অফিস ছেড়ে দিয়েছে বলে তার অফিসের বস তার বাড়িতে এসে অপমানিত হবে, এটা অত্যন্ত অনুচিত। রাই নিজের ভুলটা বুঝতে পারে আর তাড়াতাড়ি গিয়ে অনির্বাণের কাছে নিজের মা আর দাদার হয়ে ক্ষমা চায়। এরপর রাইয়ের মা আর দাদা সেখান থেকে চলে গেলে অনির্বাণ রাইকে বলে, তাকে অফিসে ফিরে যেতেই হবে। তার সাথে এত বড় অন্যায় হয়েছে তার প্রায়শ্চিত্ত করার সুযোগ অনির্বাণকে দিতে হবে। রাই অনেক অপমান করলেও অনির্বাণ যেতে চায় না। হঠাৎ করেই রাই নিজের বসের প্রতি অন্য রকমের টান অনুভব করে। রাই নিজেও বুঝতে পারেনা তার কেন এত খারাপ লাগছে অনির্বাণ এর জন্য।

আরো পড়ুন: ধারাবাহিক শেষ হতেই মিঠিঝোরায় আসছেন জনপ্রিয় নায়ক, খবর সামনে আসতেই খুশি দর্শকমহল

ঝামেলায় জড়িয়ে পড়লো স্রোত

এদিকে কলেজ থেকে দুই দিনের জন্য ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তার জন্য দেড় হাজার টাকার প্রয়োজন। কিন্তু স্রোত কোনোভাবেই টাকাটা যোগাড় করতে পারেনি। দিদির চাকরিটা নেই আর সে যা মাইনে পায় সেইসব পড়াশোনার কাজেই লেগে যায়। স্রোতের বন্ধুরা তাকে জিজ্ঞাসা করে কোনভাবেই কি টাকাটা যোগাড় করা সম্ভব নয়? ঠিক সেই সময় সেখানে চলে আসে পায়েল সহ অন্যান্য কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রী যারা স্রোতকে সহ্য করতে পারে না। তারা বলে স্রোত নাকি হার হাবাতে। দেড় হাজার টাকা তাদের মাসের হাত খরচ আর স্রোত এইটুকু জোগাড় করতে পারছে না এই বলে কটাক্ষ করতে থাকে তারা। পরিস্থিতি এতটাই হাতের বাইরে চলে যায় যে তাদের মধ্যে মারপিট লেগে যাওয়ার উপক্রম হয়। এমন সময় সার্থক স্যার এসে গোটা বিষয়টা শুনে অবাক হয়ে যায়।

Back to top button