শরীরে বাসা বাঁধলো মা’রণ রোগ! তবে কি এখানেই শেষ রাইয়ের যাত্রা?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত ধারাবাহিকগুলির মধ্যে এখন সবার সেরা হয়ে উঠেছে মিঠিঝোরা (MithiJhora)। টিআরপিতে প্রথম পাঁচে না থাকলেও দর্শকদের মনে একেবারে সবার প্রথমে জায়গা করে নিয়েছে এই ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। এই চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি। তার চরিত্রটি মন কেড়ে নিচ্ছে দর্শক মহলের। বর্তমানে জমে উঠেছে ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই আবারো সন্দেহের কারণ হয়ে উঠেছে ধারাবাহিকের নায়ক অনির্বাণ এর কাছে। নায়িকাকে সহ্য করতে পারছে না অনির্বাণ। রাগে পাগল হয়ে গিয়েছে সে। কখনো কান্নাকাটি করছে আবার কখনো ধিক্কার জানাচ্ছে। কি করবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না। রাই যতবার বলছে তার ওপর একটু ভরসা রাখতে, ততবার অনির্বাণ আরো বেশি করে অবিশ্বাসী হয়ে উঠছে। আর তার এই অবিশ্বাসের আগুনে ঘি ঢেলে চলেছে তার মা সোহিনী।

MithiJhora, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, মিঠিঝোরা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 7 August মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৭ আগষ্ট, মিঠিঝোরা আজকের পর্ব

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২৯ আগষ্ট (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 29 August)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই ঠিক করে সে স্রোতের সাথে দেখা করে তাকে সবকিছু বলবে। কারন এই মুহূর্তে তার একমাত্র ভরসা স্রোত। সময়মতো স্রোত তার দিদির অফিসের ক্যান্টিনে চলে আসে। সেখানে রাই তার সমস্ত টেস্ট রিপোর্ট স্রোতের হাতে তুলে দেয়। রাই স্পষ্ট ভাবে জানায়, এই সন্তান আসার বিষয়টা একেবারেই সত্যি নয়। কারণ সেরকম কোন সম্পর্ক তাদের মধ্যে কখনো তৈরি হয়নি। স্রোত মনে মনে বুঝতে পারে যে তার দিদি ভাইয়ের ঠিক কি হতে পারে। যখন রাই জিজ্ঞাসা করে, তার কঠিন কিছু হয়নি তো? স্রোত বিষয়টা এড়িয়ে যায় আর সমস্তটা তার উপর ছেড়ে দিতে বলে। স্রোতকে সবটা বলার পর কিছুটা নিশ্চিন্ত হয়ে নিজের কাজে ফিরে যায় রাই।

আঙ্কেলের কথায় ভরসা পেল স্রোত

এরপর স্রোত সোজা চলে আসে আঙ্কেলের কাছে অর্থাৎ তার সার্থক স্যারের বাবার কাছে। আঙ্কেল স্রোতকে বলে, একজন ডাক্তার হিসেবে কান্নাকাটি করা বা ভয় পেয়ে যাওয়াটা স্রোতের কাছে মোটেই কাম্য নয়। ভবিষ্যতে তাকে তার পরিবারের মানুষ জনদের চিকিৎসা করতে হতেই পারে আর সে ক্ষেত্রে অনেক বাধা-বিপত্তিও আসতে পারে যেগুলো তাকেই সামলে উঠতে হবে। স্রোত এরপর নিজেকে শক্ত করে, সে আঙ্কেলকে বলে, তার দিদি ভাইয়ের জরায়ুতে টি’উমার জাতীয় বা ক’র্কট রোগ জাতীয় কিছু একটা হতে পারে। যদি সেটা হয় তাহলে খুব ভয়ং’কর কান্ড হবে। ডক্টর উজ্জ্বল সেনগুপ্ত স্রোতকে দুশ্চিন্তা করতে বারণ করে। সে বলে, সে কিছু টেস্ট লিখে দিচ্ছে সেটা তার দিদিভাই যেন করে নেয় আর তারপর তার দিদি ভাইকে নিয়ে তারা একজন সার্জেনের কাছে যাবেন।

আরও পড়ুন: সফল কমলিনীর প্ল্যান! মধুবনীর হাত ধরে বাড়ি ছাড়ল মিহি! এবার কী করবে ঋক?

এদিকে অনির্বাণ নিজের মনের মধ্যে চলতে থাকা অশান্তিরে আ’গুন উগরে দিতে চলে আসে শৌর্যের অফিসে। সেখানে গিয়ে আবারো অনেক নোংরা নোংরা মন্তব্য করে অনির্বাণ। তার মধ্যে যে রাইকে নিয়ে এতোটুকু নিশ্চয়তা নেই বা ভরসা বিশ্বাস নেই সেটা সে আবারো প্রমাণ করে। যে সহজ জিনিসটা সবাই দেখতে পাচ্ছে অনির্বাণ সেটা দেখতে পাচ্ছে না। শৌর্য রাইকে অন্য ডাক্তার দেখানোর কথা বললে অনির্বাণ স্পষ্ট জানায়, সে রাইকে বের করে দেবে নাকি ডাক্তার দেখাবে সেটা তার ব্যাপার। যত দিন যাচ্ছে নায়ক হওয়ার মর্যাদা হারিয়ে ফেলছে অনির্বাণ।

Back to top button