সুখের মুখ দেখার আগেই ইশার নতুন চাল, মশলায় ভেজাল মেশানোর অপরাধে গ্রেফতার সৃজন, দোকানে পড়লো তালা!

জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের একান্নবর্তী পরিবার অর্থাৎ দত্ত পরিবারের চলছে শনির দশা। একের পর এক বিপদে জর্জরিত হচ্ছে পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্য। প্রথমে ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণার মর্ফ ফটো তৈরি করে তাকে অপদস্ত করা, শাড়ির কথার গোডাউনে আগুন ধরিয়ে গোটা ব্যবসাটাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া আর এইবার সৃজনের জেঠুর স্বনামধন্য দোকান বরবাদ করে দেওয়া।

আরো পড়ুন:বলি ক্যুইনের সাথে অভিনয় ছোটপর্দার “অর্চি বাবু”র! হিন্দি সিরিয়ালের ভিলেনের পর কঙ্গনার সহকর্মী ঋষি কৌশিক!

 

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা সৃজনের জেঠু অর্থাৎ অখিলেশ দত্তের কাছে অনুরোধ করে সৃজনকে ব্যবসায় পার্টনার হিসেবে যুক্ত করার জন্য। নিজের ছেলের মতন ভাইপোর এমন দুর্দিনে মুখ ঘুরিয়ে থাকতে পারেননি জেঠু। তাই এই অনুরোধ তিনি রাখেন। তবে সেটাই বোধহয় তার জীবনের সবথেকে বড় কাল হয়ে দাঁড়ালো। বেশ ভালোভাবেই দোকান চালাচ্ছিল সৃজন। কিন্তু এটা সহ্য হলো না ইশার।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সৃজন দোকানে খালি পেটে কাজ করছে দেখে, নিজের হাতে খাবার গুছিয়ে সৃজনের জন্য নিয়ে যায় পর্ণা। শুধু তাই নয়, সৃজনকে নিজের হাতে খাইয়েও দেয় সে। আগের তুলনায় সৃজন অনেকটা চিন্তা মুক্ত হয়। আবার পর্ণা সৃজনকে আদর্শ স্বামী হিসেবে গড়ে তুলতে সফল হয়। এই দিন বাড়ি ফেরার সময় সৃজনের পকেট মারি হয় আর তার থেকে দোকানের চাবিটা চুরি করে নেওয়া হয়। বাড়ি ফিরে সৃজন সবটাই জানায় পর্ণাকে।

পর্ণা বুঝতে পেরেছিল এটা কোন সাধারণ বিষয় নয়। আর এমনিতেই তাদের সময় খুব খারাপ যাচ্ছে তাই কোন রকম ঝুঁকি না নিয়ে তখনই তালা বদলাতে ছোটে তারা। কিন্তু ততক্ষণে ইশা এবং তার পোষা গুন্ডারা পৌঁছে গিয়েছে দোকানে। তারা সমস্ত মশলার মধ্যে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল মিশিয়ে দেয়। আর পর্ণা আসার আগেই নিজের কার্যসিদ্ধি করে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। পর্ণা এসে সবটা ভালো করে পর্যবেক্ষণ করে নেয় কিন্তু কোনো সন্দেহ জনক কিছু দেখতে পায় না।

 

পরের দিন সৃজন দোকানে তার কাজ সামলায় আর আগের দিনের মতোনই পর্ণা সৃজনকে খাবার দিতে আসে। ঠিক তখনই কিছু লোকজন তাদের দোকানে ঢুকে পড়ে আর তাদেরকে বলে, “আমাদের কাছে খবর আছে আপনাদের দোকানের মশলায় ভেজাল মেশানো আর সেটা পরীক্ষা করতেই আমরা এসেছি।” পরীক্ষা করতেই তারা বুঝতে পারে, মশলার মধ্যে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল মেশানো রয়েছে। তো সময় নষ্ট না করে তারা সৃজনকে অ্যারেস্ট করে। আর দোকান ভাঙচুর করে তাদের তালা মেরে দেওয়া হয়। পর্ণা কি করবে কিছুই ভেবে উঠতে পারেনা। দোকানের সামনে রাস্তায় বসে অসহায়ের মতো কান্নাকাটি করতে থাকে সে। আড়াল থেকে ইশা বলে, “আজ তুই একা রাস্তায় বসেছিস কাল তোর গোটা পরিবার রাস্তায় বসবে। প্রত্যেকটা চড়ের গুনে গুনে বদলা নেব আমি।”

Back to top button