“আমি নিজের ছায়াকেও বিশ্বাস করি না, কিন্তু তোকে করলাম”- পর্ণার অনুরোধে জেঠুর পার্টনার সৃজন, জ্বলে পুড়ে গেল অয়ন মৌমিতা

একটা পরিবারে যতই ঝামেলা হোক না কেন যখন বিপদ আসে তখন বোঝা যায় কে কতটা কাছের। জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকে বর্তমানে সৃজন পর্ণার জীবনে নেমে এসেছে চরম বিপদ বেকারত্ব ঘিরে ধরেছে সৃজনকে। ঠিক এমন একটা সময় তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে জেঠু অর্থাৎ অখিলেশ দত্ত।
আরো পড়ুন:সবার অলক্ষে বিয়ে সেরে ফেললেন শ্বেতা! তবে রুবেলকে ছেড়ে কাকে বিয়ে করলেন অভিনেত্রী?
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা সৃজনের মিলিত প্রচেষ্টায় তিলে তিলে গড়ে ওঠার শাড়ির কথাকে একেবারে মাটিতে মিশিয়ে দেয় ইশা। এরপর থেকেই একটু একটু করে ভেঙে পড়ে সৃজন। সে বেকার হয়ে গিয়েছে এই বিষয়টা কিছুতেই মেনে নিতে পারেনা মন থেকে। আর এভাবে ডিপ্রেশনে চলে যায় সৃজন। সেখান থেকেই তাকে বের করে আনার জন্য পর্ণা জেঠুর কাছে সৃজনকে পার্টনার হিসেবে রাখার অনুরোধ করে।
জেঠুর সাথেই বোধহয় সবথেকে বেশি সমস্যা হয়েছে পর্ণার। জেঠুর অপছন্দের পাত্রীর সাথেই তার ছেলের বিয়ে দিয়েছে সে। এরপরেও পরিবারের কারুর বিপদে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার মতন মানুষ অখিলেশ নয়। আর সেটাই সে আরো একবার প্রমাণ করল। এর আগেও একবার সৃজনকে পুলিশের হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন এই জেঠু, আর এইবার সৃজনকে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ার হাত থেকে বাঁচালেন তিনি।
প্রথমে সৃজন এটা শোনার পর রাজি হতে চায়নি। কারণ জেঠুর সবকিছুর ওপর অধিকার রয়েছে তার ছেলে বৌমার এছাড়াও তাদের সঙ্গে বরাবর কম্পিটিশন লেগে ছিল সৃজনের। কিন্তু পর্ণা সৃজনকে বোঝায়, এই কাজটা তাকে সারা জীবন করতে হবে না। শাড়ির কথাকে তারা আবার দাঁড় করাবে। তখন আর মসলার দোকানে বসতে হবে না তাকে। এই মুহূর্তে যদি কোন একটা কাজে সে না ঢোকে, তাহলে ধীরে ধীরে ডিপ্রেশনে চলে যাবে আর তাতে হিতে বিপরীত হবে। পর্ণাকে এতটা অবহেলা করার পরেও যে সে সৃজনের জন্য এতটা ভেবেছে সেটা দেখে তাকে বুকে টেনে নেয় সৃজন।
View this post on Instagram
জেঠু নিজে দোকানের আরও একটা চাবি সৃজনের হাতে তুলে দেয় আর বলে, “যদিও এতে অনেকের আপত্তি ছিল কিন্তু আমি কারোর কথা শুনিনি। মনে রাখিস এই অখিলেশ নিজের ছায়াকেও বিশ্বাস করে না কিন্তু তোকে করে, তাই ভালো করে দোকান সামলাবি”। জেঠুর কথায় খুব খুশি হয়ে যায় সৃজন। এরপর দোকানে চলে যায় তারা। সেখানে গিয়ে জেঠু সৃজনকে সবকিছু বুঝিয়ে দেয়। অন্যদিকে ইশা জেলে গিয়ে রনির সঙ্গে আবার অনিষ্ট করার একটা প্ল্যান বানাতে থাকে। এইবার তাদের টার্গেট মসলার দোকান। কোনভাবেই সৃজনকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেবে না তারা এমনটাই প্রতিজ্ঞা করেছে ইশা। পর্ণা শাড়ির কথা বাঁচাতে পারিনি। সে কি পারবে জেঠুর মসলার দোকানকে অক্ষত রাখতে?

