ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে সৌর্যের মুখোমুখি রাই! অনির্বাণের কথায় রাইয়ের বাড়ি হাজির সর্মি!

জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকটি একটু একটু করে জনপ্রিয়তা প্রাপ্তির পথে এগোচ্ছে। চলতে সপ্তাহে টিআরপিতে বেশ ভালো একটা নম্বর পেয়ে চ্যানেলের মুখ উজ্জ্বল করছে এই নবাগত ধারাবাহিক। ধারাবাহিকের গল্প এখন বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এখানে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে সবার প্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতিকে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, বিরাট অপমানের সম্মুখীন হয়ে রাই নিজের চাকরিটা ছেড়ে দেয়। অনির্বাণের অনুরোধ রাইকে আটকাতে পারে না। তাই অনির্বাণ রাইকে মাইনে দেওয়ার পাশাপাশি আরো অতিরিক্ত কিছু টাকা দেয়। রাই কিছুতেই অনির্বাণের দেওয়া অতিরিক্ত টাকা নিতে চায় না। এদিকে অনির্বাণ টাকাটা রাইয়ের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে চায়।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ১৬ মে (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 16 may)
রাইয়ের বিষয়টা জেনে গেলো অনির্বাণের বোন
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণ রাইকে বোঝানোর চেষ্টা করে ওই টাকাটা নিলে সে অনেকটা শান্তি পাবে। রাই বলে, তার অপমান, মান সম্মানের দাম ওই কটা টাকা নয়। তাই ওটা নিয়ে সে নিজেকে আরো ছোট করতে পারবে না। কথাবার্তা শুনে সর্মি বুঝতে পারে, এই রাই হচ্ছে অনির্বাণের মনের মানুষ। আর অনির্বাণকে বিয়ে দিতে হলে এই রাইয়ের সাথেই দেখা করতে হবে। সে রাইকে ফোন করে তার সাথে দেখা করতে চায়।
কোনভাবেই বাবাকে ক্ষমা করবে না সার্থক
এদিকে দেখা যায় সার্থকের বাড়িতে চলে এসেছে তার পিসিমণি। তিনি চান সার্থক যেন তার সন্তানের বিয়েতে উপস্থিত থাকে। সার্থক আর তার বাবা অর্থাৎ নিজের ভাইকে বিয়ের সমস্ত কাজে পাশে চান তিনি। সার্থক বলে, সে যেতে পারবে না। আসল বিষয়টা হচ্ছে সার্থক চায়না তার বাবা যে আনন্দ অনুষ্ঠানে রয়েছে সেই একই অনুষ্ঠানে সার্থক উপস্থিত থাকুক। সার্থকের বাবা বলে, একদিন হয়তো ওর পাষাণ হয়ে যাওয়া মনে ফুল ফোটাবে। একদিন হয়তো সবকিছু সত্যিই বদলে যাবে।
আরও পড়ুন: সকলকে পিছিয়ে ফেলে টিআরপি টপার কথা! রোশনাই আসতেই প্রথম পাঁচ থেকে বেরিয়ে গেল কোন গোপনে মন ভেসেছে! দারুন ফল জলসার
রাইয়ের সাথে কথা বলতে চায় সৌর্য
এদিকে রাই বাড়িতে বসে না থেকে আরো একটা অফিসে ইন্টারভিউ দিতে চলে আসে। যেখান থেকে বেরিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তার সাথে দেখা হয় তার বোনের স্বামী অর্থাৎ সৌর্যের। সে রাইকে ইন্টারভিউ দিতে দেখে অবাক হয়ে যায়। জিজ্ঞাসা করে, এত ভালো একটা চাকরি সে কেন ছাড়লো? তার মনে হয় রাই হয়তো কোনভাবে কারোর কুনজরে পড়েছিল। এই নিয়ে রাইয়ের সঙ্গে সে বসে কথা বলতে চায় কিন্তু রাই তার কোন কথা শুনতে চায় না। উল্টে সে বলে, তার বোনের স্বামীর সঙ্গে কোন কথা থাকতে পারে না।

