বাজিমাত করলো শৌর্য! মাতলামি করতে করতে সব বলে দিল নীলু!

অনেক সময় যে কাজটা বকে ধমকে করানো যায় না, ভালো কথায় খুব সহজেই সেই কাজগুলো হয়ে যায়। কথার মার প্যাঁচ জানলে অনেক দাগি আসামিদের পেট থেকেও অনেক গোপন তথ্য বের করে নেয়া যায়। আর এই কাজে বেশ প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের প্রথম নায়ক শৌর্য।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই আর অনির্বাণ বেশ কিছুদিন যাবত আলাদা রয়েছে। তাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে পাহাড় প্রমাণ দূরত্ব। এই দূরত্ব কমাতে এবং নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে মাঠে নেমে পড়েছে শৌর্য। শুরু করে দিয়েছে তার খেলা। প্রথম দান হিসেবে নীলুকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছে শৌর্য। মিষ্টি এতে রাজি হতে না চাইলেও নন্দিতা বেশ শান্তি পায়। কারণ নিজের দুই বিবাহিত মেয়ে এভাবে বাড়িতে বসে রয়েছে এটা সে আর মেনে নিতে পারছিল না।

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ২৫ জুলাই (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 25 July)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শৌর্য নীলুর জন্য বাড়ির সবার সঙ্গে রীতিমতো লড়াই করে। কারণ নীলু যা যা করেছে তারপর তাকে তার শ্বশুরবাড়িতে আর কেউ মেনে নিতে চায় না। সবাই বলে তাকে এই বাড়িতে নিয়ে এসে আবার অনেক বড় ভুল করেছে শৌর্য। কিন্তু এসব কথায় একেবারেই কর্ণপাত করে না শৌর্য। উল্টে নিজের মা-বাবা, দাদা, বৌদির সঙ্গে তর্ক-বিতর্কের মধ্যে দিয়ে নীলুর এই বাড়িতে থাকাটাকে নিশ্চিত করে। শৌর্য তার জন্য এতটা করছে এটা দেখে নীলু মনে মনে ঠিক করে এরপর থেকে আর কোনদিনও কোন ভাবে সে ঠকাবে না শৌর্যকে।
এরপর রাত হলেই যখন নীলু শৌর্যর কাছে এসে বসে তখন শৌর্য একটা মদের বোতল নিয়ে আসে। সে বলে, আজকের এই দিনটা তারা উদযাপন করবে আর নতুন করে তাদের পথ চলা শুরু করবে। নীলু প্রথমে বেশ অবাক হলেও পরে তার ভালই লাগে। এরপর শৌর্য ইচ্ছে করে নীলুকে অনেকটা নেশা করিয়ে দেয়। তারপর নিজে বানিয়ে বানিয়ে নিজের জীবনে অনেক গোপন তথ্য নীলুর সাথে ভাগ করে নেয়। নীলুও বোকার মতন সমস্ত কথা বলে দেয় শৌর্যকে। সে দিদির বিয়ে আটকাতে ঘুমের ওষুধ খেয়েছিল এই কথাটাও আর গোপন থাকে না শৌর্যর কাছে।
আরও পড়ুন: আহিরের পর্দাফাঁস! ঈশার মুখে ঝামা ঘষে অপরাধীকে শাস্তি দিলো পর্ণা
ছবি পাঠানোর বিষয়টা স্বীকার করে নেয় নীলু
এরপর আসল দান দেয় শৌর্য। সে বলে, যে ওই ছবিগুলো পাঠিয়ে অনির্বাণ আর রাইয়ের সম্পর্কটা ভেঙে দিয়েছে তাকে সে একবার হলেও সামনে থেকে ধন্যবাদ জানাতে চায়। সে একেবারে তার মনের ইচ্ছেটা পূরণ করে দিয়েছে। নীলু তখন মনে মনে ভাবতে থাকে, শৌর্য তার মানে এই বিষয়টাতে খুশিই হয়েছে। তাহলে সে যদি বলে দেয় এই কাজটা তার ছিল তাহলে শৌর্য আরো বেশি খুশি হবে। এই বলে সে শৌর্যকে বলে, এই কাজটা তার। শৌর্য আগের থেকেই এটা আন্দাজ করতে পেরেছিল। তবে এত তাড়াতাড়ি স্বীকার করে নিতে পারবে সেটা ভাবতে পারেনি। সবটা শুনে মাথা থেকে পা অবধি রাগে জ্বলতে থাকে শৌর্য। কিন্তু কোনরকম প্রতিক্রিয়া দেখায় না। অবশেষে সবটা পরিষ্কার হয়ে যায় তার কাছে।

