তিতিরের মুখ থেকে সবকিছু জানতে পেরে অবাক হয়ে গেল সোমরাজ!
দেবী এবং সোমরাজের সামনে এলো তিতির, তার মুখে সবকিছু শুনে অবাক সোমরাজ!

বর্তমানে বাংলা ধারাবাহিকের চ্যানেলগুলিতে বসেছে ধারাবাহিকের মেলা। আর এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে মন দিতে চাই (Mon dite chai)। ধারাবাহিকটি শুরু হওয়ার পর থেকেই বেশ নজর কেড়েছিল দর্শকদের। ধারাবাহিকের নায়ককে নির্দোষ প্রমাণ করতে নিজেই বিপদের মুখে ঝাঁপ দিয়েছে নায়িকা তিতির। সোজা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে চলেছে সে।
এদিনের পর্বে দেখা যায় ঝুলন নিয়ে মেতে আছে তিতিরের শ্বশুর বাড়ি। এদিকে ঝুলনের দোলনা হঠাৎ ভেঙে পড়ায় বেশ মন খারাপ সোমরাজের ঠাম্মার। সেই সময় ফোন করে তার ছেলে সুজয়। ফোন করেই তিতিরের খবর জানতে চায় সে। অনেকক্ষণ ধরেই তিতির কে পাওয়া যাচ্ছে না কথাটা শোনার পরে মালিনীর উপরে সন্দেহ হয় তার।
অন্যদিকে তিতিরের খোঁজ করতে করতে দেবীর বাড়ি পৌঁছে যায় সোমরাজ। সেখানে গিয়ে সোমরাজ জানতে পারে তিতির সেখানে যায়নি আর তিতিরের ওয়ার্কশপের নাম্বারও তার কাছে নেই। দেবী বলে তাদের এবার পুলিশের সাহায্য নেওয়া উচিত। এই শুনে তিতিরের কথা ভেবে বেশ ভয় পেয়ে যায় সোমরাজ। দেবী জানায় তিতির তাকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্যই ছোটাছুটি করছে।
অন্যদিকে দেখা যায় মালিনী তিতিরের সামনে বসে বসে বাঁকা হাসি হেসে তিতিরকে নিয়ে উপহাস করছে। সে তিতিরকে বলছে, “আমি তোমার উপর নজর রেখেছিলাম, তুমি যে সব জানো সেটা আমি প্রথম থেকেই জানতাম।” এরপর তিতির জল চাইলে জলটুকুনিও খেতে দেয়নি মালিনী। তিতিরকে মারার অর্ডার দিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যায় সে।
তিতিরকে মারতে এলে তিতির তাদের ধাক্কা মেরে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। কিন্তু তিতিরের শরীর তার সাথ দেয় না। তাই টলতে টলতে কোনমতে সেখান থেকে বেরিয়ে আসে তিতির। সে ভেবে পায় না কোন দিকে গেলে সে বাঁচতে পারবে। এরপর রাস্তায় ছুটতে থাকে সে। আর ছুটতে ছুটতে সোমরাজের গাড়ির সামনেই পড়ে তিতির। দেবী তাকে দেখেই চিনে যায়। এরপর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। জ্ঞান ফিরতেই তিতির যদি মুখ খোলে তাহলে কি সোমরাজ বিশ্বাস করবে তার কথা?
View this post on Instagram

