“আমার কঠিন সময় প্রথমে পাশে ছিল সোলাঙ্কি”, মেঘলা অনুরাগের জুটি আগের থেকেও গভীর হয়েছে, তাদের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন বিক্রম

সালটা ছিল ২০১৫। বাংলা ধারাবাহিকের অত্যন্ত জনপ্রিয় জুটি বিক্রম চট্টোপাধ্যায় এবং শোলাঙ্কি রায়ের ছোট পর্দায় অত্যন্ত সাবলীল রসায়ন ‘ইচ্ছেনদী’তে দর্শকরা বহুদিন উপভোগ করেছে। চরিত্র দুটির নাম ছিল অনুরাগ-মেঘলা। এবার বড় পর্দায় দেখা মিলবে এই জনপ্রিয় জুটির। বৃহস্পতিবার শরৎ বোস রোডের রেঁস্তোরায় পরিচালক অরিত্র সেনের আগামী ছবি ‘শহরের উষ্ণতম দিনে’ ছবির ট্রেলার লঞ্চ হয়ে গেল। শহরের বুকে প্রেম-বন্ধুত্ব এবং পুরনো স্মৃতির উদযাপন দেখতে পা রথবে দর্শকরা বিক্রম-শোলাঙ্কির এই ডেবিউ ছবিতে।
দেখতে দেখতে স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ইচ্ছেনদী’ ৮ বছর পূর্ণ করল। একই সঙ্গে পূর্ণ হল বিক্রম চট্টোপাধ্যায় এবং শোলাঙ্কি রায়ের বন্ধুত্ব। ছোট পর্দার সেই পুরোনো জুটি, পুরনো রসায়ন তাঁরা আবার নতুন করে বড় পর্দায় ফিরিয়ে আনছেন ‘শহরের উষ্ণতম দিনে’ ছবিটির মাধ্যমে। এতদিন পর আবার কাজ, কেমন ছিল অভিজ্ঞতা, কেমন হল বন্ধুত্ব যাপনের দিনগুলো?
এতদিন পর আবারও একসঙ্গে এক ফ্রেমে কেমন লাগছে? উত্তরে বিক্রম মশকরা করে বলেন, ‘অসহ্য। ওর সঙ্গে এতটা সময় কাটানো মুখের কথা নাকি!’ বন্ধুর এমন কথা শুনে মোটেই খোঁচা দিতে ছাড়লেন না শোলাঙ্কি, বললেন ‘তবু তো সেই আমার সঙ্গেই সময় কাটাতে হচ্ছে!’
কোন গল্প ফুটে উঠবে ‘শহরের উষ্ণতম দিনে’ ছবিটিতে? বিক্রম-শোলাঙ্কি জানালেন ‘এটা একটা মিষ্টি প্রেমের গল্প। আমরা চেয়েছিলাম জুটিতে ফিরলে ‘ইচ্ছেনদী’র সেই রসায়ন যেন দর্শকরা পান। এই ছবিতে উঠে আসবে অনিন্দিতা আর ঋতবানের কথা। এদের সঙ্গে সবাই মিল পাবেন। অনিন্দিতা পেশায় আরজে। আর ঋতবান একজন পিএইচডি স্কলার। তাঁর নেশা ছবি তোলা। একই সঙ্গে কলকাতাও।
View this post on Instagram
বন্ধুত্বের আট বছর পার। তখন আর এখনের মধ্যে ফারাক কী কী? উত্তরে বিক্রম বলেন, ‘আমরা যখন ‘ইচ্ছেনদী’ করছি তখন ও সবে কাজ শুরু করেছে। খুব ছটফটে ছিল। এখন অনেক শান্ত হয়েছে। আমাদের দুজনের আট বছরের বন্ধুত্ব। একে অন্যের ওঠা পড়ায় সবসময় পাশে থেকেছি। আমার যখনই কোন সমস্যা হতো সব সময় আর সবার আগে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে শোলাঙ্কি। আবার ঝগড়া করে মাস খানেক কথা বন্ধ রেখেছি। এখন আমাদের ঝগড়া হলে কেউ পাত্তা দেয় না জানে ঠিক হয়ে যাবে।’ অন্যদিকে শোলাঙ্কি বলেন, ‘বিক্রম আগে যেমন পাকা ছিল এখনও তাই আছে। তবে আমাদের এতদিনের বন্ধুত্ব তো, এখন একে অন্যকে বুঝি। বয়স বেড়েছে যেমন আমরাও পরিণত হয়েছি তেমন।’

