অপরাজিতার দেওয়া বিয়ের প্রস্তাবের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালো তিস্তা! ছদ্দবেশী ছোট কাকিকে চিনে ফেলল অপলা!

 বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় একটু একটু করে নিজের রাজত্ব তৈরি করছে কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকটি। কয়েক মাস হলো শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিক। এর মাঝেই দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে এই মেগা। টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচেই থাকে এই ধারাবাহিকটি। এই ধারাবাহিকে নায়িকা হিসেবে দেখা যাচ্ছে শ্বেতা ভট্টাচার্যকে।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, একা একটা সাধারণ মেয়ে হয়ে, অনেকের সমর্থন ছাড়াই কেবল বুদ্ধি এবং নিজের ইচ্ছে শক্তির জোরে একাধিক বার নিজের শুরুর বাড়িকে অনেক বড় বড় সব বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেছে ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলী। যার ফল স্বরূপ আজ সে পরিবারে সেই সম্মানটা পাচ্ছে। কিন্তু সবাই তার ভালো চায় না। অনেকেই চেষ্টা করে চলেছে তাকে বিপদে ফেলার। তার উপর অপরাজিতা তিস্তার বাড়ির লোকজনদের সাথে দেখা করতে উঠে পড়ে লেগেছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, প্রিয়া তার মা এবং মামাকে একেবারে অন্যরকম ভাবে সাজিয়ে দিচ্ছে। প্রিয়ার মা বেশ ভয় পেয়ে রয়েছে। কারণ সে তার দিদি ভাইকে খুব ভালো করে চেনে। একবার যদি সবটা ধরে ফেলে তাহলে আর বাঁচার কোন উপায় থাকবে না। অনেক বড় সমস্যা হয়ে যাবে তাদের। তাদের আর জোড়া বাড়িতে ফেরা হবে না। কিন্তু ঠাম্মি তাদের মনে ভরসা যোগায়। সে বলে তাদেরকে খুব খতিয়ে না দেখলে চেনা যাবে না। আর যেটুকু বোঝা যাচ্ছে সেটুকুও তাদেরকে অভিনয় দিয়ে মুছে ফেলতে হবে। সব শুনে তারা একটু শান্ত হয় আর তারপরেই হঠাৎ করে বাড়ির কলিং বেল বেজে ওঠে। দিদিভাই অর্থাৎ অপরাজিতা চলে এসেছে এটা ভেবে আবারও ভয় পেয়ে যায়, তারা দুজনে।

বিয়ের প্রস্তাব দিল অপরাজিতা

অপরাজিতা এসে তিস্তার পরিবারের সদস্যদের সাথে আলাপ করে। সে অতটা ভালোভাবে দেখেনি যে এই সাজানো-গোছানো চেহারার পেছনে আসলে রয়েছে তারই নিজের ছোট জা। কিন্তু অপলা বলে, তাদেরকে বেশ চেনা চেনা লাগছে তার। যদিও কথায় কথায় এই বিষয়টাকে চাপা দিয়ে দেয়, প্রিয়ার মামা। এরপর শুরু হয় আসল কথাবার্তা। অপরাজিতা বলে সে তার বড় ছেলে অনিকেতের বউ হিসেবে তিস্তাকে নিয়ে যেতে চায়। সে আরো বলে অনিকেত নাকি শ্যামলীর থেকে মুক্তি চায়। এসব শুনে আকাশ ভেঙ্গে পড়ে শ্যামলীর মাথায়। সে অপরাজিতাকে বলে, যদি অনিকেত নিজে সেই কথা বলে তাহলে সে ভেবে দেখতে পারে।

আরও পড়ুন:সুইটিকে জব্দ করল আশ্রমের মহারাজ! বিপদমুক্ত হতে ইশার সাথে মিলে নতুন প্ল্যান করলো অয়ন মৌমিতা

কঠিন সিদ্ধান্ত নিল শ্যামলী

অপরাজিতা আর অপলা সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর ঠাম্মি বলে শ্যামলীর কি দরকার ছিল এই কথাটাকে বাড়ানোর? এখানেই তিস্তার অধ্যায় শেষ হয়ে যেতে পারত। শ্যামলী বলে, অপরাজিতা যখন এত বড় একটা কথা বলতে পেরেছে তার মানে সে নিশ্চয়ই স্যারের মনের কথা বুঝতে পেরেছে। শ্যামলীকে যদি একসাথে থাকতেই হয় তাহলে স্যারের মনের কথা জানাটা তার জন্য খুব জরুরি। তারপর সে সিদ্ধান্ত নেবে আদৌ থাকবে নাকি থাকবে না।

Back to top button