মিথ্যে বিয়ের নাটক করে মন্দারকে উচিত শাস্তি দিলো শ্যামলী! সুস্থভাবে ফিরে এলো অনিকেত!

মনে প্রাণে সারা জীবনের জন্য অনিকেতকেই নিজের স্বামীর জায়গা দিয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দার সম্প্রচারিত কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকটির নায়িকা শ্যামলী। তাই সে কোন ভাবে অন্য কাউকে কোনদিনও বিয়ে করতে পারবে না। বর্তমানে বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে ধারাবাহিকের গল্প। তাই টিআরপি তালিকাতে প্রথম পাঁচে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিকের নাম।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, অনেক দর্শক হয়তো ভেবেছিলেন শ্যামলীর সাথে মন্দারের বিয়ে হয়ে গেলে ধারাবাহিকের গল্প অনেকটাই বদলে যাবে। আগের দিনের পর্ব দেখে বেশ হতাশ হয়েছিলেন দর্শক মহল। তবে এই পর্বে তাদের সব হতাশা নিজের বুদ্ধি দিয়ে দূর করে দিতে চলেছে ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলী। বুদ্ধি থাকলে অনেক কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করা সম্ভব কথাটা আরো একবার বুঝিয়ে দিলো এই ধারাবাহিকের নায়িকা।
কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ১৮ জুন (Kon Gopone Mon Bhesechhe Today Episode 18 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর অনিকেতের মুখে জোর করে খাবার গুঁজে দেওয়ার চেষ্টা করে মন্দার। তারপর শ্যামলীকে বাধ্য করে সেই একই কাজ করতে। শ্যামলী গলার মালা ছুঁড়ে ফেলে দেয় আর মন্দারকে বলে সে যেন স্যারকে ছেড়ে দেয়। মন্দার তখন বেঁকে বসে। সে বলে, ওর বাড়ির লোক যখন ওকে খুঁজতে আসবে তখনই পেয়ে যাবে আলাদা করে ওর বাঁধন মন্দার খুলবে না। এই বলে শ্যামলীকে টানতে টানতে সেখান থেকে নিয়ে বেরিয়ে যায়।
মন্দারকে শাস্তি দিলো শ্যামলী
গাড়িতে ওঠা মাত্রই শ্যামলী ছটফট করতে থাকে। সে বারবার মন্দারকে অনুরোধ করে, যেন দয়া করে সে স্যারকে ছেড়ে দেয়। কথার খেলাপ করায় শ্যামলী খোপার কাঁটা মন্দারের গলায় বিধিয়ে দেয়। তারপর গাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে সোজা স্যারের কাছে চলে আসে আর স্যারের বাঁধন খুলে দেয়। তারপর সেখান থেকে স্যারকে পালিয়ে যেতে বলে। কিন্তু অনিকেত শ্যামলীকে ছাড়া যাবে না। অনিকেত বুঝে উঠতে পারেনা এখন তার ঠিক কি করা উচিত। কারণ শ্যামলীর সাথে মন্দারের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। শ্যামলী তখন নিজের নকল চুলটা খুলে ফেলে। যেটা দেখে অনিকেত অবাক হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: সিসিটিভি ফুটেজ দেখেতেই অর্ণবের মিথ্যে ধরে ফেললো পর্ণা! নিজের ভুল বুঝতে পেরে কান্নায় ভেঙে পড়লো কৃষ্ণা!
শ্যামলী বলে, জীবন থাকতে অন্য কারোর হাতে সেই সিঁদুর পরবে না। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে মন্দার। শ্যামলী আর অনিকেত দুজন মিলে মন্দারকে মেরে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। বাড়ি ফিরতেই অপরাজিতা জড়িয়ে ধরে অনিকেতকে। কিন্তু শ্যামলীকে দেখে সে মোটেই খুশি হয় না। বাড়ির অনেকেই শ্যামলীকে চলে যেতে বলে। কিন্তু শ্যামলী যেতে চায় না। অনিকেত বলে, শ্যামলী তার প্রাণ বাঁচিয়েছে। সে থাকলে অনিকেত অনেক বেশি নিশ্চিন্ত অনুভব করছে। এরপর আর কারোর কিছু বলার থাকে না।

