সিসিটিভি ফুটেজ দেখেতেই অর্ণবের মিথ্যে ধরে ফেললো পর্ণা! নিজের ভুল বুঝতে পেরে কান্নায় ভেঙে পড়লো কৃষ্ণা!

বর্তমানে আমাদের সমাজে বধূ নি’র্যা’ত’ন হরদম ঘটে চলেছে। এই মুহূর্তে ঠিক এমনই আর জঘন্য ঘটনার শিকার হলো জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণার ননদ বর্ষা। আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে ধারাবাহিকের বর্তমান রহস্য। টিআরপি তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এই ধারাবাহিকের নাম।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শুরু থেকেই বারবার মিথ্যা কথা বলেই চলেছে অর্ণব। এটা প্রথম থেকেই বুঝতে পেরেছিল পর্ণা। শুধুমাত্র প্রমাণের অভাবে কিছুই করে উঠতে পারেনি সে। কিন্তু একবার একটা সূত্র হাতে পেতেই উঠে পড়ে লাগল ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। তার উদ্যোগেই অনেকটা সত্যি পরিষ্কার হলো তার সামনে। অর্ণবের কুকীর্তি এখন গোটা দত্ত পরিবারের কাছে পরিষ্কার।
নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ১৮ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 18 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা আর সৃজন দুজন মিলে আরো একবার অর্ণবের বাড়িতে যায়। এখানে গিয়ে সৃজন অর্ণবকে জিজ্ঞাসা করে, এমন কি কোন বিষয় রয়েছে যেটা সে সবার সামনে বলতে পারেনি, কিন্তু আলাদা করে বলতে পারবে? আগের থেকেই বানানো সাজানো গোছানো উত্তর দেয় অর্ণব। সে বলে, এমন কিছুই হয়নি এমন কিছুই ঘটেনি যেটা সে তাদেরকে বলবে। এর মাঝেই শরবত দিতে আসার নাম করে কাঁচের গ্লাস উল্টে ফেলে সেটা পরিষ্কার করার বাহানায় বাইরে গিয়ে পর্ণার জুতোর মধ্যে একটা চিরকুট ভরে দেয় অর্ণবের বোন ইন্দু।
বাইরে এসে জুতো পরতে গিয়ে বিষয়টা বুঝতে পারে পর্ণা। এই চিরকুটে লেখা থাকে, অর্ণব আর সোহিনীর মধ্যে একটা সম্পর্ক রয়েছে। আর বর্ষা এভাবে কাউকে না বলে বেরিয়ে যাওয়ার মেয়ে নয়। সেটা পড়েই সবটা পরিষ্কার হয়ে যায় পর্ণার কাছে। এরপর অর্ণবের বাড়ির সামনে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ চয়নকে দিয়ে বের করিয়ে নেয় পর্ণা। এরপর সবাই মিলে সেটা দেখতে বসে।
আরও পড়ুন: শ্যামলীর ভালোবাসার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালো অনিকেতের প্রাক্তন প্রেমিকা! তবে কি আবার আলাদা হয়ে যাবে তারা?
নিজের ভুল বুঝতে পারলো কৃষ্ণা
সেই ফুটেজে বর্ষার বাড়ি থেকে বেরোনো বা বাড়িতে ফিরে আসার কোন দৃশ্য দেখা যায় না। শুধু দেখা যায় একটা ভারী ট্রলি নিয়ে অর্ণব বাড়ি থেকে বেরোচ্ছে এবং ফাঁকা ট্রলি নিয়ে বাড়িতে ঢুকছে। এটা দেখেই সবাই বুঝে যায় ওই ট্রলের মধ্যে বর্ষা ছিল। সবাই কান্নাকাটি করা শুরু করে দেয়। কৃষ্ণা নিজের ভুল বুঝতে পারে। সে কাঁদতে কাঁদতে বলে, আজ তার জন্যই এত কিছু ঘটেছে। সে নিজের মেয়েটাকে শেষ করে দিয়েছে। সে যদি একটুখানি তার মেয়ের কথা শুনতো তাহলে আজ বর্ষাকে এভাবে চলে যেতে হতো না।

