ভালোবাসার টানে শ্যামলীর কাছে গিয়ে উপস্থিত হল অনিকেত! বাড়ি থেকে পালানোর উপায় পেয়ে গেলো শ্যামলী

খুব বেশিদিন সুখ সহ্য হয় না জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলীর কপালে। অনেক কষ্ট করে সে তার স্যার অর্থাৎ অনিকেতের ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছিল। গোটা জোড়া বাড়ির বিশ্বাস অর্জন করছিল। কিন্তু কিছু অসৎ মানুষের জন্য শ্যামলী নিজের জায়গা ধরে রাখতে সক্ষম হলো না। নিজের বাড়িতে ফিরেও শান্তি পেলো না সে।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, জোড়া বাড়ি থেকে বেরিয়ে ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলী চলে আসে নিজের বাড়িতে। সে ভেবেছিল যেভাবেই হোক এখানেই তাকে থাকতে হবে এবং মাসে মাসে রোজগার করে সে দুই ভাইয়ের হাতে টাকা তুলে দেবে। কিন্তু তার দুই ভাই তাকে নিয়ে যে এত বড় ব্যবসা করতে সে বুঝতেই পারেনি শ্যামলী। তার দুই ভাই তার সাথে জোর করে মন্দারের বিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।
কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ৬ জুন (Kon Gopone Mon Bhesechhe Today Episode 6 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শ্যামলী চেষ্টা করে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার। কারণ সে কোনভাবেই নিজের স্যারকে ছেড়ে অন্য কারোর কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে পারবে না। বিছানার চাদর দিয়ে দড়ি বানিয়ে পাখায় আটকে নিজেকে শেষ করে দিতে গেলে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে পড়ে মন্দার। যার ফলে এই যাত্রায় আর শ্যামলীর অভিসন্ধি পূরণ হয় না। শ্যামলী যাতে আর কিছু না করতে পারে তার জন্য মন্দার তার হাত দুটো খাটের সাথে দড়ি দিয়ে বেঁধে দেয়।
সারারাত শ্যামলী ভাবতে থাকে কিভাবে এখান থেকে পালানো যায়। ছায়া তার জন্য খাবার নিয়ে এলে সে স্বপ্ন দেখে তার স্যার তাকে খাইয়ে দিচ্ছে। এরপর সেই দড়ি বাঁধা অবস্থাতেই ঘুমিয়ে পড়ে শ্যামলী। সকালবেলা উঠে সে শুনতে পায় বাইরে গায়ে হলুদের তত্ব নিয়ে চলে এসেছে মন্দার। শ্যামলী মনে মনে ভাবতে থাকে আর সময় নষ্ট করা যাবে না। এবার তাকে যেভাবেই হোক পালাতেই হবে। সে ঠিক করে তার কাছে একটাই উপায় খোলা আছে আর সেটা হলো বাথরুম।
আরও পড়ুন: রোহিতকে নির্দোষ প্রমাণ করতেই আবার একবার টিআরপি টপার ফুলকি! কোথায় গেল নিম ফুলের মধু? কথা গীতার আবার বাজিমাত!
শ্যামলীর কাছেই আসছে অনিকেত
এদিকে অনিকেত সেই কফি শপে একজন বন্ধু বানিয়ে ফেলে যে ডুয়ার্সের বক্সার জঙ্গলে ফটোগ্রাফি করতে এসেছে। তার সাথেই নদী পাহাড় জঙ্গল পাখি পশু এই সমগ্র প্রাকৃতিক সৌন্দর্যটাকে উপভোগ করার জন্য ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে ফেলে সে। কথাটা বাড়িতে জানাতেই রাজি হয়ে যায় সূর্য কিন্তু রাজি হতে চায় না অপরাজিতা। কিন্তু এই ক্ষেত্রে অনিকেত আর অপরাজিতার কথা শোনে না। অপরাজিতা ভয় পেতে থাকে যদি শ্যামলীর সঙ্গে দেখা হয়ে যায় অনিকেতের! অন্যদিকে ঠাম্মি ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করে যেন অনিকেত আর শ্যামলী পরস্পরের মুখোমুখি হতে পারে।

