আদর্শ বোন শর্মী! অনির্বাণের চোখ খুলে দিয়ে দর্শকদের মন জিতে নিল সে!

কম বেশি প্রতিটি ধারাবাহিকেই বৌদি ননদের চরিত্রটা একটু টক ঝাল মিষ্টি হয়ে থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবার ভাইয়ের বউয়ের চরম শত্রু হয়ে ওঠে ননদ! কিন্তু এই ক্ষেত্রে সেটা সম্পূর্ণ উল্টো। জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই এমন একজন ননদ পেয়েছে যে, প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছে নায়ক অনির্বাণের চোখে সত্যের আলো ফোটানোর।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নীলাঞ্জনা অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়িকার নিজের বোন তার দিদির ভালো সহ্য করতে না পেরে দিদির ফুলশয্যার রাতে তার কিছু নোংরা ছবি ইচ্ছাকৃতভাবে বানিয়ে সেটাকে নিজের জামাইবাবুর হাতে তুলে দেয়। যার ফলে দিদি জামাইবাবুর অর্থাৎ রাই অনির্বাণের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। যার ফল দাঁড়ায় ভয়ংকর। এক কাপড়ে পরের দিন সকালে স্বামীর বাড়ি থেকে বাপের বাড়ি ফিরে আসতে হয় রাইকে।
অনির্বাণ তার মা এবং তার বাবা কেউ একবারের জন্যেও রাইকে বিশ্বাস করতে পারেনি। অনির্বাণের মা এবং বাবা দুজনেই এই ঘটনায় বেশ খুশি হয়েছে কারণ তারা কেউ নিজের ছেলের সঙ্গে নায়িকার বিয়েটা মেনে নিতে পারেনি। এই সুযোগে তাদের দুজনের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেওয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করে চলেছে সোহিনী। কিন্তু সেই চেষ্টায় বার বার ব্যাঘাত দিয়ে অনির্বাণকে সত্যের আলোয় আলোকিত করার চেষ্টা করছে তার বোন শর্মী।
শর্মীকে পছন্দ করছে দর্শক মহল
ইতিমধ্যেই অনির্বাণকে রাইয়ের হয়ে বলার জন্য বারবার নিজের জেঠু জেঠিমার কাছে অপমানিত হতে হয়েছে শর্মীকে। তার পরেও সত্যিটা অস্বীকার করেনি শর্মী। তার যেটা ঠিক মনে হয়েছে সেটাই সে বারবার বলেছে। তার কথাতেই অনির্বাণের মধ্যে রাইকে নিয়ে লুকিয়ে থাকা আত্মবিশ্বাস বারবার জেগে উঠেছে আর অনির্বাণ রাইয়ের কাছে ছুটে গেছে। যদিও শেষ পর্যন্ত তার নিজের অবিশ্বাসের কাছে হেরে গেছে শর্মীর বলা কথা। তাও চেষ্টা থামায়নি শর্মী।
আরও পড়ুন: সফলতা আসেনি ছোটপর্দায়! এসভিএফের ব্যানারে এবার বড়পর্দায় ওগো নিরুপমার অর্কজা আচার্য্য!
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শর্মী অনির্বাণকে বলে, তার মনে হচ্ছে এই সব কিছুর পেছনে শৌর্য দা নয়, বরং অন্য কেউ আছে। যে বারবার তার বৌদির ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে এমনকি বিয়ের দিন ঘুমের ওষুধ খেয়ে বিরাটকানোর চেষ্টা করেছে সে কি এত সহজে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকবে? শর্মী নিশ্চিত ভাবে অনির্বাণকে জানায়, এই কাজটা নীলাঞ্জনা ছাড়া আর কারোর হতেই পারে না। শর্মী তার কুট্টিদার থেকে ছোট হয়েও যতটা দূরদর্শিতা সম্পন্ন তার সিকি ভাগও অনির্বাণ নয়। শর্মী চরিত্রটিকে ভালোবেসে ফেলেছে দর্শক মহল।

