পর্ণার বুদ্ধিতেই বাজিমাত, পুলিশের খপ্পরে রনি! রুচিরাকে বাঁচিয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে সফল পর্ণা!

এক মুহূর্তের জন্যও চোখ সরানো যাবে না ঠিক এমনটাই গল্প বর্তমানে সম্প্রচারিত করছে জি বাংলা (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu)। ধারাবাহিকে গল্পের প্লট রহস্যে ভরপুর এবং আর পাঁচটা ধারাবাহিকের থেকে একেবারে অন্যরকম। এই ধারাবাহিকে নায়িকা কেবল অন্যায় সহ্য করে কাঁদে না, বরং অন্যায় প্রতিরোধ করতে রুদ্রমূর্তি ধারণ করে।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী সমস্যা সমাধানের একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা। পুলিশের সহায়তা ছাড়াই কেবলমাত্র নিজের বুদ্ধির জোরে রুচিরার অনেক কাছে পৌঁছে গেল পর্ণা। তার এই পরিকল্পনায় তাকে সাহায্য করে সৃজন, বর্ষা, পিকলু এবং ছোটকা ও ছোট কাকি।

এই দিনের পর্বে দর্শকরা দেখেছেন, বাউল সেজে গান গেয়ে এবং তার পাশাপাশি বিপদে মানুষের পাশে থেকে সবার মন জয় করে নেয় পর্ণা। তারা যেখানে কুচিরার সন্ধান করছিল সেইখানেই এক মুসলমান দম্পতি পর্ণাকে ঠিক চিনতে পারে।

আরো পড়ুন: অনিন্দ্য কোনোভাবেই মেঘের জীবনে আর নীলকে ফিরতে দেবে না বুঝতে পেরে খুশি ময়ূরী! এবার মেয়ের ভালোবাসায় বাঁধা বাবা নিজে!

শেষমেষ রুচিরার খবর পেয়ে যায় পর্ণা। কিন্তু পর্ণার পৌঁছানোর আগেই রনি পৌঁছে যায় রুচিরার কাছে। রনি পর্ণার মাথায় বন্দুক তাক করলে পর্ণা একটুও ভয় না পেয়ে রনির দিকে তাকিয়ে থাকে। সেই দৃষ্টি দেখে রনি যথারীতি ভয় পেয়ে যায়। শুধুমাত্র নিজের বাবার জোরে অন্যায় করে রনিকে পার পেতে দেবে না পর্ণা।

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, যে জায়গায় এই সমস্ত কিছু ঘটছিল সেখানে এবার এসে হাজির হয় পুলিশ। পুলিশ তার অন্যান্য সহকর্মীকে নির্দেশ দেয় রনিকে কোমরের দড়ি বেঁধে গাড়িতে তোলার জন্য। রনি তখন নিজের বাবার সঙ্গে কথা বলতে চায়। পর্ণা তখন বলে, তার বাবা যেন তাকে জেলে থাকার প্র্যাকটিসটা করিয়ে দেয়। এই শুনে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় রনি।

Back to top button