নিজের প্রথম কেসে সফল ধানু! শালিনীর মৃত্যুর ভয় দেখাতেই ডিভোর্স দিতে রাজি হয়ে গেল রোহিত!

এখন জীবন মানেই জি বাংলা। এই চ্যানেলের প্রতিটি ধারাবাহিক দর্শকদের মনে আলাদাই দাগ কাটছে। জি বাংলার (Zee Bangla) এমন একটি অসাধারণ ধারাবাহিক হচ্ছে ‘ফুলকি’ (Phulki)। শুরু থেকেই দর্শকদের ড্রয়িং রুম একেবারে মাতিয়ে রেখেছে এই মেগা। কখনো মন থেকে এতোটুকুনিও আগ্রহ পড়তে দেয়নি ফুলকি। ধারাবাহিকের বর্তমান পর্বগুলি আরো অনেক বেশি জমে উঠেছে।

আরো পড়ুন: রাজনাথ উর্মিলার বিয়েতে আমন্ত্রিত ছিল বৈদেহি! অনিন্দিতার কথায় সন্দেহ বাড়লো জগদ্ধাত্রীর

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, শালিনী আর রোহিত যাতে একে অপরের সঙ্গে সুখে থাকতে পারে এবং রোহিত নিজের দোটানা থেকে মুক্ত হয়ে এত সুস্থ স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারে সেই উদ্দেশ্য নিয়ে স্যারকে ডিভোর্স দিতে উঠে পড়ে লেগেছে ফুলকি। এই ডিভোর্সটা হলে ফুলকির ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাবে তাই কোন মতেই ফুলকিকে ছাড়তে পারছে না রোহিত।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রোহিতের সঙ্গে কথা হয় ধানুর। রোহিত যখন জানতে পারে তারা ফুলকিকে আরো বেশি উৎসাহিত করছে ডিভোর্সের জন্য শুধুমাত্র রোহিতের মুখ থেকে আই লাভ ইউ কথাটা বের করার জন্য তখনই প্রচণ্ড রেগে যায় রোহিত। সে রাগ করে চলে যায় স্টোরে। সেখনে গিয়ে ঘটে চলা সমস্ত ঘটনা ভাবতে থাকে রোহিত। প্রচন্ড রেগে যায় সে। এদিকে ফুলকির মনে পড়ে তার স্যার কিছু খায়নি। তাই তাড়াতাড়ি স্যারের জন্য খাবার নিয়ে স্টোরে চলে যায় ফুলকি।

ফুলকিকে দেখে রোহিত আরো রেগে যায়। সে যতই রোহিতের রাগ কমানোর চেষ্টা করুক না কেনো রোহিত কোনো কিছুতেই শান্ত হতে চায় না। স্টোরের জিনিসপত্র এদিক ওদিক ছুঁড়ে ফেলতে থাকে। আর নিজের হাতটা কেটে বসে। এবার ফুলকি বেশ রেগে যায়। সে স্যারকে জোর করে নিয়ে এসে বসায় আর হতে ব্যান্ডেজ করে দেয়। শুধু তাই নয় রোহিতকে সে নিজের হাতে খাইয়ে দেয়। এরপর বাড়ি এসে সবাইকে এইসব কিছু বলে।

ধানু বলে, যাই হয়ে যাক না কেন, কোনো ভাবেই কেস তুলে নেওয়া যাবে না। এবার রোহিতকে ভালোবাসি বলতেই হবে। বাইরে দাঁড়িয়ে এই সমস্ত কথা শুনতে থাকে শালিনী। সে মনে মনে ভাবে রোহিত আর ফুলকি ডিভোর্সটা কেউ আটকাতে পারবে না। রোহিত বাড়ি ফিরেই ফুলকিকে এদিক ওদিক খুঁজতে থাকে কিন্তু কোথাও দেখতে না পেয়ে নিজের ঘরে চলে যায়। ঠিক তখনই রোহিতকে ফোন করে ডক্টর। সে বলে, শালিনী এসে তার কাছে নাকি ঘুমের ওষুধ চাইছিল। কথা গুলো শুনে খুব চিন্তায় পড়ে যায় রোহিত। আর ডাক্তারের সামনে বসে হাসতে থাকে রুদ্র। কারণ সেই টাকা খাইয়ে এসব করেছে।

Back to top button